প্রকৌশল আন্দোলনে সম্পৃক্ত এক নারী শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিলেন এক পুলিশ কনস্টেবল। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
রবিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এমন তথ্য জানিয়েছেন বুয়েট শিক্ষার্থী ও প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শাকিল আহমেদ।
শাকিল আহমেদ বলেন, ‘আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকার কারণে আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এক নারী শিক্ষার্থীকে পুলিশের এক কনস্টেবল হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দেন। আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে সেই কনস্টেবলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেই পুলিশ কনস্টেবলের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।’
আন্দোলনকারীরা নানাভাবে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন- এ বিষয়টি জানাতে বিকেলে প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের কর্মীরা ডিএমপি সদর দপ্তরে যান। ২ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হয় ডিএমপি কমিশনার ও প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের মধ্যে। আলোচনায় তারা ২৮ আগস্ট শাহবাগে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, রংপুরে এক প্রকৌশল শিক্ষার্থীকে হেনস্তাসহ আন্দোলনসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
আলোচনা শেষে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে ছাত্র ও পুলিশের দায়িত্ব কী হবে, তা আলোচনা করা হয়েছে। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা এলাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ঠিক হয়নি। আমরা এই বিষয়ে তাদের আইনগত দিকগুলো বুঝিয়েছি। পুলিশের যাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধর করার অভিযোগ এসেছে, সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।’