নতুন দিনের প্রত্যাশা নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটাধিকার প্রদান করছেন তরুণ ভোটাররা। তাদের প্রত্যাশা, যারাই নির্বাচিত হয়ে আসুন না কেন, দেশ এগিয়ে যাবে সাফল্যের পথে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।
রাজধানীর ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ঢাকা-৬ আসনের ১০০টি ভোটকেন্দ্রের অন্যতম টিকাটুলি কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সময় যত গড়িয়েছে, ভোটার সংখ্যাও কেবলই বাড়ছে। এই আসনের হেভিয়য়েট প্রার্থী বিএনপির ইশরাক হোসেনের ভোটকেন্দ্রও এটি। বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে তিনি ভোট দেন।
যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের সবার মধ্যেই অন্য রকম উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। নাজিফা সায়ারা কামাদি নামের এক তরুণী ভোটারের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। দ্বিতীয়বারের মতো ভোট দেওয়া নাজিফা নিজের অভিজ্ঞতার কথা বললেন এভাবে, ‘আমি যতটুকু বলব, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুব সতর্কতার সাথে মানুষকে সাবধানতা অবলম্বন করার একটা সুযোগ দিয়েছে। সবাই আসলে খুব নির্ভয়ে বাসা থেকে বের হয়ে ভোটটা দিতে পারছে। এটা বলা যায় যে খুব সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।’
তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের প্রভাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এবার ৫ কোটি তরুণ ভোটার রয়েছেন। অনেকেই আছেন যারা এতদিন পর্যন্ত ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে কোনো দলকে বাছাই করার সুযোগ পাননি। আশাকরি তরুণদের মতামতের ভিত্তিতে দেশটা আমরা নতুন করে গড়ে তুলতে পারবো।’
নারী ভোটাররাও বিশেষ প্রভাব রাখবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে গার্মেন্টস থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জায়গায় নারীদের যে অবদান আছে, সেটা আসলে কেউ ইগনোর করতে পারবে না। নারীরা এখানে একটা বড় সংখ্যা ধারণ করছেন।’
নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন যারা, তাদের উদ্দেশ্যে নাজিফা বলেন, ‘যে দলই আসুক না কেন, আমরা চাচ্ছি যে আমরা একটু দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলি। আমাদের দেশ অনেক পিছিয়ে গেছে। আমরা ব্যক্তি স্বাধীনতা থেকেও অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। দেশটাকে সুন্দর করে এগিয়ে নিতে হবে। সাধারণ মানুষকে সুযোগ দিতে হবে।’
তোফায়েল/অমিয়/