ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু জমি নিয়ে বিরোধে রণক্ষেত্র খুলশি, আহত ১০ ফটিকছড়িতে মনজুর-সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সোনারগাঁয় বাবার মৃত্যুর খবর দিতে গিয়ে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহের সন্ধান এআই মামলা: ডিএমপি মাত্র দুটি নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায়, অন্যগুলো ভুয়া ঈশ্বরগঞ্জে বসতঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক লালমনিরহাটে ৩ সীমান্ত পয়েন্টে পুশইন ব্যর্থ, লোকজন ফিরিয়ে নিল বিএসএফ ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির পরভো শহরে এক দিন চন্দনাইশে দ্রুতগামী অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা নওগাঁ সীমান্তে ১৭ ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ গাইবান্ধায় দুই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাইজদীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে পুলিশে দিল ছাত্রদল রংপুরে মাদকমুক্ত সামজ গঠনে শিক্ষার্থীদের শপথ অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: ইসরায়েলের হাতে বিকল্প কী লতাপাতায় ঢাকা ২ কোটি টাকার সেতু, পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্প গরমে কমেছে কাজের গতি নিজেই নিজেকে গড়ছে এআই, শঙ্কা অ্যানথ্রোপিকের বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে সম্মত খরা, বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে ভারত, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া দিনাজপুরের: সুই-সুতো আর কি-বোর্ডে নির্যাতিত নারীদের নতুন স্বপ্ন পুতিনকে আলোচনায় বসতে জেলেনস্কির খোলাচিঠি রাজশাহী অঞ্চলে তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতাপার্টির’ বিক্ষোভ আজ ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে
Nagad desktop

বিএনপির বাজেটের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে: আমীর খসরু

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৮ পিএম
আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৯ পিএম
বিএনপির বাজেটের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে: আমীর খসরু
বক্তব্য রাখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: খবরের কাগজ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বিএনপি। এজন্য দলের প্রণীত বাজেটে সর্বাধিক বিনিয়োগ রাখা হবে এই দুই খাতে। আমাদের বাজেটের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হবে শিক্ষার জন্য। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য। পরিবেশ এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আমাদের আরো অনেক কাজ আছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ব্যবস্থাপনায় এসএসসি ও এইচএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেলের পরিচালনায় এতে মূখ্য আলোচক ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল। আলোচক ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। 

শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, দেশে এখন শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার গুরুত্ব রাজনৈতিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছে। তাদের মেধা, দক্ষতা ও শিক্ষার উপরই নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে।

তিনি বলেন, লেখাপড়া ভালো করলে একটা স্বীকৃতির ব্যাপার আছে। স্বীকৃতিটা শুধু সামাজিক পর্যায়ে না, এখন রাজনৈতিক পর্যায়েও পৌঁছেছে। স্বৈরাচার বিদায়ের পর নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন এবং নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, যা এক দুই বছর আগেও ছিল না। মেধা আগামীর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিএনপির শিক্ষা ভাবনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে, শিক্ষাটা কেমন হবে, শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কেমন হবে, এসব বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, মিউজিক, নাটক থিয়েটারের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। নতুন বিশ্বে কীভাবে আমরা সম্পৃক্ত হবো, সেসব বিষয়ও আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রবর্তিত হবে।

প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এখন সবার হাতে একটি করে স্মার্টফোন আছে। মোবাইল ফোন থেকেই বিশ্বের যে কোনো লাইব্রেরিতে প্রবেশ করা যায়, বই অর্ডার করা যায়। মেধার যে ব্যবহার শুরু হয়েছে, সেটাকে যত বেশি কাজে লাগাতে পারবে, তত বেশি এগিয়ে যাবে। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ হবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ।

ভবিষ্যতের দক্ষতা নিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা কারিকুলাম হবে জাপানিজ, চাইনিজ, ইংলিশ, আরবিক। যে যত বেশি জানবে, শিখবে, তার জীবনযাত্রার মান তত উন্নত হবে। বাংলাদেশে বসে এই বৈশ্বিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক মানুষ আছে যারা ঠিকমতো দুই বেলা খেতে পারে না। শরীর ভালো না থাকলে মেধা বিকাশও হবে না। এজন্য আমরা সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিনা পয়সায় নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ। পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হবে।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশে অনেক ডাক্তার আছে, কিন্তু চাকরি নেই। অনেকেই ২০–৪০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করছে। এ ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আগামী দিনে বিনা পয়সার চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি সেখানে অনেকের চাকরির সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির সবচেয়ে বড় যে ঘোষণা, ১৮ মাসে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান। সারা বাংলাদেশে আমরা স্কিল সেন্টার করব। ছেলে মেয়েরা গ্রাম থেকে কল সেন্টার, ডাটা সেন্টারে কাজ করতে পারবে। অনেকে ঘরে বসে আচার বা পণ্য তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করছে, এটা আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে গ্রামে ইন্টারনেট পৌঁছে দেব।

ই কমার্সকে গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নকশিকাঁথা তৈরি করেও অনলাইনে বিক্রি করা সম্ভব হবে, শুধু বাংলাদেশে নয়, অ্যামাজন আলিবাবার মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো জায়গায়। সেই ব্যবস্থাও বিএনপি করবে ইনশাল্লাহ।

মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের কল্যাণে বিনিয়োগে বিএনপি গুরুত্ব দেবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কোনো মেগা প্রজেক্টে যাব না। মানুষের আত্মকর্মসংস্থান, কর্মসংস্থান, বিদেশে চাকরির সুযোগ, এসবই আমাদের অগ্রাধিকার। নতুন প্রজন্ম লেখাপড়া করেও চাকরি পাচ্ছে না, এজন্য ১৮ মাসে ১ কোটি চাকরির ব্যবস্থা করাই প্রথম দায়িত্ব।

ডিজিটাল যুগের দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, এআই এর সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। এতে যাতে আমাদের ছেলে মেয়েরা যুক্ত হতে পারে, তাদের জীবনের মান উন্নয়ন করতে পারে, এটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

শেষে আমীর খসরু তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান, এটা বিএনপি একা করতে পারবে না, সবার সহযোগিতা লাগবে। তরুণ মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা এগিয়ে আসুন।

মূখ্য আলোচক ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের কোন রাজনীতি নেই, কোন ভোট প্রার্থনা নেই।তবে তারেক রহমানের একটা প্রার্থনা আছে, তিনি আশা করেন, তোমরা একটি শক্তিশালী প্রজন্ম তৈরি হবে এবং সেই প্রজন্ম ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে ভালো রাখবে। সবার আগে বাংলাদেশ। বর্তমানের এ যুগে শিক্ষার্থীরা কমবেশি অনেকেই স্মার্ট মোবাইল ইউজ করে। এ মোবাইলের মাধ্যমে শুধুমাত্র সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন ভিডিও রিলস দেখে সময় পার করলে হবে না, স্মার্ট মোবাইলের মাধ্যমে শিক্ষনীয় অনেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। অনলাইনে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাস করে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারে। শিক্ষা শেষ করে শুধুমাত্র চাকরি পাওয়া যাবে এই উদ্দেশ্য থাকলে দেশ ও জাতি তার মাধ্যমে উপকৃত হতে পারবে না। অপরদিকে প্রকৃত মানুষ হতে পারলে সে যে দপ্তরেই কাজ করুক তার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মঙ্গল সাধিত হবে। তিনি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের আলোচক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, আজকে যাদেরকে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে তারা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফল এগিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ। শুধু ভালো ফলাফল নয়, সততা, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও মানবিক গুণাবলি চর্চাই প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ হওয়ার পথ। দীর্ঘ এই যাত্রায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে। আমরা শিক্ষার্থীদের চলার পথে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, সঠিক দিকনির্দেশনা ও ক্যারিয়ার গঠনে সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে যাবো।

আলোচক ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, একটি দেশ গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিক্ষার্থীদের সঠিক ও নির্ভুল শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষিত করা, যাতে তারা আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফায় শিক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক এক্সট্রা কারিকুলামের উপর জোর দিয়েছেন। এটা অত্যন্ত সময়োপযোগী। বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে এটি অত্যবশকিয়।

সভাপতির বক্তব্যে নাজিমুর রহমান বলেন, দেশপ্রেম ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে জীবনে সফল হতে হবে। আমার মতে, মেধাবী তারাই, যাদের মধ্যে দেশপ্রেম রয়েছে। দেশপ্রেম ছাড়া একজন মেধাবী কখনই দেশ ও জনগণের কাজে আসে না। শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেমিক মেধাবী হয়ে উঠবে এই প্রত্যাশা করি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামসুল আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংবর্ধনা কমিটির আহবায়ক ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আবদুস সাত্তার প্রমুখ। 

এসএন/

ফটিকছড়িতে মনজুর-সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ফটিকছড়িতে মনজুর-সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সভা ও মিছিলের ঘটনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম ও সাবেক এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করে।

মামলায় অজ্ঞাত আরও ৮০–৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে রোসাংঙ্গিরি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আজিমনগর এলাকায় নাজিরহাট-মাইজভাণ্ডার সড়কে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল বের করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে থাকা ব্যক্তিরা মশাল ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মো. জামান বাবু (২৩) ও সাইফুল ইসলাম (২৫) নামের দুই যুবককে আটক করা হয়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি বাঁশের তৈরি মশাল জব্দ করা হয়।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভা ও মিছিলের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইফতেখারুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রলীগের মিছিল। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। মিছিলের শুরুতে পুলিশ বাধা দিলেও একপর্যায়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের 'সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির' বিরুদ্ধে ওই মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। এতে সহস্ত্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার ছাত্রলীগ যুবলীগের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থকরা মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশে বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন। এসময় পুলিশ সদস্যরা গা-ঢাকা দেন।

বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।

মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় এবং সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হব না এবং রাজপথ ছাড়ব না।

কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি। পুলিশ প্রথমে আমাদেরকে বাধা দিলে আমাদের নেতাকর্মী ভয়ে এদিক সেদিক চলে যায়। পরে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আমরা প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিয়ে মিছিল করি এবং সমাবেশ করি। আমরা বিশ্বাস করি অতি দ্রুত আমাদের নেত্রী দেশে ফিরে দেশের দায়িত্ব নিবেন এবং আমাদের নেত্রী দেশে ফেরার সাথে সাথেই বর্তমান সময়ের সন্ত্রাস চাঁদাবাজরা দেশ ছেড়ে পালাবে। 

জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের দল সেখানে উপস্থিত ছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিল না । আমরা মিছিলে শুরুতে তাদের বাধা দিলেও পরবর্তীতে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়েন।


ইকবাল হোসেন মজনু/এসএন

সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম
সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। ছবি: খবরের কাগজ

দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে সরকারকে সাত দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচারের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা না জানানো হলে রাজধানীর শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

শুক্রবার (৫ জুন) বাদ জুমা ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটি মিছিল বের করে। বিক্ষোভ মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ওসমান হাদির সমাধিস্থলে আসে। সেখান থেকে হাদি হত্যার বিচারে সরকারকে আলটিমেটাম দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। 

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সরকার হাদি হত্যার বিচারের কোনো রূপরেখা দেয়নি। সরকার কতদিনের মধ্যে আসামিকে ফিরিয়ে আনবে এবং এ হত্যার বিচার করবে, সে বিষয়ে জানতে চায় ইনকিলাব মঞ্চ। যদি আগামী শুক্রবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট তথ্য, সময়সীমা না দিতে পারে; আমরা বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে শাহবাগে লাগাতার কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। এই কর্মসূচি কোথায় গিয়ে শেষ হবে, আমরা জানি না।’

গত ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা গুলি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। তিন দিনের মাথায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মারা যান ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র।

হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন?

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন?
ছবি: খবরের কাগজ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র প্রয়াত শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। 

শুক্রবার (৫ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ঘটনার সময়কার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে এবং কার অনুমতিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই হত্যা মামলার বাদী হলেন, তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে।

পোস্টে মাসুমা হাদি লেখেন, ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে, যেসব বিষয়ে তিনি এখনো মুখ খোলেননি শুধু ভাইয়ের কথা ভেবে। তবে দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে ‘নোংরামি’ চলছে, তার প্রেক্ষিতে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

মাসুমা হাদি উল্লেখ করেন, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়েই তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে যান এবং এক মুহূর্তের জন্যও ভাইয়ের পাশ থেকে সরেননি। তার প্রশ্ন ‘প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে স্বাক্ষর (সাইন) নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের স্বাক্ষর দেবে কেন?’ এ বিষয়ে তাকে বোঝানো হয়েছিল যে, ওমর (ওসমান হাদির ভাই) এর কাছে পুলিশ গিয়েছিল এবং তিনি চিকিৎসার ব্যস্ততার কারণে পরে বিষয়টি দেখবেন বলেছিলেন। মাসুমা হাদি বলেন, ‘এ ধরনের ফৌজদারি মামলায় বাদীর স্বাক্ষর আগে বা পরে নেওয়া নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই, এবং পুলিশ চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়েও আইনি ব্যবস্থা নিতে পারতো।’

তৎকালীন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি লেখেন, একই রিকশায় দুই ভাই থাকায় ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত হয়ে পড়েছিলেন। বুলেট আরেকটু এদিকে লাগলে ওমরও সেদিন মারা যেতে পারতেন। ওসমান হাদিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়, সেদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে নিজের পোশাক ও হাতের ঘড়ি থেকে ভাইয়ের রক্তের দাগ পরিষ্কার করেন।

এসময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জাবের যদি আমাদের নলছিটির ছেলে না হতো, তাহলে কোনো প্রশ্নই থাকত না। কারণ ওসমান গণির সঙ্গে দীর্ঘদিন যারা চলাফেরা করেছেন, তারা জানেন তার জীবনে তার ছোট আপুর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সেই ছোট আপুর সঙ্গে পরামর্শ না করে কার অনুমতিতে জাবের মামলার বাদী হলো এটি পরিষ্কার করতে হবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমরের লাইফস্টাইল নিয়ে চলা ট্রলিংয়ের জবাবে মাসুমা হাদি জানান, ওমর যে ঘড়ি পরেন তা পাঁচ বছর আগে ১৭ হাজার টাকায় কেনা। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি ৩০ হাজার টাকার ব্লেজার এবং ৭০ হাজার টাকার মোবাইল ব্যবহার করতেন। কাউকে না জেনে অযথা ট্রল না করার অনুরোধ জানান তিনি।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে অনেকেই দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার সায় দেয়নি। সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে থাইল্যান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নেন। পরে সরকার বিষয়টি জানার পর দায়িত্ব নেয় এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে তা গ্রহণ করা হয়। এরপরই ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।’

রাজু/রিফাত/

রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের ফলে দেশের রাজনীতি এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য চারদিকে সুপরিকল্পিত ও গভীর চক্রান্ত চলছে।’

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন মাধ্যমে এখনকার রাজনীতিতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্রহনন করে সমাজের কাছে, রাজনীতির কাছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের হীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি মূলত রাজনীতিকে ধ্বংস করার একটি চক্রান্ত এবং এটি সুস্থ রাজনীতির জন্য কোনো শুভ লক্ষণ নয়।’

বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ ব্যাখ্যা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি সম্পর্কে অনেকেই অনেক রকম চিন্তা করেন। কিন্তু বিএনপির মূল চরিত্র হচ্ছে এটি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘একটা বড় আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের পর আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আজ গণতন্ত্রকে বিপদে ফেলার চেষ্টা শুরু হয়েছে। সবকিছুকে ভেঙে ফেলা এবং মস্তহীন করার মধ্য দিয়ে একটি নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতির মধ্য দিয়ে একটি সরকার গঠন করতে পেরেছি। এখন এই সরকারের দায়িত্ব হবে দ্রুততার সঙ্গে এই চক্রান্তকে চিহ্নিত করে সঠিক খাতে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’

স্মরণ সভায় প্রয়াত নেতাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা ভাইয়েরা এমন এক সময়ে রাজনীতি করেছেন যখন রাজনীতিতে এথিক্স, মোরালিটি ও মূল্যবোধ ছিল। তারা সবসময় জনগণের কল্যাণ, মানুষের সমস্যার সমাধান এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে গেছেন।’

রিফাত/