ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শাখায় কলমবিরতি হয়নি বেলকুচিতে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ১০ দিলারার রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের জয় কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি ৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ ৫ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ৫ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম
Nagad desktop

নির্বাচনের আগে সৈয়দপুরে জব্দ পৌনে ১ কোটি টাকার মালিকানা দাবি করছে না কেউ

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:১১ এএম
আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
নির্বাচনের আগে সৈয়দপুরে জব্দ পৌনে ১ কোটি টাকার মালিকানা দাবি করছে না কেউ
জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন প্রধান

নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হেফাজতে থাকা জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন প্রধানের কাছ থেকে জব্দ করা ৭৪ লাখ টাকার মালিকানা কেউ দাবি করছেন না। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় পুলিশ গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) পর্যন্ত কোনো মামলা করেনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক দিন আগে, ১১ ফেব্রুয়ারি সৈয়দপুর এয়ারপোর্টে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় জেলা জামায়াতের আমির ও কলেজশিক্ষক বেলাল উদ্দিন প্রধানের দুটি ব্যাগে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া যায়। বেলাল উদ্দিন তল্লাশির সময় জানান, জব্দ করা টাকার মধ্যে মাত্র ৫০ লাখের কিছু বেশি তার। তবে শেষ তিন সপ্তাহে তিনি বা তার প্রতিনিধি আদালতে টাকা ফেরত চাওয়ার কোনো আবেদন করেননি।

সৈয়দপুর থানার সাধারণ ডায়েরি অনুযায়ী, পুরো টাকার মালিক বেলাল উদ্দিনই। তল্লাশির সময় তিনি নিজেকে গার্মেন্ট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেন, ‘ব্যাগে আমার টাকা আছে ৫০ লাখের কিছু বেশি।’ কিন্তু গণনা করলে পাওয়া যায় ৭৪ লাখ টাকা। ভোটের আগে এ বিপুল অঙ্কের টাকা কেন এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, তা তিনি সন্তোষজনকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি।

টাকা জব্দের পর জামায়াত নেতা অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে সৈয়দপুরে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পর রাত ১২টার দিকে তাকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া ৭৪ লাখ টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনে পোশাক ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে আদালতে জমা রাখা হয়েছে। কোনো অভিযোগকারী না থাকায় কোনো মামলা হয়নি। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কেউ আদালতে কোনো আবেদন করেননি। জব্দ করা টাকার বৈধ কাগজপত্রও কেউ জমা দেননি। তবে বেলাল উদ্দিন প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছিলেন, ৫০ লাখের বেশি টাকার মালিক তিনি। বাকি টাকার মালিক কে, তা পুলিশের কাছে অজানা।

এয়ারপোর্টে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, বেলাল উদ্দিনের দুটি ব্যাগে ১৯ লাখ ও ৫৫ লাখ টাকা ছিল। ১৯ লাখ টাকার মালিক ছিলেন তার সহযাত্রী আব্দুল মান্নান।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের এক দিন আগে নিরাপত্তা তল্লাশি কঠোর ছিল। নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে যাত্রীদের দেহ ও লাগেজ পরীক্ষা করা হচ্ছিল। বেলাল উদ্দিন প্রধানের দুটি ব্যাগে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ পাওয়ায় নিরাপত্তা কর্মীরা সন্দেহ করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রথমে স্বীকার করেন ৫০ লাখ টাকার বেশি তার কাছে আছে। টাকার উৎস ও বহনের উদ্দেশ্য সন্তোষজনকভাবে ব্যাখ্যা করতে না পারায় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন। বেলাল উদ্দিন দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া অর্থ তার ব্যবসার বৈধ টাকা এবং ঢাকা বিমানবন্দর থেকে এনওসি নেওয়া আছে।

জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, ‘সৈয়দপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জামায়াত আমিরের ৭৪ লাখ টাকা নীলফামারী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। জামায়াত আমির কোনো সদুত্তর বা কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বিষয়ে রেগুলারের মামলা করা উচিত ছিল।’

বেলাল উদ্দিন প্রধানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা যায়নি।

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম
ছবি: খবরের কাগজ

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে দফায় দফায় তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ বা সংসদীয় কমিটিতে কোনো আলোচনা ছাড়াই বাজেট ঘোষণার পূর্বে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে একটি খারাপ নজির স্থাপন করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনদুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশেরও বেশি। ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৬.৭ শতাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ টাকায় পৌঁছানোয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাজারে মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং সরু চাল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও ডালের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মাছ, মাংস, ডিম ও আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি এবং অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে কৃষিতে উৎপাদন খরচ এবং গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষি উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি খাতে স্থবিরতা সৃষ্টি করবে। এর প্রভাব হিসেবে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামাল খান প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান এলাহী, আমির হোসাইন, ড. আ ম ম মসরুর হোসাইন, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সহ-সভাপতি মকবুল আহমেদ প্রমুখ। 

এসএন/

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর গুলশানে একটি কনভেনশন হলে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

জিএম কাদের বলেন, ‘জাতি আজ এক চরম বিপদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এটি কতটুকু বুঝতে পারছে জানি না, তবে তারা সঠিকভাবে অনুমান করতে পারছে না। দেশ এখন সুস্পষ্টভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং দুই পক্ষ এখন মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে।’

জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ স্বাধীনতাবিরোধী ধ্যান-ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তারা ৭১ ও ২৪-এর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। দেশের তরুণ সমাজকে অর্থ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা কোনো অবস্থাতেই এই অপরাজনীতি সফল হতে দেব না।’

জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে জি এম কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আর কোনো সুবিধাবাদী বা আপসের রাজনীতি করবে না। ৮-১০টি সিট বা মন্ত্রী হওয়ার রাজনীতি করার দিন শেষ। এখন থেকে আমরা দেশের ৩০০ আসনেই লড়াই করার প্রস্তুতি নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে মাঠে দাঁড়াতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে নিজের এক বিশ্লেষণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। জনগণ বর্তমান সরকার বা কোনো দলের ওপরই আস্থা রাখেনি।’

জাপাকে ‘ফিনিক্স পাখি’র সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘৯১ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনের আগে বলা হয়েছে জাতীয় পার্টি শেষ। কিন্তু জাপা ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার পুনর্জন্ম নিয়ে ফিরে এসেছে। এবারও আমাদের শেষ করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু জাতীয় পার্টি শেষ হয়নি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর জাপার আহ্বায়ক এ এন এম রফিকুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, শেরীফা কাদের ও নুরুন নাহার বেগম।

জয়ন্ত/সালমান/

দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর
ছবি: খবরের কাগজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটের লড়াইয়ের বিভেদ ভুলে, পদত্যাগ করা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে  পুনর্বহাল দাবি করেছেন তার সাবেক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

প্রার্থী পহেল চাকমা ও আবুল বাশার অভিযোগ করেন, দলীয় কোন্দলের কারণেই দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই দাবি জানান পহেল চাকমা ও আবুল বাশার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে পহেল চাকমা পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আবুল বাশার গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পহেল চাকমা বলেন, ‘দীপেন দেওয়ান রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে পার্বত্য মন্ত্রী হয়েছিলেন। ওনাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা চাই সসম্মানে উনাকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হোক।’

আবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আবেদন থাকবে দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় তার মন্ত্রীত্ব ফিরিয়ে দিক। সুষম বণ্টনের মাধ্যমে পাহাড়ি-বাঙালি সবার মাঝে উন্নয়নের জোয়ার হিসেবে আমরা রাঙামাটিবাসী তাকে ফিরে পেতে চাই।’

জিয়াউর রহমান/খাদিজা রুমি/

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংর্ঘষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সাত জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদরকে ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এসময় দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মাহফুজুর/আমান

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, পদ পেলেন যারা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, পদ পেলেন যারা
জাতীয়তাবাদী যুবদল

বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটির মোট সদস্য ১৫১ জন। নতুন কমিটিতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ২০২৪ সালে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন-

সভাপতি

আবদুল মোনায়েম মুন্না

সিনিয়র সহসভাপতি

রেজাউল কবীর পল

সহসভাপতি

জিয়াউর রহমান জিয়া
কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
শাহ আলম চৌধুরী
সাইদুর রহমান
সাব্বির আহমেদ দিপু
আবদুল জব্বার খান
খন্দকার এনামুল হক এনাম
শরীফ উদ্দীন জুয়েল
ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
রফিক আহমেদ ডলার
সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
মাহমুদুস সালেহীন
আতিকুর রহমান আতিক
জাকির হোসেন উজ্জল
এইচএম তসলিম উদ্দিন
নাজমুল আলম নাজু
মো. আনোয়ারুল হক
আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
তরিকুল ইসলাম টিটু
ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
মঞ্জুরুল আজিম সুমন
আজিজুর রহমান আকন্দ
নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

সাধারণ সম্পাদক

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন

১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

বিল্লাল হোসেন তারেক

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মনিরুল ইসলাম সোহাগ
আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
কফিল উদ্দিন ভূইয়া
মঈনুদ্দীন রুবেল
আজহারুল ইসলাম মিলন
এজমল হোসেন পাইলট
ইখতিয়ার রহমান কবির
রবিউল ইসলাম নয়ন
সাজ্জাদুল মিরাজ
মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
আবদুল করিম সরকার
শফিকুল ইসলাম শফিক
গোলাম মোস্তফা
আবুল মনসুর খান দীপক
খন্দকার আল আশরাফ মামুন
আইয়ুব খান
শামসুজ্জোহা সুমন
তারেক উজ জামান তারেক
শোয়াইব খন্দকার
আশরাফুর রহমান বাবু
আসাদুজ্জামান আসাদ
মো. আবদুল ওয়াহাব
হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
এম তমাল আহমেদ
সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

সহ সাধারণ সম্পাদক

হাসান আল মামুন লিমন
মাসুদ খান পারভেজ
এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
গিয়াসউদ্দিন মামুন
মামুন হোসেন ভূইয়া
রাহাদুল আলম খান
রুহুল ইসলাম মনি
জাহিদ হাসান
আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
মাহবুবুর রহমান পলাশ
আরিফুল হক আরিফ
প্রকৌ. কামরুল হাসান খান সাইফুল
মাহবুবুর রহমান
আলমগীর কবির সেলিম
মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান জুয়েল
মো. মাসুদুল হক
সাহাবুদ্দিন মুন্না
সামসুল আলম রানা
আবুল বাসার সিদ্দিকী

সাংগঠনিক সম্পাদক

মো. কামরুজ্জামান জুয়েল

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক

এম এ গাফফার
আশরাফ ফারুকী হীরা
মিজানুর রহমান সুমন
হাবিবুর রহমান হাবিব
সোহেল আলম
মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
সাইদুর রহমান শামীম
রবিউল ইসলাম রবি
আরিফুর রহমান সোহেল
মাইনুল ইসলাম
খন্দকার রিয়াজ
মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন

প্রচার সম্পাদক

আল মেহেদী তালুকদার

সহ প্রচার সম্পাদক 

তারেকুর রহমান

সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক

আশরাফ জালাল খান মনন

সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক 

সাইদুর রহমান সোহেল

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক 

আমিনুর রহমান আমিন

কোষাধ্যক্ষ 

রোকনুজ্জামান রোকন

আইন বিষয়ক সম্পাদক 

অ্যাডভোকেট মুর্তজা কামাল মোস্তাক
অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবি
অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
অ্যাডভোকেট তানভীর হাসান সোহেল
অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ

কৃষি বিষয়ক সম্পাদক

কৃষিবিদ সানোয়ার আলম

সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক

আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন

শ্রম বিষয়ক সম্পাদক

পার্থ দেব মন্ডল

শিল্প বিষয়ক সম্পাদক 

কারীমুল হাই নাঈম

যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক

সাজিদ হাসান বাবু

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক

আনোয়ার হোসেন জনি

সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক 

মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক 

মাজেদুল ইসলাম রুমন

গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক 

মহিন উদ্দিন রাজু

সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক 

সাইদুর রহমান রয়েল

বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক

মাহমুদুল হাসান বাপ্পী

সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক

খোরশেদ আলম

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক 

মোস্তাফিজুর রহমান

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক 

কামরুজ্জামান নান্নু

ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক 

সৈয়দ মাহমুদ

সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক

আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার

সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক

খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী

সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক 

মো. বেলাল হোসেন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক 

কেএস এম মুসাব্বির শাফী

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক 

ইমরান আহমেদ প্রিন্স

মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক 

শাহজাহান রনি

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক 

ডা. গালিব হাসান

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক

ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক 

ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল

সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক

মো. জাহিদ হাসান

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক 

খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক 

অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম আকতার

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক 

আরাফাত বিল্লাহ খান

পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক 

হেদায়েত হোসেন ভূইয়া

সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক 

রাশেদ আল আমিন শুভ

সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)

আমিনুল ইসলাম খান
মাহবুব শিকদার
মহসীন বিশ্বাস
জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু

সদস্য

আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
নাজিম উদ্দিন মিঠু
মাহমুদুল করিম সজল
সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
মো. এমরান হোসেন শাহীন
ফখরুল বিন খালেক

অমিয়/