পাক-ভারত যুদ্ধ থেমে গেছে। কিন্তু এর রেশ এখনো রয়ে গেছে। বিশেষ করে খেলাধুলায়। যেখানে দুই দেশ মুখোমুখি হচ্ছে না। এই না হওয়ার পেছনে রয়েছে ভারতের সিদ্ধান্ত। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে গত এপ্রিলে সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ লেগে যায়। এরপরই ভারতের ক্রীড়াঙ্গনের সাবেক খেলোয়াড়রা পাকিস্তানের বিপক্ষে যেকোনো ধরনের খেলায় অংশ না নেওয়ার কথা বলেন। ক্রীড়াঙ্গনে মূলত ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচে বেশি প্রভাব ফেলে। যা বিশ্ব মিডিয়ায় জায়গা করে নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বিভিন্ন দেশের সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে (ডব্লিউসিএল) প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ভারত। কারণ তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের এজবাস্টনে এই সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর ফলে পাকিস্তান ফাইনাল খেলবে ২ আগস্ট। অপর সেমি ফাইনাল খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
৬ দলের লিগ এই আসর ছিল লিগ পদ্ধতিতে। ফলে লিগ পর্বেও দুই দলের খেলা ছিল। কিন্তু সেখানেও ভারত খেলতে রাজি হয়নি। আয়োজকরা পাকিস্তানকে বিজয়ী ঘোষণা না করে দুই দলকে এক পয়েন্ট করে ভাগ করে দিয়েছিল। কিন্তু এবার সেমিতে পাকিস্তানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। সেমিতে পাকিস্তান এসেছিল ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে থেকে। ভারতের অবস্থান ছিল চারে। তাদের পয়েন্ট ছিল ৩।
লিজেন্ডসদের আসরে ভারত না খেলাতে এখন সামনে এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতায় ১৪ আগস্ট দুই দেশের খেলার কথা। সেখানে ভারতীয় দল কী করে সেটাই দেখার বিষয়। এ ছাড়া কলম্বোতে ৬ অক্টোবর নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপেও দুই দলের খেলা রয়েছে। সেটির দিকেও তাকিয়ে ক্রিকেট বিশ্ব।
রাজনৈতিক সর্ম্পকের অবনতির কারণে আইসিসি ও এসিসি টুর্নামেন্ট ছাড়া দুই দেশের পরস্পরের বিপক্ষে আর খেলাই হয় না। দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ বন্ধ। এখন আইসিসি ও এসিসির ইভেন্টেও এর প্রভাব পড়ে কি না সেটাই বুঝা যাবে আগামী মাসে এশিয়া কাপে?