শুরুতে উইকেট বৃষ্টি। এরপর আকাশের বৃষ্টি। ফের উইকেট বৃষ্টি। এমনই প্রেক্ষাপটের জন্ম দিয়ে বাংলাদেশ থামল অল্পতেই। আজ (২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৪.২ ওভারে মাত্র ১০২ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
টস হারের পর পাওয়াপ্লের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্রুত রান তোলার নেশায় দ্রুত উইকেট বিলান সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান এবং পারভেজ হোসেন ইমন। সাইফ ১১ বলে ২ চারে ১৬ রান করে জেইডেন লিনক্সের শিকার হন। আরেক ওপেনার তানজিদ ১০ বল খেলে করেন ৬ রান। আগের ম্যাচে পাওয়ার হিটিং দেখানো পারভেজ হোসেন ইমন গোল্ডেন ডাক মারেন। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে পর পর দুই বলে দুই টাইগার ব্যাটারকে আউট করেন নাথান স্মিথ।
উইকেট বৃষ্টির পর শুরু হয় আকাশের কান্না। খেলা বন্ধ থাকে প্রায় ২ ঘণ্টা। এতে ম্যাচের পরিধি নেমে আসে ১৫ ওভারে। ভেজা মাঠে ৩ উইকেটে ৫০ রান নিয়ে পুনরায় লড়াই শুরু করেন লিটন দাস এবং তাওহিদ হৃদয়। প্রথম বলেই চার মারেন লিটন। পরের ওভারে লিনক্সকে ছক্কা হাঁকান হৃদয়। স্পিন বদলে পেসার আসতেই ভুল করে বসেন টাইগার অধিনায়ক। জশ ক্লার্কসনের প্রথম ওভারে বিট হিট থিওরীতে ব্যর্থ হন লিটন। ১৭ বলে ৩ চার এবং ১ ছক্কায় ২৬ রানে থামে তার ইনিংস।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হাফ সেঞ্চুরি হাঁকানো হৃদয় এদিনও গর্জে উঠেছিলেন কিন্তু দীর্ঘ হয়নি তার গর্জন। ২৪ বলে ৩ চার এবং ২ ছক্কায় ৩৩ রানে থামেন তিনি। তাকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান ক্লার্কসন। হৃদয় আউট হওয়ার আগে মাঠ ছাড়েন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। মাত্র ৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে। শামীমকে আউট করে ইতিহাস গড়েন সোধি। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ১৬৫ টি-টোয়েন্টি উইকেট শিকার এখন তিনি। টপকে গেছেন টিম সাউদিকে (১৬৪)। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সোধির ওপরে আছেন কেবল আফগান অলরাউন্ডার রশিদ খান (১৯৩)।
হৃদয় যখন আউট হন, তখন ১২.১ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮৮ রান। সেখান থেকে ১০২ রানে যেতেই সব শেষ। মাত্র ১৩ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪.২ ওভারে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
শেষ দিকে গোল্ডেন ডাক মারেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং রিপন মণ্ডল। সাইফউদ্দিনকে ক্যাচ বানান ক্লার্কসন। ব্যক্তিগত ৫ রানে রিশাদ হন রানআউট। ১৫তম ওভারে পর পর দুই বলে শরিফুল ইসলাম (২) এবং রিপনকে (০) বোল্ড করেন বেন সিয়ার্স।
অনিক/