কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বায়েজিদ আহম্মেদ বাপ্পীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন ১৮তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী তার অভিভাবকসহ প্রক্টর বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত এক ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২তম আবর্তনের শিক্ষার্থী বায়েজিদ আহম্মেদ বাপ্পী ইঞ্জিনিয়ার বাড়ি (বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে একটি মেয়েদের মেস) থেকে জোরপূর্বক আমাকে ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলেন এবং ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী নির্জন স্থানে জোরপূর্বক শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেন। ফলে আমি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ অসুস্থ হয়ে পড়ি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনুমতি ছাড়া ভুক্তভোগীর ছবি তোলে অভিযুক্ত। পরবর্তী সময়ে ছবি তোলার বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য প্রক্টরিয়াল টিম বায়েজিদের স্মার্টফোন খুঁজে অভিযোগের সত্যতা পায়। তদন্তের স্বার্থে তখন তার ফোনটি প্রক্টর নিজের হেফাজতে নিয়ে নেন। পাশাপাশি অভিযোগটি যৌন নির্যাতন সেলে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়।
এ সময় বায়েজিদ আহম্মেদ বাপ্পীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন জব্দ থাকায় সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু যে ধরনের অভিযোগ, সেটি যৌন হয়রানি সেলের কাজের। তাই বিষয়টি যৌন হয়রানি সেল দেখবে। আর প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওর ফোন জব্দ ও ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি।
হল ছাড়ার বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন বলেন, ‘ওই রুমে আমরা নতুন তালা দিয়েছি। পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীকে যাতে হলে বা আশপাশে না আসে, সে বিষয়ে হল-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করেছি। এর ব্যতিক্রম হলে আমরা প্রক্টর অফিসকে জানাব।
আতিকুর তনয়/জোবাইদা/অমিয়/




