ম্যানেজমেন্টের দৃঢ় দিক-নির্দেশনা ও সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনার ফলে মুনাফা, বিক্রয়, ইপিএস, অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সূচকে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক-জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৫-২৬ হিসাববছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির কর পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৬৩ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৫৮ দশমিক ৮৭ কোটি টাকা বেশি।
চলতি হিসাববছরের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত সময়ে কোম্পানিটির ২য় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তারিখে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৪৯তম সভায় পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, চলতি হিসাববছরের জুলাই-ডিসেম্বর’২০২৫ সময়ে কোম্পানির বিক্রয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ২১৫ দশমিক ৮৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ ছাড়াও যথারীতি স্থিতিশীল বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং বিচক্ষণতার সাথে কাঁচামাল ক্রয়ের ফলে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের চেযে ৫৮ দশমিক ৮৭ কোটি টাকা বেড়ে ৩৬৩ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে (জুলাই- ডিসেম্বর, ২০২৫) ওয়ালটনের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৯০ টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিলো ৯ দশমিক ১৪ টাকা। একইসময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত ২৫৭ দশমিক ২৪ টাকা এবং পুনর্মূল্যায়নসহ ৩৫৮ দশমিক ৪১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
চলতি হিসাব বছরের ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৪১ টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৬ দশমিক ৩০ টাকা। অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র এই উল্লেখযোগ্য উন্নতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে আলোচ্য সময়ে ক্রেতাদের থেকে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ বেশি আদায় হওয়ার পাশাপাশি কাঁচামাল ও অন্যান্য সরবরাহকারীদের অর্থ প্রদানের পরিমাণ ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কিন্ডিশনারের উপর ভ্যাট ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
চলতি হিসাব বছরের আগামী প্রান্তিকগুলোতেও কোম্পানির বিক্রয়, মুনাফাসহ অন্যান্য আর্থিক সূচকের উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট।
বিজ্ঞপ্তি/