ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
Nagad desktop

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ‘মিডডে মিল’ চালু হয়েছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৫, ০৭:১৮ পিএম
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ‘মিডডে মিল’ চালু হয়েছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
কক্সবাজারে ‘মাঠ প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায়। ছবি: খবরের কাগজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ‘মিডডে মিল’ চালু করা হয়েছে। এই মিডডে মিল অনেক শিশুকে উৎসাহিত করবে স্কুলে অবস্থান করতে এবং পড়াশোনা চালাতে। এছাড়াও যেসব শিশু অর্থনৈতিক কারণে ঝরে পড়ছে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে উপআনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ‘স্কিলফো’ নামে একটি প্রকল্প চলছে। যেখানে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি জীবনমুখী বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যেন তারা কর্মক্ষম এবং উপার্জনক্ষম হয়ে ওঠে। 

তিনি বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা নির্বিঘ্ন করতে শূন্য পদগুলোতে নতুন নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হবে।

রবিবার (৯ মার্চ) সকালে কক্সবাজারে ‘মাঠ প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।  

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা।  

সভায় ৩টি চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন শিক্ষাখাতের সঙ্গে সংশ্লিরা। চ্যালেঞ্জগুলো হলো- কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে জটিলতা থাকায় শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদানে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শিশুশ্রমের সুযোগ বেশি থাকায় কিছু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়মুখী করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে যাচ্ছে।  

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. সামশুজ্জামান ও উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী প্রমুখ।

মুহিববুল্লাহ মুহিব/মাহফুজ

 

নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন
ছবি: সংগৃহীত

চোখের নানা সমস্যা স্বত্বেও টাকার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ৭০ জন দরীদ্র মানুষ পেতে যাচ্ছে বিনা খরচে চোখের ছানি অপারেশনের সুযোগ।

শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী ফ্রি পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেেষে ওই ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়। 

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক চক্ষু শিবিরে ওই কর্মসূচী পালিত হয়।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ড.মোঃ জিয়াউল হক জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,নলডাঙ্গা ডায়াবেটিক সেন্টারে গাক চক্ষু হাসপাতালে ওই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী শত শত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ জনকে ছানি অপারেশনের জন্য চিহ্নিত করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান,বাছাইকৃত ওই ৭০ জন ছানি  অপারেশনর যোগ্য রোগীকে বগুড়ায় গাক চক্ষু হাসপাতাল পাঠানো হবে।সেখানেই অপারেশন হবে। তবে রোগীদের  যাওয়া, আসা, অপারেশন, ঔষধ, চশমা, ও থাকা খাওয়ার কেন খরচ দিতে হবে না।

দিনব্যাপী ওই চক্ষু চিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মামুনুর রশিদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন,ছাত্র শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সহকারী দপ্তর সম্পাদক আফতাব আলী, নলডাঙ্গা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের পৌরসভা সভাপতি সাইফুল ইসলাম, হাজী কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক  আবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও জিয়ারুল।

কামাল মৃধা/এসএন

চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে দিনব্যাপী এক ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলায় অংশ নেওয়া শতাধিক চাকরিপ্রত্যাশীর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থী প্রাথমিক বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার শাহ ডাইন কনভেনশন সেন্টারে এ চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং ‘রেইজ’ প্রকল্পের আওতায় ‘প্রয়াস’সহ তিনটি সামাজিক সংগঠন যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মেলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের ২৭টি প্রতিষ্ঠান এবং তিন শতাধিক চাকরিপ্রত্যাশী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টলে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ কর্মী, সেলসম্যান এবং কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগের জন্য বিপুলসংখ্যক আবেদন গ্রহণ করা হয়।

মেলায় চাকরিপ্রত্যাশীরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দেন এবং সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। প্রার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদনকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

নিয়োগ কার্যক্রমের পাশাপাশি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সিভি হালনাগাদ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ক পরামর্শ ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ফলে তরুণ চাকরিপ্রত্যাশীরা একই স্থানে চাকরি খোঁজার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও পান।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের বিভিন্ন কর্মমুখী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে শতফুল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক নাজিম উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) টুকটুক তালুকদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর উপমহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম, রেইজ প্রকল্পের পিকেএসএফ উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী গোলাম জিলানী, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন এবং শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোহসিন আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এনায়েত করিম/এসএন

‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’
ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর সাংবাদিকতার অঙ্গনে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের যে আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে রেখেছিলেন এনটিভি ও জনকণ্ঠের প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল, তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাগরিক শোকসভা করেছে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি। তিনি এ সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন।
 
শোকসভায় বক্তারা বলেন, ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন ফেনীর সংবাদজগতের এক প্রতিষ্ঠান। তার মৃত্যুতে ফেনীর সাংবাদিকতায় এমন এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
 
শনিবার (১৩ জুন) বিকালে শহরের রাজাঝির দিঘির পশ্চিম পাড়ে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রাঙ্গণে এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ফেনী আদালতের জিপি নুরুল আমীন খান, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আ ন ম আবদুর রহিম।
 
বক্তারা বলেন, ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল ছিলেন ফেনীর চারণ সাংবাদিক। তিনি সংবাদকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, মানুষের অধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে দেখতেন। তিনি চলে গেলেও তার সততা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব এবং সাংবাদিকতার প্রতি দায়বদ্ধতা ফেনীর সংবাদজগতে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার কর্মময় জীবন আগামী দিনের সাংবাদিকদের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
 
তারা আরও বলেন, ফেনীর সাংবাদিক সমাজে ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল ছিলেন একটি নির্ভরতার নাম। পেশাগত প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সহকর্মীদের সহযোগিতা করতেন। সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, নতুনদের পথ দেখানো এবং সত্য প্রকাশে আপসহীন অবস্থানের জন্য তিনি সবার কাছে সম্মানিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো জেলার সংবাদমাধ্যম অঙ্গন একজন অভিভাবককে হারিয়েছে।
 
শোকসভায় স্মৃতিচারণ করে আরও বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তাহের ও আবদুর রহিম, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি আরিফুল আমিন রিজভী, শুকদেব নাথ তপন ও এনামুল হক পাটোয়ারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক যতন মজুমদার, মরহুমের মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন হায়দার সাইমুন, সাংস্কৃতিক সংগঠক শান্তি চৌধুরী, সহকর্মী আক্তার হোসেন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি আতিয়ার সজল, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সহসভাপতি মো. মাঈন উদ্দিন, সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুন, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনির, ইউনিটির নির্বাহী সদস্য নুর উল্লাহ কায়সার, কোষাধ্যক্ষ শফি উল্লাহ রিপন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ নিলয়।
 
অনুষ্ঠানে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন মরহুমের একমাত্র ছেলে রুথান মাহমুদ। 
 
শোকসভার শেষে মরহুম ওছমান হারুন মাহমুদ দুলালের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ফেনী কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মীর হোসেন।
 
এসএন/

সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে কিশোরীসহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত দক্ষিন কদমতলী এলাকায় ডিএনএ লেক থেকে একে একে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার মনোহরদী এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রাশেদুজ্জামান, নড়াইলের কালিয়া থানার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা আকরাম মিয়ার ছেলে মো. গালিব এবং মেয়ে সুরাইয়া আক্তার। তারা সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ কদমতলী এলাকার অ্যাডভোকেট জালাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন।

প্রতক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শ্যালক ও শালিকাকে নিয়ে গোসল করতে ডিএনপি খালে নামে দুলাভাই রাশেদুজ্জামান। প্রায় আধঘন্টা পর তাদের কোন খোঁজ খবর না পাওয়ায় তাদের খোঁজাখুজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে খালে তল্লাশি শুরু করে।

উপ-সহকারি পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, খালে তিনঘন্টা ব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে দুলাভাই রাশেদুজ্জামান ও শ্যালক গালিবের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে আরও এক ঘন্টা পর শ্যালিকা সুরাইয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিল্লাল হোসাইন/রিফাত/

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন
অতিথিদের কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করছেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতে সম্ভাবনাময় পরিবর্তনের জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে 'সবুজ সাথী’ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সিলেট নগরীর মিরবক্সটুলায় রয়েল মার্ক হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানে সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) প্রবর্তিত এই সম্মাননা সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনের নেতৃত্বাধীন দপ্তরকে।

সম্মাননা প্রবর্তনকারী সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এই সম্মাননা প্রবর্তন করা হয়েছে। দেশে প্রতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তি উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে ‘সবুজ সাথী’ দেওয়া হয়। সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার দৃষ্টান্ত সারা দেশের মধ্যে অনন্য বিবেচনায় এবং এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানের একাগ্রতায় সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন। তার কার্যক্রম নিয়ে গত ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে খবরের কাগজে ‘একাগ্র একলিম, পরিচ্ছন্ন সিলেট’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল।

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেট শাখার আহ্বায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব শরীফ জামিল, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। নাহিদা খান সুর্মির সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার ও  ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেট শাখারবসদস্য সচিব আব্দুল করিম চৌধুরী কিম। আলোচনায় অংশ নেন প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল অ্যাসিয়েশনের সভাপতি ডা. নাসিম আহমেদ,  প্রবাসী বিনিয়োগকারী উইন্ডসর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী  ব্যারিস্টার মইনুল ইসলাম,  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, ড্যাব সভাপতি  ডা. শামিমুর রহমান,  বারাকা পাওয়ার লিমিটেড ও কুইন্স হসপিটালের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, লেখক ও গবেষক মিহির কান্তি চৌধুরী,  শ্রীহট্ট আর্কিটেকের স্বত্ত্বাধীকারী  মিনহাজুল আবেদিন চৌধুরী ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফাদার জোসেফ গোমেজ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘১০ লাখ লোকের বসবাস এই শহরে। ইতিহাস ঐতিহ্য ও পযর্টনের শহর হিসেবে সিলেটের পরিচিতি দেশ বিদেশে সর্বত্র আছে। তাই এই সুনাম ধরে রাখতে হলে সিলেট শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর এই পরিচ্ছন্নতার কাজটা করে যাচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন। সত্যি কথা বলতে সিসিকের বর্জ্য বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের বেতনই আমরা ঠিকভাবে দিতে পারি না। কারণ সিসিকের সেই পরিমান আয় নেই। নগরীর যে অংশ বর্ধিত হয়েছে সেই অংশে এখনো হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় আনা যায়নি নানা কারণে। কিন্তু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুফল তারাও পাচ্ছেন।  এত কিছুর মাঝেও আমাদের বর্জ্য বিভাগের দায়িত্বশীল অফিসার ও  কর্মীরা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।  আমাদের প্রধানমন্ত্রী আমাকে সিসিকের দায়িত্ব দেওয়ার পর বলেছেন জনগণের জন্য কাজ করতে তিনি সার্বিক সহযোগিতা করবেন। তার দিকনির্দেশনা মতই আমি কাজ করে যাচ্ছি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব শরীফ জামিল এবারের বাজেটে পরিবেশ ও নদীর কথা চিন্তা করে বরাদ্দ রাখার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো বাজেটে দেশের পরিবেশের কথা চিন্তা করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কতটুকু রাখা হয়েছে সেই তর্কে না গিয়ে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ অন্তত তিনি তো দেশের পরিবেশ প্রতিবেশের কথা চিন্তায় রেখেছেন।’

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত চার বছর ধরে আমরা এই সসম্মাননা দিয়ে আসছি। আমার সবসময়ই সিটি করপোরেশন,  পৌরসভাসহ  বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমালোচনাই করে থাকি।  তবে এবার যখন সম্মাননার জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের নাম এলো তখন মনে হয়েছে খারপ বা ভুল কাজের সমালোচনা করা যেমন জররি, তেমনি ভালো কাজের জন্য সম্মাননা জানানোও জরুরি। এতে যারা কাজ করেন তাদের কর্মস্পৃহা বাড়ে। তবে আমি সিসিক কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাবো, আপনার যদি সিলেট নগরীর পরিবেশ-প্রতিবেশ ভালো রাখতে চান, তাহলে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে এসব পরিকল্পনার কাজে আমাদের সম্পৃক্ত করুন। তাহলে সিলেট নগরীর বাসিন্দাদের জন্য সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা যাবে।’

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননা গ্রহণের পর সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, ‘এই অর্জন শুধু আমাদের নয়, সমগ্র সিলেট নগরবাসীর। সবুজ সাথী সম্মাননা সিলেট মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও ইতিবাচক ও সম্ভাবনাময় পরিবর্তন আনবে। এই সম্মাননা গ্রহণ করতে পেরে আমরা গর্বিত ও অনুপ্রাণিত। এই স্বীকৃতি কেবল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নয়; এটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট নগর গড়ে তোলার অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত সকল নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টারই স্বীকৃতি।’

এসএন/