কসবা উপজেলার কুটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া এবং কুটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস পারসেজারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে দোয়া মাহফিল ও জানাজায় হাজারো মানুষ আবেগঘন পরিবেশে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রাপ্ত আলহাজ কবীর আহমেদ ভুঁইয়া।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আব্দু, কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফকর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপন, কসবা পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আইয়ুম খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন সহ কসবা উপজেলা, পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সহ বিপুলসংখ্যক মুসুল্লি অংশ গ্রহণ করেন।
দোয়া ও জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আলহাজ কবীর আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাহসী মুখ এবং বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রার অদম্য কণ্ঠস্বর। বেগম জিয়ার মতো মহীয়সী নারী কয়েক শতাব্দীতে একবার জন্ম নেয়।”
তিনি আরও বলেন, “তার আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে পারলে বাংলাদেশে প্রকৃত জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে।”
মরহুম পারছেজারের প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা
বিএনপি নেতৃবৃন্দ মরহুম আব্দুল কুদ্দুস পারছেজারের রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পারছেজার দীর্ঘদিন ধরে কুটি ইউনিয়নে বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে ছিলেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
স্থানীয় নেতারা জানান, তার মৃত্যুতে কসবা উপজেলা বিএনপি একজন নিবেদিত প্রাণ সংগঠককে হারালো।
এসএন/