প্রবন্ধ : বিদায় হজ
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: বিদায় হজের ভাষণে মহানবী (সা.) নারী-পুরুষ সম্পর্কে কী বলেছেন?
উত্তর: মহানবী (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ মুসলমানদের মুক্তি সনদ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ভাষণের প্রতিটি বাণীই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। যা সারা জাহানের মুসলমান জাতি তথা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পাথেয়স্বরূপ। তিনি তার ভাষণে নারী-পুরুষের অবস্থান ও অধিকার সম্পর্কে বক্তব্য দেন। একমাত্র ইসলামে প্রথম নারীকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। তাই নবিজি হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, নারীর ওপর পুরুষের যেরূপ অধিকার আছে, পুরুষের ওপরও নারীর সেরূপ অধিকার রয়েছে। তিনি তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে সমাজে নারীদের অধিকার ও অবস্থান সম্পর্কে সুষ্ঠু ধারণা দেন এবং
আরো পড়ুন : দুই তীরে কবিতার ১টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার বাংলা
নারীর মর্যাদা সমাজে প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন হাদিসের মাধ্যমে তিনি নারী-পুরুষের অধিকার ও অবস্থান সম্পর্কে আমাদের সম্যক জ্ঞান দান করেছেন। মহানবী (সা.)-এর এ বক্তব্য তৎকালীন সামাজিক অবস্থার জন্য যুগোপযোগী ছিল এবং বর্তমান সমাজের জন্য এক দৃষ্টান্তস্বরূপ দিকনির্দেশনাস্বরূপ। মহানবী (সা.) সমাজ থেকে সব অসাম্য ও ভেদাভেদ দূর করতে চেয়েছিলেন। আর তাই তিনি তার বিদায় হজের ভাষণে নারীর অধিকার সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যায় নারীর মর্যাদা সম্পর্কে বলেছেন।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা শাখা, ঢাকা
কবীর