ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
১০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মানববন্ধন পটিয়া প্রেস ক্লাব কার্যালয় দখলচেষ্টার অভিযোগে থানায় অভিযোগ অনার্স কোর্স থেকে বাংলা ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী ‘শর্ত সাপেক্ষে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা’ মানিকগঞ্জে পতাকা টাঙাতে গিয়ে ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু সিংড়ায় তিন কুকুর টেনে তুলল মায়ের বস্তাবন্দি মরদেহ! কোথায় আমাদের সতর্ক থাকা উচিত? ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াত ইসলামও ইসলাম নয় শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় বিএনপি নেতার সাফাই নারায়ণগঞ্জে ময়লার গাড়িরচাপায় ছাত্রদল নেতাসহ নিহত ২ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয় বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়স বৃদ্ধি ও বেসরকারি চিকিৎসকদের বেতন কাঠামোর সুপারিশ হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত গাজীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তার সিলেটে স্কুলছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, মরদেহর ময়নাতদন্ত না করতে চিরকুট! রাজস্ব বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ: এনবিআরের লক্ষ্য কতটা বাস্তবসম্মত? ভূমিকম্পে ক্ষতির বড় কারণ শুধু কম্পন নয়, বরং খারাপ মানের ডিজাইন ও নির্মাণ পাকিস্তানে টিটিপি’র হামলায় ৬ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, শৃঙ্খলা ফেরাতে ৬ নির্দেশনা জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী
Nagad desktop

ব্যালেরিনা থেকে গুপ্তচর, অভিনয়ে অস্কারও জিতেছিলেন এ অভিনেত্রী

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম
ব্যালেরিনা থেকে গুপ্তচর, অভিনয়ে অস্কারও জিতেছিলেন এ অভিনেত্রী
অড্রে হেপবার্ন। ছবি: সংগৃহীত

১৯৫০ ও ‘৬০ এর দশকে চলচ্চিত্র ও ফ্যাশন জগতের আইকন হয়ে উঠেছিলেন অড্রে হেপবার্ন। অস্কারের জন্য পাঁচ বার মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ‘রোমান হলিডে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জিতেছিলেন ১৯৫৩ সালে। বিশ্বের অসংখ্য মানুষের মন জয় করা এই অভিনেত্রীর জীবনের এমন একটা অধ্যায়ও ছিল যা অনেকেরই অজানা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। নাৎসি দখলদারির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ডাচ প্রতিরোধ বাহিনীর জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে ব্যালে মঞ্চস্থ করতেন এই অভিনেত্রী। তখন তিনি কেবল কিশোরী।

বিবিসি রেডিও ৪-এর 'হিস্ট্রিজ ইয়ংগেস্ট হিরোজ' শীর্ষক পডকাস্টে নিকোলা কফলান ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে আসা এমন সব তরুণদের গল্প বলছেন যারা বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে। বিদ্রোহ, ঝুঁকি ও তরুণ শক্তির মিশেলের অসাধারণ সব গল্পের তালিকায় অড্রে হেপবার্নও স্থাপ পেয়েছেন।

লন্ডনে থাকা অবস্থায় তার বাবা-মা আকৃষ্ট হন ইহুদিবিদ্বেষী ও সহিংস সংগঠন ব্রিটিশ ইউনিয়ন অফ ফ্যাসিস্টস বা বিইউএফ নেতা ওসওয়াল্ড মোসলের প্রতি। নাৎসি জার্মানির মহিমার কথা উল্লেখ করে বিইউএফ এর ম্যাগাজিনের জন্য একটি নিবন্ধও লিখেছিলেন এলা ভ্যান হিমস্ট্রা।

অড্রে হেপবার্নের বয়স যখন ছয় বছর তখন তার বাবা জোসেফ হেপবার্ন রাস্টন বাড়ি ছাড়েন। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘বিদেশি ফ্যাসিবাদীদের সহযোগী’ হিসেবে ভূমিকা পালনের অভিযোগ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়টা ব্রিটিশ কারাগারে কেটেছিল তার।

নীতিগতভাবে নাৎসিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন অড্রে হেপবার্নের চাচা কাউন্ট অটো ভ্যান লিমবার্গ স্টিরাম। ১৯৪২ সালে একটা প্রতিরোধকারী গোষ্ঠী রটারডামের কাছে একটি জার্মান ট্রেন বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় জড়িত না থাকার পরও গ্রেফতার করা হয় কাউন্ট লিমবার্গ স্টিরামকে।

নাৎসি এজেন্টরা তাকে ও আরো চারজনকে ধরে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে এবং দেহগুলো মাটি চাপা দিয়ে আসে।

চাচাকে বাবার মতোই ভালোবাসতেন অড্রে হেপবার্ন। এই হত্যাকাণ্ড তার মনের গভীরে দাগ ফেলে এবং তিনি একেবারে ভেঙে পড়েন।

তবে তিনি নাচ ছাড়েননি। করতেন লুকিয়ে। সেফ হাউসের পর্দা নামিয়ে, মোমবাতি জ্বালিয়ে নাচ করতেন যাতে তাকে কেউ দেখতে না পায়।

লুকিয়ে আয়োজন করা ব্যালে অনুষ্ঠানে মৃদু সুরে পিয়ানো বাজানো হতো। কেউ হাততালি দিতে পারতেন না। সব শেষে অনুষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা অর্থ ব্যবহার করা হতো নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা প্রতিরোধ বাহিনীর কাজকর্মের জন্য।

১৯৪৪ সালের বসন্তে হেনড্রিক ভিসার হুফ্ট নামে এক চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করা শুরু করেন অড্রে হেপবার্ন, যিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা দলের সদস্য ছিলেন। তার সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন অড্রে।

যদিও এলার মা ব্যাপকভাবে নাৎসিদের সহযোগী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও মি. হুফ্টের সাঙ্ঘাতিকভাবে অড্রে হেপবার্নের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, নাৎসিদের হাত থেকে লুকিয়ে থাকা হাজার হাজার মানুষকে সাহায্য করা। এই কাজের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য যতটা বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন তার ঠিক ততটাই ভরসা ছিল মিজ হেপবার্নের ওপর।

ঘটনাটা ১৯৪৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের। তখন গীর্জায় ছিলেন মিজ হেপবার্ন। সেই সময় হঠাৎই ইঞ্জিনের তীব্র আওয়াজ শোনা যায়।

ততক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছে ‘অপারেশন মার্কেট গার্ডেন’ যা ছিল রাইন নদীর ওপর বিস্তৃত নয়টা সেতু দখল করার জন্য মিত্র বাহিনীর একটা পরিকল্পনা।

এক ছুটে বাইরে এসে অড্রে হেপবার্ন দেখেন মিত্র বাহিনীর হাজার হাজার সেনা প্যারাসুটের সাহায্যে ভাসছে।

দুর্ভাগ্যক্রমে, নাৎসিদের দু‘টো সাঁজোয়া ওই অঞ্চলে আবার অবস্থান নিচ্ছিল। এলা ভ্যান হিমস্ট্রাসের বাড়ির সামনে নাৎসি ট্যাংক চলাচল করতে থাকে।

যুদ্ধ চলাকালীন অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবার নয় দিন সেলারে লুকিয়ে ছিলেন। যখন তারা বাইরে আসেন, তখন খবর আসে নাৎসিরা জিতেছে।

কাছাকাছি ভবন থেকে মানুষের চিৎকার ভেসে আসে তার কানে। সেখানে নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা ডাচ প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছিল।

জার্মানির উদ্দেশে রওনা হওয়া মিত্রবাহিনীর বৈমানিকরা নেদারল্যান্ডসে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল। সেই সময় অড্রে হেপবার্নকে দিয়ে তাদের কাছে খবর পাঠাতেন চিকিৎসক হুফ্ট।

এক ব্রিটিশ প্যারাট্রুপারের সঙ্গে দেখা করার জন্য অড্রে হেপবার্নকে জঙ্গলে পাঠিয়েছিলেন ডাক্তার হুফ্ট। অড্রে তার মোজার মধ্যে লুকিয়ে নেন সাংকেতিক বার্তা।

বৈঠকের পর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, তার দিকে ডাচ পুলিশ এগিয়ে আসছে।

এটা দেখে হঠাৎ করে ঝুঁকে বুনো ফুল কুড়াতে শুরু করেন তিনি। তারপর মোহময়ী ভিঙ্গিতে তা পুলিশককর্মীদের দিকে এগিয়ে দেন। মিজ হেপবার্নকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে আর বিশেষ জিজ্ঞাসাবাদ করেনি তারা।

এরপর থেকে নাৎসিদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ বাহিনীর জন্য প্রায়শই বার্তা বহন করতেন তিনি।

সেই সময় নাৎসিদের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠা অড্রে হেপবার্নের মতো কিশোর-কিশোরীদের কথা উল্লেখ করেছেন মি. ম্যাটজেন।

তিনি জানিয়েছেন, নাৎসিরা তেমন গুরুত্ব সহকারে নিত না এই ‘বাচ্চাদের’। আচরণটা ছিল অনেকটা এমন- আমার পথ থেকে সরে যাও বাছা! আর সেটা চোখ এড়ায়নি প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্যদের। এটাকেই কাজে লাগায় ডাচরা।

১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট আসে যে প্রতি সপ্তাহে পাঁচশোর মতো ডাচ অনাহারে মারা যাচ্ছেন। অন্য অনেকের মতোই অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবারও তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছিলেন। তিনি রক্তশূন্যতা, জন্ডিসসহ বিভিন্ন রোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এই অবস্থাতেই তার বাড়ির দোরগোড়ায় আবার ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়। অড্রে হেপবার্ন ও তার পরিবারের সদস্যরা তিন সপ্তাহ ধরে সেলারে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হন।

শেষ পর্যন্ত ১৯৪৫ সালের ১৬ এপ্রিল পরিবেশ ঠান্ডা হয়। যুদ্ধ শেষ হয়েছে এটা তিনি আঁচ করতে পেরেছিলেন নাকে তামাকের গন্ধ পেয়ে, কারণ যুদ্ধের সময় নেদারল্যান্ডসে অসম্ভব ঘটনা ছিল এটা। সেলার থেকে বাইরে এসে সিঁড়ি বেয়ে উঠে দরজা খুলে দেখেন পাঁচজন কানাডিয়ান সৈন্য সিগারেট খাচ্ছেন।

তাকে দেখতে পেয়েই সৈন্যরা মেশিনগান তাক করে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে শুরু করেন মিজ হেপবার্ন। তার কথা শুনে একজন সৈন্য চিৎকার করে বলে ওঠে, "আমরা শুধু একটা জনপদই স্বাধীন করিনি, আমরা এক ইংরেজ মেয়েকেও মুক্ত করেছি।"

যুদ্ধ শেষে আবার লন্ডনে ফেরেন অড্রে হেপবার্ন। লন্ডনে 'রাম্বার্ট স্কুল অফ ব্যালে অ্যান্ড কনটেম্পোরারি ডান্স'-এ বৃত্তি পান তিনি।

তবে প্রতিভা থাকার পরও অপুষ্টির কারণে তার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল। ব্যালেরিনা হওয়ার মতো শক্তি আর অবশিষ্ট ছিল না।

তাই অভিনয়কে বেছে নেন তিনি। ‘ওয়েস্ট অ্যান্ড’ থিয়েটারে কাজ শুরু করেন। ‘দ্য ল্যাভেন্ডার’ এবং ‘হিল মব’-এর মতো চলচ্চিত্রে ছোটখাটো ভূমিকাও পান।

মুখ্যচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান ১৯৫৩ সালে ‘রোমান হলিডে’ চলচ্চিত্রে। এই সিনেমাটি সমালোচনামূলক ও বাণিজ্যিক সাফল্য যেমন পায়, তাকে বিখ্যাতও করে তোলো। এতে অভিনয়ের জন্য তিনি অস্কার যেতেন। তার ঝুলিতে এমি, গ্র্যামি ও টনি পুরস্কারও আসে।

পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে অভিনয় ছাড়াও জনহিতকর কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন অড্রে হেপবার্ন। তিনি ইউনিসেফের 'গুড উইল অ্যাম্বাসেডর ছিলেন।

তার মৃত্যু হয় ১৯৯৩ সালে।

লেখক ম্যাটজেন বলেছেন, ‘যুদ্ধের সাক্ষী থাকা এবং নানান পরিস্থিতির সম্মুখিন হওয়ার ফলে অড্রের ইন্দ্রিয় সুতীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছিল। আর তার অভিজ্ঞতার কারণে যে কোনো চরিত্রকেই সহজে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন তিনি।’

বিবিসি

হাসান

চীনের উসিতে চালু হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চীনের উসিতে চালু হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল
একটি ‘লাইট অ্যান্ড শ্যাডো’ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল।

সিনেমা দেখার প্রচলিত ধারণা বদলে দিচ্ছে চীন। চিয়াংসু প্রদেশের উসি শহরের ন্যাশনাল ডিজিটাল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে চালু হয়েছে একটি অত্যাধুনিক ‘লাইট অ্যান্ড শ্যাডো’ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল। এই বিশেষ প্রেক্ষাগৃহে দর্শকরা কেবল পর্দায় সিনেমা দেখছেন না, বরং সিনেমার ভেতরে প্রবেশ করে সেটি সরাসরি অনুভব বা অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই নতুন থিয়েটারটিকে মূলত দুটি জোনে ভাগ করা হয়েছে—একটি বসে দেখার ব্যবস্থা এবং অন্যটি হেঁটে দেখার ব্যবস্থা। দর্শকরা একটি ইলেকট্রনিক মেনু থেকে তাদের পছন্দের সিনেমা বেছে নিতে পারেন। এখানে প্রদর্শিত ভিআর চলচ্চিত্রগুলোর স্থায়িত্ব সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হয়ে থাকে। দর্শকরা চাইলে বন্ধুদের সাথে দলগতভাবে যুক্ত হয়ে সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অংশ নিতে বা ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারেন।
সিনেমা হলে আসা এক দর্শক তার অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমি একটি সিনেমাটি দেখেছি। প্রচলিত স্ক্রিনের চেয়ে এটি সম্পূর্ণ আলাদা। ভিআর প্রযুক্তির কারণে মনে হচ্ছিল আমি নিজেই সেই দৃশ্যের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছি এবং চারপাশের সবকিছু একদম জীবন্ত লাগছিল।’
সিনেমা হলের বিজনেস ম্যানেজার ওয়াং চু জানান, দর্শকরা এখন কেবল সিনেমা দেখছেনই না, সিনেমার সাথে খেলছেন। সূত্র: সিএমজি বাংলা

তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল
ছবি: সংগৃহীত

হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। ৯ জুন, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন পোস্ট ও অনলাইন মাধ্যমে এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই খবরটি সঠিক নয়। এ বিষয়ে নির্মাতা সকাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সত্যি না; তিনি ঠিক আছেন।’
জানা গেছে, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত তানিয়া বৃষ্টির কয়েক দফা সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকেই চিকিৎসা ও বিশ্রামে রয়েছেন। তবে তানিয়া বৃষ্টির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 
তানিয়া বৃষ্টি নিয়মিত একক নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক মুক্তি পেয়েছে। 

নীরবতার কণ্ঠস্বর ‘ভাসানে উজান’

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
নীরবতার কণ্ঠস্বর ‘ভাসানে উজান’
ছবি: সংগৃহীত

নাট্যদল বিবেকানন্দ থিয়েটারের ২৫তম প্রযোজনা ‘ভাসানে উজান’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে ১০ জুন, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে নাটকটির নবম প্রদর্শনী করবে দলটি। দস্তয়ভস্কির বিখ্যাত ছোটগল্প ‘দ্য জেন্টেল স্পিরিট’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে একক অভিনয়নির্ভর এই নাটকটি। নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন মো. এরশাদ হাসান। 
মানুষের অন্তর্গত নীরবতা, অপরাধবোধ, ভালোবাসা ও একাকিত্বের সূক্ষ্ম দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘ভাসানে উজান’ মূলত এক অন্তর্মুখী যাত্রা। একক চরিত্রের মধ্য দিয়েই উন্মোচিত হয় মানুষের অন্তর্লোকের জটিল মনস্তত্ত্ব। এখানে সংলাপের চেয়ে অনুভবের ভাষাই মুখ্য, নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী উচ্চারণ। দস্তয়ভস্কির গভীর মনস্তাত্ত্বিক বয়ানকে বাংলা নাট্যমঞ্চের উপযোগী করে নাট্যরূপ দিয়েছেন অপূর্ব কুমার কুণ্ডু এবং নির্দেশনায় রয়েছেন শুভাশীষ দত্ত তন্ময়। 
দেশের প্রাচীনতম নাট্যদল থিয়েটার (বেইলি রোড)-এর সঙ্গে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নাট্যচর্চায় অভ্যস্ত এরশাদ হাসানের অভিনয়ে ‘ভাসানে উজান’ পেয়েছে এক নতুন মাত্রা—এমনটাই মনে করছেন নাট্যপ্রেমীরা। নাটকটির মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন পলাশ হেনড্রি সেন, সংগীত পরিচালনা করেছেন হামিদুর রহমান পাপ্পু, পোশাক পরিকল্পনায় এনাম তারা সাকি, প্রপস পরিকল্পনায় ফজলে রাব্বি সুকর্ণো এবং কোরিওগ্রাফিতে রবিন বসাক।

মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও ইতিহাস গড়লেন বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি। ৯ জুন অফিসিয়ালি মুক্তি পেল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’। বিখ্যাত ফরাসি গায়ক ভেজেড্রিম এবং মিউজিক প্রডিউসার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়ের সঙ্গে নোরার এই যুগলবন্দি নেটদুনিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো নোরার ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে অফিসিয়াল গানে পারফর্ম করার রেকর্ড।
আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামে জায়গা করে নেওয়া এই গানটি ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে। এই গানে নোরা, ভেজেড্রিম এবং সঞ্জয়ের পারফর্ম প্রশংসিত হচ্ছে।

সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার পরাজয়ের পর তৃণমূল থেকে অনেকেই নিজের নাম গুটিয়ে নিয়েছেন। জোট ভেঙে আবার অনেকেই যোগ দিচ্ছেন অন্য জোটেও। তবে দলের দুঃসময়ে এমনটি করতে নারাজ কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। গেল ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে তৃণমূল। সেখানে নাম ছিল কোয়েল মল্লিকের। 
এপ্রিলে দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যসভার সংসদ সদস্য পদে শপথও নেন কোয়েল। রাজনীতিতে যোগদান প্রসঙ্গে সে সময় বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।’
মেয়ের এমন সিদ্ধান্তে খ্যাতিমান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন, ‘কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎ পথে থেকে ভালো কাজ করুক, এটাই চাওয়া।’
এবার শোনা যাচ্ছে সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করছেন এই তারকা নায়িকা। তবে এ বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলেননি কোয়েল মল্লিক।