ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভোলায় যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, দিনাজপুরে বিজিবির বাধা কী করে বুঝবেন আপনি মেন্টালি ফিট মেসির চোট নিয়ে যা বললেন স্কালোনি হিলি সীমান্তে ভারতীয় ৫ নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি যে কারণে মুভি দেখব মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী সময়ের সঙ্গে বদলান লিডারশিপ স্টাইল পঞ্চগড়ে পুশইনের শিকার ১০ জন, নিচ্ছে না কোনো দেশ শিবালয়ে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে চেইন ছিনতাই জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সিলেট সীমান্তে জনগণকে সাথে নিয়ে বিজিবির মাইকিং ও টহল বৃদ্ধি গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি শ্রেয়াসের প্রত্যাবর্তন, তিলকের উত্থান, আর ১৫ বছরের বিস্ময় সূর্যবংশী ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ কাশিয়ানীতে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু পুশইনের আড়ালে সীমান্তে মানবপাচারের অপচেষ্টা, সতর্ক বিজিবি-জনতা হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি আনোয়ারায় দুই পরিবারের কাঁটায় বন্ধ শতাধিক পরিবারের চলার পথ হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি কেন এত শক্তিশালী? চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির কঠোর অবস্থান হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ১ স্বর্ণ ভরিতে কমল ৫৪৮২ টাকা এআই এজেন্টের নতুন প্ল্যাটফর্ম প্রজেক্ট সোলারা কেএফটির শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তের বিশ্বজয়, রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক অর্জন সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায়  হামে এক শিশুর মৃত্যু নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি
Nagad desktop

ফ্ল্যাট থেকে ‘ফসিলস্’ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৫২ পিএম
আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:৫৪ পিএম
ফ্ল্যাট থেকে ‘ফসিলস্’ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
চন্দ্রমৌলি বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় সঙ্গীত ব্যান্ড ‘ফসিলস্’ এর সাবেক সদস্য চন্দ্রমৌলি বিশ্বাস মারা গেছেন। গত রবিবার কলকাতার ফ্ল্যাট থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ‘ফসিল্স’ ছাড়াও ‘গোলক’, ‘জ়ম্ব্ কেজ কন্ট্রোল’ নামের ব্যান্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

কলকাতার ওয়েলিংটন এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন ৪৮ বয়সী এ বাদ্যযন্ত্রশিল্পী। রবিবার এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তার বাবা-মা। ফাঁকা বাসায় তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর শিল্পীকে তারই ব্যান্ডের এক সদস্য মহুল চক্রবর্তী প্রথম ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় থানায় খবর দেন।

চন্দ্রমৌলি বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ‘ফসিলস্’ এর অনুরাগীদের মধ্যে।

উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৮ বছর ফসিলস্ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চন্দ্রমৌলী।

হাসান

হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

হত্যা করা হয়েছে বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা জেমস হ্যান্ডিকে। ‘জুমানজি’ ও ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ খ্যাত এই অভিনেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন জেমস হ্যান্ডি। তার বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় জেমস হ্যান্ডির প্রেমিকার ছেলে, মাইকেল গ্লেডহিলকে গ্রেপ্তার করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর মাইকেল গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জরুরি নম্বর ৯১১-এ ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি’। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সদস্যরা। তদন্তকারীদের ধারণা, এটি একটি পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সাধারণ মানুষের জন্য কোনো হুমকি নেই বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া জেমস হ্যান্ডি দীর্ঘ ছয় দশক ধরে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা ও সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘সিএসআই: এনওয়াই’, ‘ক্যাসল’, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’ সিনেমা। জেমস হ্যান্ডি অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘টপ গান: মাভেরিক’। সিনেমাটি ২০২২ সালে মুক্তি পায়। এতে তিনি ‘জিমি’ নামের এক বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেন।

 

মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে বাংলাদেশের আলোচিত নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল। ৬ জুন শনিবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় চ্যান্ডলার অডিটোরিয়ামে ‘হেলেন কেলার’ নাটকের প্রদর্শনী করবে দলটি। অপূর্ব কুমার কুণ্ডুর রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যজন জাহিদ রিপন। নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন জুয়েনা শবনম। নাটক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ভ্রমণ ও নাটকের আদ্যোপান্ত বিষয় নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী জুয়েনা শবনম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান

 

হেলেন কেলার নাটকটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এর আগেও বিভিন্ন দেশে প্রদর্শনী হয়েছে। এবার প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়টি কেমন লাগছে?

 ‘হেলেন কেলার’ এর আগেও জাপানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে টোকিওতে, ভারতে চারটি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে এবং ছয়টি আন্তর্জাতিক  ভার্চুয়াল থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনী করেছি। এবার অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে মঞ্চায়ন হচ্ছে। এখানকার দর্শকদের মধ্যে ‘হেলেন কেলার’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করছি। এটা  আমাকে বেশ আনন্দ দিচ্ছে। 

নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন। একটি নাটকের মধ্যে কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা কেমন আর বিষয়টি কীভাবে সমন্বয় করেছেন?
নাটকটিতে ঘটনার পরম্পরায় অনেকগুলো চরিত্র মঞ্চে আবির্ভূত হয়। যেমন চার্লি চ্যাপলিন, জর্জ বার্নার্ড শ, হিটলার, কেনেডি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শিক্ষক অ্যান সুলিভান। কখনো কখনো চরিত্রগুলোর মতো হয়ে উঠতে হয়েছে, কখনো চরিত্রগুলো কথকরূপে হেলেন কেলারের বর্ণনায় উঠে আসে। এমন ভিন্নধর্মী এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে সত্যিই আনন্দ লাগছে। 

চরিত্রগুলো ধারণ কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
নির্মাণের সময়ে চরিত্রগুলো ধারণ করতে আমাকে ব্যবহারিক গবেষণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পঠন-পাঠন-অনুধাবন-ভিডিও-অডিও-কল্পনা প্রভৃতির মাধ্যমে চরিত্রগুলো যথাসম্ভব ধারণ করার চেষ্টা করেছি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মঞ্চ নাটক নিয়মিত আমন্ত্রণ পাচ্ছে। এটা দেশের মঞ্চ নাটকের জন্য কতটা ইতিবাচক বলে আপনি মনে করেন?
এটাকে আমি খুবই ইতিবাচক মনে করি। দুই দেশের সাংস্কৃতিক ভাববিনিময়ের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেটা বাংলা সংস্কৃতির একটা বিজয় বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি অভিজ্ঞতার আনন্দ আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করে।

দেশের মঞ্চ নাটককে কোথায় দেখতে চান?
দেশের মঞ্চ নাটককে আমি অনন্য এক উচ্চতায় দেখতে চাই। বাংলানাট্যের শক্তি যেন বিশ্ব নতুনভাবে অনুধাবন ও অনুসরণ করতে পারে। আমি চাই পৃথিবীর সব উল্লেখযোগ্য নাট্যোৎসবে বাংলা নাটককে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

মঞ্চ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং আপনার স্বস্তির জায়গাটা কেমন?
মঞ্চের জন্য আমি নুতন নতুন আরও অনেক কাজ করতে চাই। মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই। আমাদের হাজার বছরের যে ঐতিহ্যবাহী বাংলানাট্য উত্তরাধিকারী আমরা, সেই নাট্য নিয়ে আক্ষরিক অর্থে দেশের পাশাপাশি বিশ্বজয় করতে চাই।

শাকিবের অভিনয় প্রশংসিত ‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি সিনেমাতেই নিজেকে নতুনভাবে হাজির করার চেষ্টা করেন ঢাকাই ছবির সুপারস্টার শাকিব খান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাকশনধর্মী গল্পের সিনেমায় দেখা গেলেও এবার তিনি ‘রকস্টার’ সিনেমায় হাজির হয়েছেন একজন সংগীতশিল্পীর ভূমিকায়। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সেই অর্থে শাকিব খানের জন্য ভিন্নধর্মী এক পরীক্ষাও।

সিনেমার শুরুতে দেখা যায়, স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকদের ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার। এ সময় অনুষ্ঠান আয়োজকরা গ্রিনরুমে খুঁজছেন জনপ্রিয় সংগীত তারকা আগুনকে (শাকিব খান)। এদিকে মাদকের জন্য অপেক্ষা তার। এরপর মাদক নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে গাড়ি চালিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন আগুন (শাকিব খান)। বিশাল কনসার্ট, দর্শকদের উন্মাদনা আর মাদকে আসক্ত এক তারকাকে দিয়েই গল্পের সূচনা। পরে ফিরে যায় অতীতে। সংগীতনির্ভর পরিবারে বেড়ে ওঠা আগুন বাবা ওস্তাদ জুনায়েদের (তারিক আনাম খান) শাস্ত্রীয় সংগীতের পথ অনুসরণ না করে বেছে নেয় রক সংগীতের জগৎ। শৈশবের পারিবারিক অস্থিরতা, মঞ্চভীতি ও ব্যক্তিগত সংগ্রাম পেরিয়ে সে হয়ে ওঠে জনপ্রিয় গায়ক। একই সঙ্গে জীবনে আসে প্রেম। কিন্তু খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় তার পতনের গল্পও।

ছবিটি মিউজিক্যাল ও রোমান্টিক ড্রামার হলেও সংগীতশিল্পীর জীবনকে কেন্দ্র করে প্রেম, বিচ্ছেদ ও আত্মধ্বংসের গল্পই এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

চলচ্চিত্রটির অন্যতম শক্তি এর ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। কনসার্ট, ব্যান্ডের অনুশীলন কিংবা বিদেশের মঞ্চ—সবকিছুই যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের কাজ প্রশংসার দাবিদার। বিভিন্ন দৃশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারও চোখে পড়ে। সংগীতপ্রেমী আগুনের ঘরের দেয়ালে কিংবদন্তি শিল্পী ও ব্যান্ডের পোস্টার চরিত্রটিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে।

সিনেমার প্রথমার্ধে নির্মাতা নায়কের মাদক গ্রহণকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন, এর বাইরে দর্শকের অন্য কিছু নজরে আসা কঠিন ছিল। ছবিতে কয়েক ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহারের চিত্র নগ্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এসব দেখে মনে হতে পারে মাদক নেওয়াটা একধরনের শিল্প। আর গল্পের নায়ক শাকিব যেন সেই শিল্পেরই ধারক-বাহক। বলতে গেলে রকস্টার সিনেমাটি যেন মাদকের বিজ্ঞাপন হিসেবেই নির্মিত হয়েছে। শাকিব খানের মতো বড় তারকার সিনেমায় যদি গল্পের দোহাই দিয়ে এভাবে মাদককে প্রমোট করা হয় তাহলে মাদকের বিস্তার দিনে দিনে বাড়বে। শুধু শাকিব খানই নয়, বরং সিনেমার প্রায় প্রতিটি পার্শ্ব চরিত্রকেই মাদক গ্রহণের দৃশ্যে অভিনব কায়দায় দেখানো হয়েছে।

তবে এসব ছাপিয়ে সিনেমায় শাকিব খানের আকর্ষণ ছিল তার অভিনয়। দীর্ঘদিন পর অ্যাকশনের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহে নিজেকে ভালোভাবেই প্রমাণ করেছেন এই তারকা। বিশেষ করে চরিত্রের ভাঙন, হতাশা ও অসহায়ত্বের দৃশ্যগুলোতে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন যথেষ্ট। গায়ক ও রোমান্টিক নায়ক দুই ভূমিকাতেই তিনি ছিলেন সরব।

মীরা চরিত্রে সাবিলা নূরও সাবলীল। শাকিব খানের সঙ্গে তার রসায়ন বেশ কয়েকটি দৃশ্যকে প্রাণ দিয়েছে। ছোট পরিসরে তানজিয়া মিথিলাও নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন ভালোভাবেই। গায়িকা সুনিধি নায়েক-এর উপস্থিতিও ছিল খুবই অল্প। তারিক আনাম খান আর রোজী সিদ্দিকীর চরিত্র খুবই ছোট, তাই তাদের বেশি কিছু করারও ছিল না। আগুনের বন্ধু আসলাম চরিত্রে কাজী সাবিরও ভালো করেছেন।

সিনেমাটিতে মোট ১০টি গান রয়েছে। আহমেদ হাসান সানির লেখা ও সুর করা একাধিক গান গল্পের আবহ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। রোমান্টিক, আধ্যাত্মিক ও বিচ্ছেদধর্মী—বিভিন্ন ঘরানার গান এতে স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া আছে রাজীব হাসান, হাসান রোবায়েত এবং অংকনের লেখা গানও। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। এর মধ্যে ‘পিরিতি’, ‘আমাকে উড়িয়ে দাও’, ‘আমি যাব হারিয়ে’ আর ‘বেশ কিছুদিন’ গানগুলো বেশ ভালো হয়েছে।

সিনেমাটিতে সংগীতশিল্পী হিসেবে আগুন কীভাবে এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তার ব্যাখ্যা যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। কয়েকটি চরিত্রের উপস্থিতিও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গল্প কিংবা নায়ক-নায়িকার পরিবার, তাদের সম্পর্কের রসায়নের সঙ্গে সব সময় জুড়ে যাওয়া কঠিন ছিল। সিনেমায় বেশ কিছু চরিত্র ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এলেও তাদের সঙ্গে সম্পর্কটা ঠিক কী, তা বোঝা যাচ্ছিল না। একের পর এক গান বেজে গেছে ঠিকই, কিন্তু সবকটির সঙ্গে একাত্ম হওয়া মুশকিল। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত আবহসংগীত সংলাপকে আড়াল করেছে। কিছু দৃশ্য তুলনামূলক দীর্ঘ মনে হয়। তবে বেশ কিছু দৃশ্যে কমেডি করার চেষ্টা ছিল, যা উপভোগ্য ছিল।

প্রথমার্ধে নির্মাতা একের পর এক ঘটনা দেখিয়ে গেলেও সিনেমার প্রধান চরিত্র আগুন কীভাবে এতটা জনপ্রিয়তা পেলেন, সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে গল্প এগিয়েছে বেশ সাবলীল।

সব মিলিয়ে ‘রকস্টার’ নিখুঁত নয়, কিন্তু এটি একটি সাহসী চেষ্টা। প্রথম চলচ্চিত্রে পরিচালক আজমান রুশো প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে একজন সংগীতশিল্পীর গল্প বলতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে দর্শকদের সামনে হাজির করেছেন ভিন্ন এক শাকিব খানকে। সেই চেষ্টাই ছবিটির সবচেয়ে বড় অর্জন।

নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মিমি চক্রবর্তী। এবার তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া আইনি বিরোধ আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হয়েছে। 
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২ জুন বনগাঁ আদালতে চার্জশিট গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অভিযোগ, এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না মিমি চক্রবর্তী। তার পরিবর্তে আদালতে হাজির হন তার আইনজীবী।
বিষয়টি নিয়ে তনয় শাস্ত্রী বলেন, ‘একদিনও মিমি চক্রবর্তী আদালতে আসেননি।
গত ২ জুন মিমির পরিবর্তে আদালতে এসেছিলেন তার আইনজীবী। তিনি একের পর এক তারিখ নিয়ে যাচ্ছেন আদালতের কাছ থেকে। এভাবেই তিনি গোটা ব্যাপারটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অবশেষে আমার আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন আদালতে।’
তনয়ের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে তাকে জেলেও যেতে হয়েছে। তাই তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।অ
তিনি বলেন, ‘মিমি অন্যায় করেছেন তার শাস্তি পেতেই হবে। আদালতে হাজিরা দিতেই হবে ওকে। আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। উনি অপরাধ করেছেন। বিনা অপরাধে আমাকে জেলে পাঠিয়েছেন। এর জন্য ওকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে।’
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। আয়োজকদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছান মিমি চক্রবর্তী। তনয় শাস্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত। সময় শেষ হয়ে আসায় তিনি অভিনেত্রীকে মঞ্চ থেকে নামতে অনুরোধ করেছিলেন। তনয় দাবি করেছেন, তিনি কোনো অসম্মানজনক আচরণ করেননি। তবে অনুষ্ঠান শেষে মিমি স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তনয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে মিমির বিরুদ্ধে বনগাঁ আদালতে দুটি মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। মামলাগুলোর একটি মানহানি এবং অন্যটি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অনুষ্ঠানের জন্য অগ্রিম দেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চেয়েছেন তনয়।

কটাক্ষের শিকার আনুশকা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
কটাক্ষের শিকার আনুশকা
ছবি: সংগৃহীত

আবারও বিতর্কে জড়ালেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। এবার হোমিওপ্যাথি নিয়ে একটি মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাজন শঙ্করন এবং শিল্পোদ্যোগী নমিতা থাপারের কথোপকথনের ভিডিও শেয়ার করে আনুশকা জানান, হোমিওপ্যাথি এবং রাজন শঙ্করনের পরামর্শ তাকেও স্বাস্থ্যের দিক থেকে সাহায্য করেছে।
আনুশকা লিখেছেন, ‘হোমিওপ্যাথি আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং চিকিৎসক রাজন শঙ্করনেরও বড় ভূমিকা আছে। স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাপন সম্পর্কে তার ভাবনাকে আমি মূল্য দিই।’
আনুশকার শেয়ার করা ভিডিওতে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় হোমিওপ্যাথির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিটি চিকিৎসাপদ্ধতির সহাবস্থানের কথাও বলা হয় সেই ভিডিওতে। 
ভিডিওটিতে রাজন বলেন, ‘হোমিওপ্যাথি আসলে রোগের চিকিৎসা করে না, মানুষের চিকিৎসা করে। মানুষকে সুস্থ করার মাধ্যমে তার রোগও সেরে ওঠে। হোমিওপ্যাথি সবার চিকিৎসা করতে পারে।’
আনুশকা এই ভিডিও শেয়ার করতেই তাকে এক হেপাটোলজিস্ট কটাক্ষ করেন। তিনি সমাজমাধ্যমে ‘দ্য লিভার ডক’ নামে পরিচিত। আনুশকা, নমিতা থাপার ও রাজনকে ‘অশিক্ষিত তারকা’ বলেও আক্রমণ করেন তিনি। 
একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘হোমিওপ্যাথি হলো জল, অ্যালকোহল এবং চিনি দিয়ে তৈরি ‘ওষুধ’। দাম দিয়ে চিনির বড়ি কেনা ছাড়া আর কিছু নয়।’’
তবে এই কটাক্ষ নিয়ে আর মুখ খোলেননি আনুশকা। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তর্ক শুরু হয়েছে।