ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন চামড়া নিয়ে দুর্ভোগ আর দুর্গতির শেষ কোথায় লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫
Nagad desktop

একজন ঋত্বিক ঘটক ও তার নির্মাণ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০০ এএম
একজন ঋত্বিক ঘটক ও তার নির্মাণ
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক কুমার ঘটক। যিনি ঋত্বিক ঘটক নামেই সর্বজন পরিচিত। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে এই নামটি আবেগের ও শ্রদ্ধার। তার নির্মিত সিনেমাগুলো একেকটি ইতিহাস হয়ে আছে। ভারতবর্ষের মননশীল ও জীবনভিত্তিক সিনেমার ভুবনে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়, তাদের মধ্যে ঋত্বিক ঘটক অন্যতম। সত্যজিৎ রায় এবং মৃণাল সেনের সঙ্গে তাকে নিয়েও রীতিমতো চর্চা হয় আজও।

মেধা ও মননে ঋত্বিক ঘটক ছিলেন অনন্য ও অসাধারণ। এখনো তার নির্মিত সিনেমাগুলো দেখে আবেগে ভাসেন সিনেমাপ্রেমী দর্শক, গবেষক ও সিনেমাবোদ্ধারা। তার পরিচালিত প্রথম সিনেমার নাম ‘নাগরিক’ হলেও প্রথম মুক্তি পায় পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘অযান্ত্রিক’। প্রথম জীবনে কবি ও গল্পকার তারপর নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, অবশেষে চলচ্চিত্রকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তিনি। তার কর্ম ও সৃজনক্ষেত্রের পরিধি শুধু চলচ্চিত্র পরিচালনা ও কথাসাহিত্যে সীমাবদ্ধ নয়। এসবের পাশাপাশি ঋত্বিক ঘটক ভারতের বিখ্যাত পুনা ফিল্ম ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ সময়।

তার জন্ম বাংলাদেশে। ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশের) রাজশাহী শহরের মিঞাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন খ্যাতিমান এই পরিচালক। ছোটবেলায় কিছুদিন দাদা মণীশ ঘটকের সঙ্গে কলকাতায় ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাজশাহী শহরে ফিরে আসেন তিনি। সেখানে তার পৈতৃক বাড়িতে শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্যের একটি অংশ কাটে।

১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে তার পরিবার কলকাতায় চলে যায়। ময়মনসিংহের মিশন স্কুলে তার লেখাপড়া শুরু। পরবর্তী সময়ে কলকাতার বালিগঞ্জ স্কুলে ভর্তি হন তিনি। ১৯৫৮ সালে তিনি বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স সম্পন্ন করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ ক্লাসে ভর্তি হন। কিন্তু এমএ সম্পূর্ণ না করেই তিনি পত্রিকায় লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন। সে সময় তিনি দেশ, শনিবারের চিঠি, অগ্রণী বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করেন। পত্রিকার পাশাপাশি মঞ্চ নাটকেও কাজ করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি প্রথম নাটক লিখেন ‘কালো সায়র’। ১৯৫১ সালে ঋত্বিক ঘটক ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যোগ দেন। তিনি অসংখ্য নাটক রচনা করেছেন, নির্দেশনা দিয়েছেন এবং অভিনয়ও করেছেন। 

১৯৫২ সালে তিনি ‘দলিল’ শিরোনামে একটি নাটক নির্মাণ করেন; নাটকটি ১৯৫৩ সালে ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন এক্সিবিশনে প্রথম পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। চলচ্চিত্রে তার আবির্ভাব হয় পরিচালক নিমাই ঘোষের হাত ধরে।
১৯৫০ সালে বাংলা সিনেমা ‘ছিন্নমূল’-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে তার। চলচ্চিত্রটিতে তিনি একই সঙ্গে সহকারী পরিচালক এবং অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। 

ঋত্বিকের চলচ্চিত্র ‘অযান্ত্রিক’ ১৯৫৮ সালে মুক্তি পায়। সুবোধ ঘোষের একটি ছোটগল্প থেকে তিনি এটা নির্মাণ করেন। সে সময় ভারতজুড়েই অন্যরকম আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল সিনেমাটি। 

ষাটের দশকে ঋত্বিক ঘটক স্বল্প সময়ের জন্যে পুনেতে বসবাস করেন। ১৯৬৫ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সেখানকার ভাইস প্রিন্সিপাল হন। সেখানে থাকা অবস্থায় তিনি শিক্ষার্থীদের নির্মিত দুটি চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরও প্রায় এক যুগ পর ১৯৭২ সালে আবার চলচ্চিত্রে ফেরেন তিনি। এ সময় তিনি অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ণ করেন। 

ঋত্বিক ঘটকের সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে-
নাগরিক (১৯৫২, মুক্তি ১৯৭৭), অযান্ত্রিক (১৯৫৮), বাড়ী থেকে পালিয়ে (১৯৫৮), মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০), কোমল গান্ধার (১৯৬১), সুবর্ণরেখা (১৯৬২), মুক্তি (১৯৬৫), তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), যুক্তি তক্কো আর গপ্পো (১৯৭৭)।

ঋত্বিক ঘটকের কাহিনি ও চিত্রনাট্য-
মুসাফির (১৯৫৭), মধুমতী (১৯৫৮), স্বরলিপি (১৯৬০), কুমারী মন (১৯৬২), দ্বীপের নাম টিয়ারং (১৯৬৩), রাজকন্যা (১৯৬৫), হীরের প্রজাপতি (১৯৬৮),

অভিনয়-
তথাপি (১৯৫০), ছিন্নমূল (১৯৫১), কুমারী মন (১৯৫২), সুবর্ণরেখা (১৯৬২), মুক্তি (১৯৬৫), তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), যুক্তি তক্কো আর গপ্পো (১৯৭৭)।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র-
দ্য লাইফ অব দ্য আদিবাসিজ (১৯৫৫), প্লেসেস অব হিস্টোরিক ইন্টারেস্ট ইন বিহার (১৯৫৫), সিজার্স (১৯৬২), ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান (১৯৬৩), ফিয়ার (১৯৬৫), রঁদেভু (১৯৬৫), সিভিল ডিফেন্স (১৯৬৫), সায়েন্টিস্টস অফ টুমরো (১৯৬৭), ইয়ে কওন (হোয়াই/ দ্য কোয়েশ্চন) (১৯৭০), আমার লেলিন (১৯৭০), পুরুলিয়ার ছৌ (দ্য ছৌ ড্যান্স অফ পুরুলিয়া) (১৯৭০), দুর্বার গতি পদ্মা (দ্য টার্বুলেন্ট পদ্মা) (১৯৭১)।

ঋত্বিক ঘটকের অসমাপ্ত সিনেমা ও তথ্যচিত্র-
বেদেনি (১৯৫১), কত অজানারে (১৯৫৯), বগলার বঙ্গদর্শন (১৯৬৪-৬৫), রঙের গোলাপ (১৯৬৮), রামকিঙ্কর (১৯৭৫), Adivasiyon ka jiban shrot(১৯৫৫)। 

/এমএস 

মা হচ্ছেন সোহিনী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
মা হচ্ছেন সোহিনী
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়কে। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল মা হতে যাচ্ছেন সোহিনী সরকার। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেননি এতদিন। চুপ ছিলেন তার স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও। তবে বিষয়টি নিয়ে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরই মা হবেন সোহিনী। তবে চাইছেন না আগেভাগে কেউ জানুক। এ জন্য সাবধানতা অবলম্বন করে চলছেন তারা। কোথাও খুব একটা দেখাও যায় না সোহিনীকে। যান না কোনো সিনেমার প্রিমিয়ারেও। হঠাৎ ঘরকুনো হতে দেখেই গুঞ্জন আরও বেশি করে পাখা মেলেছে। 
এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে সোহিনীর সিনেমা ‘ফেরা’। সিনেমাটির পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী। এতে আরও অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সঞ্জয় মিশ্র প্রমুখ। সম্প্রতি সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানেও ছিলেন না অভিনেত্রী।
শোভনের সঙ্গে সোহিনী বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। বছর খানেক প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। তার দুই বছরের এল অতিথি আগমনের সুখবর। এ সুখবরে সোহিনীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা।

হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

হত্যা করা হয়েছে বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা জেমস হ্যান্ডিকে। ‘জুমানজি’ ও ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ খ্যাত এই অভিনেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন জেমস হ্যান্ডি। তার বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় জেমস হ্যান্ডির প্রেমিকার ছেলে, মাইকেল গ্লেডহিলকে গ্রেপ্তার করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর মাইকেল গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জরুরি নম্বর ৯১১-এ ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি’। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সদস্যরা। তদন্তকারীদের ধারণা, এটি একটি পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সাধারণ মানুষের জন্য কোনো হুমকি নেই বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া জেমস হ্যান্ডি দীর্ঘ ছয় দশক ধরে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা ও সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘সিএসআই: এনওয়াই’, ‘ক্যাসল’, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’ সিনেমা। জেমস হ্যান্ডি অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘টপ গান: মাভেরিক’। সিনেমাটি ২০২২ সালে মুক্তি পায়। এতে তিনি ‘জিমি’ নামের এক বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেন।

 

মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে বাংলাদেশের আলোচিত নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল। ৬ জুন শনিবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় চ্যান্ডলার অডিটোরিয়ামে ‘হেলেন কেলার’ নাটকের প্রদর্শনী করবে দলটি। অপূর্ব কুমার কুণ্ডুর রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যজন জাহিদ রিপন। নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন জুয়েনা শবনম। নাটক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ভ্রমণ ও নাটকের আদ্যোপান্ত বিষয় নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী জুয়েনা শবনম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান

 

হেলেন কেলার নাটকটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এর আগেও বিভিন্ন দেশে প্রদর্শনী হয়েছে। এবার প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়টি কেমন লাগছে?

 ‘হেলেন কেলার’ এর আগেও জাপানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে টোকিওতে, ভারতে চারটি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে এবং ছয়টি আন্তর্জাতিক  ভার্চুয়াল থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনী করেছি। এবার অস্ট্রেলিয়ার রেনেসাঁ ড্রামা সোসাইটি, মেলবোর্নের আমন্ত্রণে মঞ্চায়ন হচ্ছে। এখানকার দর্শকদের মধ্যে ‘হেলেন কেলার’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করছি। এটা  আমাকে বেশ আনন্দ দিচ্ছে। 

নাটকটিতে এককভাবে অভিনয় করেছেন। একটি নাটকের মধ্যে কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা কেমন আর বিষয়টি কীভাবে সমন্বয় করেছেন?
নাটকটিতে ঘটনার পরম্পরায় অনেকগুলো চরিত্র মঞ্চে আবির্ভূত হয়। যেমন চার্লি চ্যাপলিন, জর্জ বার্নার্ড শ, হিটলার, কেনেডি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শিক্ষক অ্যান সুলিভান। কখনো কখনো চরিত্রগুলোর মতো হয়ে উঠতে হয়েছে, কখনো চরিত্রগুলো কথকরূপে হেলেন কেলারের বর্ণনায় উঠে আসে। এমন ভিন্নধর্মী এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে সত্যিই আনন্দ লাগছে। 

চরিত্রগুলো ধারণ কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
নির্মাণের সময়ে চরিত্রগুলো ধারণ করতে আমাকে ব্যবহারিক গবেষণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পঠন-পাঠন-অনুধাবন-ভিডিও-অডিও-কল্পনা প্রভৃতির মাধ্যমে চরিত্রগুলো যথাসম্ভব ধারণ করার চেষ্টা করেছি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মঞ্চ নাটক নিয়মিত আমন্ত্রণ পাচ্ছে। এটা দেশের মঞ্চ নাটকের জন্য কতটা ইতিবাচক বলে আপনি মনে করেন?
এটাকে আমি খুবই ইতিবাচক মনে করি। দুই দেশের সাংস্কৃতিক ভাববিনিময়ের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেটা বাংলা সংস্কৃতির একটা বিজয় বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি অভিজ্ঞতার আনন্দ আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করে।

দেশের মঞ্চ নাটককে কোথায় দেখতে চান?
দেশের মঞ্চ নাটককে আমি অনন্য এক উচ্চতায় দেখতে চাই। বাংলানাট্যের শক্তি যেন বিশ্ব নতুনভাবে অনুধাবন ও অনুসরণ করতে পারে। আমি চাই পৃথিবীর সব উল্লেখযোগ্য নাট্যোৎসবে বাংলা নাটককে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

মঞ্চ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং আপনার স্বস্তির জায়গাটা কেমন?
মঞ্চের জন্য আমি নুতন নতুন আরও অনেক কাজ করতে চাই। মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই। আমাদের হাজার বছরের যে ঐতিহ্যবাহী বাংলানাট্য উত্তরাধিকারী আমরা, সেই নাট্য নিয়ে আক্ষরিক অর্থে দেশের পাশাপাশি বিশ্বজয় করতে চাই।

শাকিবের অভিনয় প্রশংসিত ‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
‘রকস্টার’ যেন মাদকের বিজ্ঞাপন
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি সিনেমাতেই নিজেকে নতুনভাবে হাজির করার চেষ্টা করেন ঢাকাই ছবির সুপারস্টার শাকিব খান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাকশনধর্মী গল্পের সিনেমায় দেখা গেলেও এবার তিনি ‘রকস্টার’ সিনেমায় হাজির হয়েছেন একজন সংগীতশিল্পীর ভূমিকায়। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সেই অর্থে শাকিব খানের জন্য ভিন্নধর্মী এক পরীক্ষাও।

সিনেমার শুরুতে দেখা যায়, স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকদের ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার। এ সময় অনুষ্ঠান আয়োজকরা গ্রিনরুমে খুঁজছেন জনপ্রিয় সংগীত তারকা আগুনকে (শাকিব খান)। এদিকে মাদকের জন্য অপেক্ষা তার। এরপর মাদক নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে গাড়ি চালিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন আগুন (শাকিব খান)। বিশাল কনসার্ট, দর্শকদের উন্মাদনা আর মাদকে আসক্ত এক তারকাকে দিয়েই গল্পের সূচনা। পরে ফিরে যায় অতীতে। সংগীতনির্ভর পরিবারে বেড়ে ওঠা আগুন বাবা ওস্তাদ জুনায়েদের (তারিক আনাম খান) শাস্ত্রীয় সংগীতের পথ অনুসরণ না করে বেছে নেয় রক সংগীতের জগৎ। শৈশবের পারিবারিক অস্থিরতা, মঞ্চভীতি ও ব্যক্তিগত সংগ্রাম পেরিয়ে সে হয়ে ওঠে জনপ্রিয় গায়ক। একই সঙ্গে জীবনে আসে প্রেম। কিন্তু খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় তার পতনের গল্পও।

ছবিটি মিউজিক্যাল ও রোমান্টিক ড্রামার হলেও সংগীতশিল্পীর জীবনকে কেন্দ্র করে প্রেম, বিচ্ছেদ ও আত্মধ্বংসের গল্পই এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

চলচ্চিত্রটির অন্যতম শক্তি এর ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। কনসার্ট, ব্যান্ডের অনুশীলন কিংবা বিদেশের মঞ্চ—সবকিছুই যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের কাজ প্রশংসার দাবিদার। বিভিন্ন দৃশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারও চোখে পড়ে। সংগীতপ্রেমী আগুনের ঘরের দেয়ালে কিংবদন্তি শিল্পী ও ব্যান্ডের পোস্টার চরিত্রটিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে।

সিনেমার প্রথমার্ধে নির্মাতা নায়কের মাদক গ্রহণকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন, এর বাইরে দর্শকের অন্য কিছু নজরে আসা কঠিন ছিল। ছবিতে কয়েক ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহারের চিত্র নগ্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এসব দেখে মনে হতে পারে মাদক নেওয়াটা একধরনের শিল্প। আর গল্পের নায়ক শাকিব যেন সেই শিল্পেরই ধারক-বাহক। বলতে গেলে রকস্টার সিনেমাটি যেন মাদকের বিজ্ঞাপন হিসেবেই নির্মিত হয়েছে। শাকিব খানের মতো বড় তারকার সিনেমায় যদি গল্পের দোহাই দিয়ে এভাবে মাদককে প্রমোট করা হয় তাহলে মাদকের বিস্তার দিনে দিনে বাড়বে। শুধু শাকিব খানই নয়, বরং সিনেমার প্রায় প্রতিটি পার্শ্ব চরিত্রকেই মাদক গ্রহণের দৃশ্যে অভিনব কায়দায় দেখানো হয়েছে।

তবে এসব ছাপিয়ে সিনেমায় শাকিব খানের আকর্ষণ ছিল তার অভিনয়। দীর্ঘদিন পর অ্যাকশনের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহে নিজেকে ভালোভাবেই প্রমাণ করেছেন এই তারকা। বিশেষ করে চরিত্রের ভাঙন, হতাশা ও অসহায়ত্বের দৃশ্যগুলোতে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন যথেষ্ট। গায়ক ও রোমান্টিক নায়ক দুই ভূমিকাতেই তিনি ছিলেন সরব।

মীরা চরিত্রে সাবিলা নূরও সাবলীল। শাকিব খানের সঙ্গে তার রসায়ন বেশ কয়েকটি দৃশ্যকে প্রাণ দিয়েছে। ছোট পরিসরে তানজিয়া মিথিলাও নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন ভালোভাবেই। গায়িকা সুনিধি নায়েক-এর উপস্থিতিও ছিল খুবই অল্প। তারিক আনাম খান আর রোজী সিদ্দিকীর চরিত্র খুবই ছোট, তাই তাদের বেশি কিছু করারও ছিল না। আগুনের বন্ধু আসলাম চরিত্রে কাজী সাবিরও ভালো করেছেন।

সিনেমাটিতে মোট ১০টি গান রয়েছে। আহমেদ হাসান সানির লেখা ও সুর করা একাধিক গান গল্পের আবহ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। রোমান্টিক, আধ্যাত্মিক ও বিচ্ছেদধর্মী—বিভিন্ন ঘরানার গান এতে স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া আছে রাজীব হাসান, হাসান রোবায়েত এবং অংকনের লেখা গানও। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। এর মধ্যে ‘পিরিতি’, ‘আমাকে উড়িয়ে দাও’, ‘আমি যাব হারিয়ে’ আর ‘বেশ কিছুদিন’ গানগুলো বেশ ভালো হয়েছে।

সিনেমাটিতে সংগীতশিল্পী হিসেবে আগুন কীভাবে এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তার ব্যাখ্যা যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। কয়েকটি চরিত্রের উপস্থিতিও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গল্প কিংবা নায়ক-নায়িকার পরিবার, তাদের সম্পর্কের রসায়নের সঙ্গে সব সময় জুড়ে যাওয়া কঠিন ছিল। সিনেমায় বেশ কিছু চরিত্র ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এলেও তাদের সঙ্গে সম্পর্কটা ঠিক কী, তা বোঝা যাচ্ছিল না। একের পর এক গান বেজে গেছে ঠিকই, কিন্তু সবকটির সঙ্গে একাত্ম হওয়া মুশকিল। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত আবহসংগীত সংলাপকে আড়াল করেছে। কিছু দৃশ্য তুলনামূলক দীর্ঘ মনে হয়। তবে বেশ কিছু দৃশ্যে কমেডি করার চেষ্টা ছিল, যা উপভোগ্য ছিল।

প্রথমার্ধে নির্মাতা একের পর এক ঘটনা দেখিয়ে গেলেও সিনেমার প্রধান চরিত্র আগুন কীভাবে এতটা জনপ্রিয়তা পেলেন, সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে গল্প এগিয়েছে বেশ সাবলীল।

সব মিলিয়ে ‘রকস্টার’ নিখুঁত নয়, কিন্তু এটি একটি সাহসী চেষ্টা। প্রথম চলচ্চিত্রে পরিচালক আজমান রুশো প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে একজন সংগীতশিল্পীর গল্প বলতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে দর্শকদের সামনে হাজির করেছেন ভিন্ন এক শাকিব খানকে। সেই চেষ্টাই ছবিটির সবচেয়ে বড় অর্জন।

নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি!
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মিমি চক্রবর্তী। এবার তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া আইনি বিরোধ আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হয়েছে। 
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২ জুন বনগাঁ আদালতে চার্জশিট গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অভিযোগ, এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না মিমি চক্রবর্তী। তার পরিবর্তে আদালতে হাজির হন তার আইনজীবী।
বিষয়টি নিয়ে তনয় শাস্ত্রী বলেন, ‘একদিনও মিমি চক্রবর্তী আদালতে আসেননি।
গত ২ জুন মিমির পরিবর্তে আদালতে এসেছিলেন তার আইনজীবী। তিনি একের পর এক তারিখ নিয়ে যাচ্ছেন আদালতের কাছ থেকে। এভাবেই তিনি গোটা ব্যাপারটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অবশেষে আমার আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন আদালতে।’
তনয়ের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে তাকে জেলেও যেতে হয়েছে। তাই তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।অ
তিনি বলেন, ‘মিমি অন্যায় করেছেন তার শাস্তি পেতেই হবে। আদালতে হাজিরা দিতেই হবে ওকে। আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। উনি অপরাধ করেছেন। বিনা অপরাধে আমাকে জেলে পাঠিয়েছেন। এর জন্য ওকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে।’
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। আয়োজকদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছান মিমি চক্রবর্তী। তনয় শাস্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত। সময় শেষ হয়ে আসায় তিনি অভিনেত্রীকে মঞ্চ থেকে নামতে অনুরোধ করেছিলেন। তনয় দাবি করেছেন, তিনি কোনো অসম্মানজনক আচরণ করেননি। তবে অনুষ্ঠান শেষে মিমি স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তনয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে মিমির বিরুদ্ধে বনগাঁ আদালতে দুটি মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। মামলাগুলোর একটি মানহানি এবং অন্যটি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অনুষ্ঠানের জন্য অগ্রিম দেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চেয়েছেন তনয়।