ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও
Nagad desktop

চবিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত কয়েক শ

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৬ এএম
চবিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত কয়েক শ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনার জের ধরে শিক্ষার্থী ও পাশের জোবরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক-গ্রামবাসীসহ কয়েক শ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

গত শনিবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া সংঘর্ষ রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত চলে। পরে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এর আগে বেলা ২টায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৪৪ ধারা জারি করে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। আজ সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। 

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিকতার অভাব ছিল। 

ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন রবিবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জোবরা গ্রামের লোকজন আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। দুই দিনে আমাদের ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমাদের প্রক্টরসহ বেশ কিছু শিক্ষক আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষার্থীদের আমরা মেডিকেলে জায়গা দিতে পারিনি। তিনটি গাড়িতে করে আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ছাত্রলীগের ক্যাডাররা হেলমেট পরে আমাদের ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে কথা বলেছি। ২ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও আমাদের বাঁচাতে কেউ আসেনি।’ 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার অনুরোধ, তোমরা কোনো ষড়যন্ত্রে পা দিও না। আমি তোমাদের অনুরোধ করছি। তোমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে যা করার সব আমরা করব।’ 

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্রীকে গত শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি ভবনের দারোয়ান মারধর করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন ভবনটিতে ভাড়া থাকেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বাসায় ঢুকতে গেলে দারোয়ান দরজা খুলছিলেন না। অনেক ডাকাডাকির একপর্যায়ে দারোয়ান তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ওই ছাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে চড়-লাথি মারেন। এ সময় ওই ছাত্রী তার বন্ধুদের ডাকলে সেখানে যাওয়ার পর তাদের ওপরও হামলা হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত দারোয়ানকে প্রক্টরের কাছে সোপর্দ করতে চাইলে এলাকাবাসী তাদের ওপর হামলা করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। শনিবার রাতের ঘটনার বিষয়ে দর্শন বিভাগের প্রথম বর্ষের ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সময়মতো বাসায় ফিরি। আজও দেরি করিনি। দারোয়ান দরজা খুলছিল না, পরে হঠাৎ আমার গলায় চড় মারেন এবং ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এরপর লাথিও মারতে থাকেন।’ 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শনিবার রাতে সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়িতে যেসব শিক্ষার্থীরা ভাড়া থাকেন, তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা। সেই খবর পেয়েই তারা একত্রিত হয়ে উত্তরা আবাসিক এলাকায় যান। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করা হয় শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে। অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে তারা প্রতিরোধ করতেই শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়েছেন।

কী ঘটেছিল শনিবার রাতে 
এলাকাবাসী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে দারোয়ানকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। তারা অভিযুক্ত দারোয়ানকে খোঁজার উদ্দেশ্যে সামনে যেতে থাকলে রাত ১টা ৪০ মিনিটে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে জোবরা গ্রামের শতাধিক মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালান। এরপর দফায় দফায় সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশের মোট চারটি গাড়ি ভাঙচুর করেন স্থানীয়রা। ঘটনার একপর্যায়ে রাত ৩টার পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছেঁ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষার্থী যারা বিভিন্ন ভবনে আটকা পড়েছিলেন, তাদের উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ওই সময় পুলিশের কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। 

গতকাল সকাল থেকে ফের সংঘর্ষ
শনিবার রাতের ঘটনার জেরে গতকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে জোবরা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমঝোতা করতে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনের লোকজন সেখান থেকে ফিরে আসার সময় স্থানীয়রা তাদের ওপরও হামলা চালান। শিক্ষার্থীরা বলছেন, রবিবার সকালে সেনাবাহিনী দেখতে পেয়েছেন তারা। তবে ১ ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তারা চলে যান। এরপর দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারা সফল হননি।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় শুধু স্থানীয় বাসিন্দারা নয়, ছাত্রলীগের একটি অংশও তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইটপাটকেলের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্রও ব্যবহার করা হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সাঈদ বলেন, ‘আমাদের বন্ধুদের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে।’ 

আহত কয়েক শ
শনিবার রাত ও গতকাল রবিবার দিনভর সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন কয়েক শ শিক্ষার্থী। শনিবার রাতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৩০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরা হলেন সজীব (২৪), মোহাম্মদ ইসমাইল (২৫), হুমায়ুন (২২), সাদমান (২৪), ইশতিয়াক (২৪), মো. আবু নাসিম (২৩), হাসান জোবায়ের হিমেল (২৫), ইদ্রিস (২৫), মনির (২২), মাহিন (২৩), সজীব, ইশতিয়াক আহমদ (২৪), রাতুল (২১), শিহাব (২২), আলমাস মাহফুজ (২৫), বাইজিদ (২০), দিগন্ত (২৫), ওয়াহিদউদ্দিন, নাজমুল (২৫), বায়জিদ (২০), ফুয়াদ (২১) , রাকিব মাহবুব রুমি (২৪), রিপন মিয়া (২১), মাহিন (২২), সিফাত আদনান (২২), আকিব (২২), আরমান (২৫), দুর্জয় (২২) ও মোকাব্বির (২৪)।

অন্যদিকে গতকাল দিনভর সংঘর্ষে আরও কয়েক শ শিক্ষার্থী আহত হন। আহত শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল, হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলার বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজে অর্ধশতাধিক ভর্তি আছেন। কয়েক শ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন বলে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। 

স্থানীয় এক সাংবাদিক খবরের কাগজকে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাড়িঘর, দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে। এদিকে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ায় জোবরা গ্রামের পুরুষরা এলাকা ছেড়ে পালিয় যান।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মেডিকেলে ৭৭ জন, পার্কভিউ হাসপাতালে ৪৩, ন্যাশনাল হাসপাতালে ২৪ জন চিকিৎসাধীন। গুরুতর আহত চবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাইম রহমানকে ন্যাশনাল হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। সংঘর্ষে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের নেতা মাসনূনকে কোপানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখ্য সংগঠক সাব্বির হোসেন। ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন নিজেও আটকা পড়ে ছিলেন জানিয়ে খবরের কাগজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করছিলাম। কয়েকজনকে এলাকাবাসী থেকে উদ্ধার করেছি। প্রশাসন চাইলে শুরুতেই ঘটনার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারত। প্রশাসনের অনুপস্থিতি এ ঘটনাকে এমন রূপ দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ জানান, সহকারী প্রক্টর নাজমুল ও কোরবানও আহত হয়েছেন।

জব্দ করা অস্ত্র শিক্ষার্থীদের হাতে
এদিকে গত বছরের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে জব্দ করা দা, কিরিচ, হেলমেটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তর থেকে রবিবার দুপুরে ছিনিয়ে নেন। এসব অস্ত্র নিয়ে তারা ফের গ্রামবাসীর সঙ্গে মারামারি করতে ছুটে যান। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাতে শিক্ষার্থীদের হাতে কোনো ধরনের অস্ত্র ছিল না। নিরাপত্তা দপ্তর থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পর সংঘর্ষ আরও বেশি রক্তক্ষয়ী হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। তবে গতকাল বিকেলে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী প্রবেশ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।

জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে দুই দিনব্যাপী অধ্যাপক ড. খবির উদ্দিন আহমেদ জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ৪২টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

সোসাইটি ফর ক্রিটিক্যাল লিগ্যাল স্টাডিজ (এসসিএলএস)-এর উদ্যোগে গত ৫-৬ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট দলের সদস্যরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া শুচি ও যাইদ ইকরাম এবং ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম।

আরিফ/নাঈম

পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। 

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহআলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তাকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

হাসিবুর রহমান/নাঈম

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন