ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক
Nagad desktop

এখতিয়ার বহিঃর্ভূত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন উপাচার্য: পদত্যাগপত্রে জাকসু কমিশনার

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৭ পিএম
এখতিয়ার বহিঃর্ভূত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন উপাচার্য: পদত্যাগপত্রে জাকসু কমিশনার
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে পদত্যাগের ঘোষণা দিচ্ছেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের কমিশনার অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। উপাচার্য বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্রে সাত্তার তার উত্থাপিত প্রস্তাবের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বাইরের ব্যক্তিদের ব্যবহার করে এখতিয়ার বহিঃর্ভূত ভাবে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপচার্য বরাবর এই পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

তিনি বলেন, ‘কারসাজি ও ভোট জালিয়াতির এই নির্বাচন আমার কাছে সুস্পষ্ট হয়ে পড়ায় এবং দেশে প্রচলিত আইনে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হওয়ায়, ন্যায় বিচার ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে ও বারংবার সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়ে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনকে অনুরোধের পরও কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, আমি এর কোনো দায়-দায়িত্ব গ্রহণে অসমর্থক হওয়ায়, দেশের সংবিধানে সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহে বর্ণিত আমার সব আইনি অধিকার সংরক্ষণ করে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করছি। একইসঙ্গে গত কয়েকদিন যাবত প্রকাশ্যে যে সব হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে তা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।’

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

উপাচার্য বরাবর তার পদত্যাগপত্রটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের উদ্দেশ্যে আপনি জাকসু গঠনতন্ত্রের ৮(খ) ধারা মোতাবেক নির্বাচন কমিশন গঠন করেন এবং এই কমিশনের একজন সদস্য হিসাবে আমাকে নিয়োগ প্রদান করেন, এ জন্য আমি আপনার নিকট কৃজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নিয়োগ প্রদানকালে আপনি আমাকে বলেছিলেন যে 'আপনার মত দক্ষ, পক্ষপাত বিহীন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারদর্শী এবং আইন বিষয়ে দক্ষতার কারণে এই কমিশনে আপনার উপস্থিতি আবশ্যক।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনা করে আমি নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালনে সম্মতি প্রকাশ করেছিলাম। যদিও কমিশন গঠনের পূর্ব থেকেই জাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা উল্লেখ করে আমি আপনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় মত প্রকাশ করে আসছিলাম, যা আজ সত্য প্রমানিত হয়েছে। জাকসু কেন্দ্র করে সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দের উচ্ছাস ও আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শুরুতেই আইনগত ত্রুটি (গঠনতন্ত্র সংশোধনে আইনের লঙ্ঘন) থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এই মর্মে দায়িত্ব পালনে সম্মত হই যে, আমার যৌক্তিক ও আইনসম্মত মতামত গ্রহণ করা হবে। আমি ক্রমান্বয়ে দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি যে কোন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে আমার সকল যৌক্তিক ও আইনসম্মত মতামত ক্রমাগতভাবে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। নির্বাচনের দিন বিকালের মধ্যে আমি নিশ্চিত হই যে এই সকল অযৌক্তিক এবং বেআইনি কর্মকান্ডের পিছনে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে এই নির্বাচনে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে অথবা গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহে কেবলমাত্র একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি নির্বাচনী গণনা স্থগিত রেখে নির্বাচনের আগে ও নির্বাচন চলাকালীন সময় পর্যন্ত উত্থাপিত অভিযোগ সমূহ তদন্ত করে নির্বাচনের গণনা শুরুর প্রস্তাব করি।

অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি যে, আমাকে অগ্রাহ্য করে আমার স্বল্প সময়ের অনুপস্থিতে, আইন মোতাবেক নির্বাচন কমিশনের সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে ও জাকসু গঠণতন্ত্র লঙ্ঘন করে, গণনা ও ফলাফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নিয়ম মাফিক তৈরি না করেই তড়িঘড়ি করে স্বল্প সময় আমার অনুপস্থিতির সুযোগে, একক সিদ্ধান্তে গণনা শুরু করা হয়েছে। আপনি অবগত আছেন যে, জাকসু গঠনতন্ত্রের যে ধারা মতে আপনি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন সেখানে সুস্পষ্টভাবে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এবং আপনার দায়িত্ব উল্লেখ করা রয়েছে। আপনি আরো অবগত আছেন যে, এই ধারা লঙ্ঘন করে নির্বাচন কমিশনে কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতামত প্রদান করেছেন। নির্বাচন কমিশনের সভার সিদ্ধান্ত ছাড়াই আমার স্বল্পকালীন অনুপস্থিতির সময় (আপনি আমাকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়ে কক্ষ থেকে বের হবার অনুমতি দিয়েছিলেন) আপনি আমার উত্থাপিত প্রস্তাবের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বাইরের ব্যক্তিবর্গ ব্যবহার করে আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করেছেন যা আপনার এখতিয়ার বহিঃর্ভূত। আইনজীবীর লিখিত পরামর্শ ছাড়াই আমাকে পরবর্তীতে অবহিত করা হয়েছে যে, আইনজীবি উত্থাপিত অভিযোগসমূহ 'তেমন গুরুতর নয়' মন্তব্য করে গণনা শুরু করতে পরামর্শ দিয়েছেন। একই সাথে ফলাফল ঘোষণার পূর্বে অভিযোগ সমূহের উত্তর আইনজীবীর নিকট প্রেরণের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। উত্তর সমূহ পর্যবেক্ষণ করে তিনি (আইনজীবী) মতামত দিলেই ফলাফল ঘোষণার পরামর্শ আইনজীবী দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, আইনজীবিকে কোন অভিযোগসমূহ পাঠানো হয়েছে তা আমাকে জানানো হয় নি। এ পর্যায়ে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাসায় ফেরত আসি (এর পূর্বের অন্তত তিন রাত ছিলো বিরতিহীন নির্ঘুম, আমি হৃদযন্ত্রে স্টেন্টিং সম্পন্ন করা)। আমার সাথে সকাল পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। উল্লেখ্য যে, আমাকে কোনরূপ অবহিত না করেই কমিশনের কোন সিদ্ধান্ত না নিয়েই এরই মধ্যে গণনা শুরু করা হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি জানতে পারি যে, আপনার স্থিরকৃত আইনজীবীর পরামর্শ লংঘন করে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে। এতে প্রতিয়মান হয় যে, নির্বাচন কমিশন আপনার স্থিরকৃত আইনজীবীর পরামর্শ পালনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এর চেয়েও বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, আপনি নিজেই জাকসু গঠনতন্ত্রের ৮ (জ) ধারায় সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকার পরও সরাসরি আইন লঙ্ঘন করে এই পরামর্শ গ্রহণ করেছেন এবং তা নির্বাচন কমিশনের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

কমিশনে আপনার, মাননীয় প্রো-উপাচার্য দ্বয় ও কোষাধক্ষ্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং সার্বক্ষণিক নির্বাচন কমিশনকে চাপ প্রদান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি।

এ ছাড়াও এই নির্বাচন ঘিরে আরো অনেকগুলি অতি গুরুতর আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে যার কারনে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি এবং ভোটারদের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হওয়ার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এ সকল বিষয় কেবল আইনি জটিলতা এবং ভোট প্রদান ও গণনায় কোন প্রকাশ্য বাধা বা হস্তক্ষেপ মনে না হলেও বিগত ১৮ বছরের অভিজ্ঞতায় আমরা জানি এ ধরনের জালিয়াতি প্রমাণ করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন পড়ে, যা আপনি নিজেই বহুবার গণমাধ্যমে গত অন্তত দশ বছর ধরে বলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে আমি আরো উল্লেখ করছি যে, আইন মোতাবেক যেহেতু এ ধরনের বিষয় নিষ্পত্তির ক্ষমতা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে সে কারণে আপনি এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে (যদিও এ ধরনের ব্যবস্থা স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষতার স্বার্থে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বেই গ্রহণ করা আবশ্যক ছিলো) আমি যথাযথ প্রমাণসহ কারসাজি ও কারচুপির অভিযোগসমূহ সংশ্লিষ্ট আপিল কমিটির নিকট উপস্থাপন করব। কারসাজি ও ভোট জালিয়াতির এই নির্বাচন আমার কাছে সুস্পষ্ট হয়ে পড়ায় এবং দেশে প্রচলিত আইনে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হওয়ায়, ন্যায় বিচার ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে ও বারংবার সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়ে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনকে অনুরোধের পরও কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, আমি এর কোন দায় দায়িত্ব গ্রহণে অসমর্থক হওয়ায়, দেশের সংবিধানে সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহে বর্ণিত আমার সকল আইনি অধিকার সংরক্ষন করে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করছি। একই সাথে গত কয়েকদিন যাবৎ প্রকাশ্যে যে সকল হয়রানি ও হুমকি প্রদাণ করা হচ্ছে তা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অতএব, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিশেষ অনুরোধ করছি।’

সুমন/অমিয়/

জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে দুই দিনব্যাপী অধ্যাপক ড. খবির উদ্দিন আহমেদ জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ৪২টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

সোসাইটি ফর ক্রিটিক্যাল লিগ্যাল স্টাডিজ (এসসিএলএস)-এর উদ্যোগে গত ৫-৬ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট দলের সদস্যরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া শুচি ও যাইদ ইকরাম এবং ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম।

আরিফ/নাঈম

পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। 

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহআলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তাকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

হাসিবুর রহমান/নাঈম

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন