ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন
Nagad desktop

টিউশন, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যয়ের কারণে ভোট দিতে যাচ্ছেন না জুলাইয়ের সম্মুখ সারির আন্দোলনকারীরা

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
টিউশন, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যয়ের কারণে ভোট দিতে যাচ্ছেন না জুলাইয়ের সম্মুখ সারির আন্দোলনকারীরা
ছবি: খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। হাতে আছে আর মাত্র ২ দিন। প্রতীক্ষিত এ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী ভোট দিতে নিজ নিজ এলাকায় যাচ্ছেন না। আশ্চর্যজনকভাবে, এ তালিকায় রয়েছেন জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সম্মুখ সারির আন্দোলনকারীরাও। আর্থিক সংকট, নিরাপত্তার শঙ্কা, একাডেমিক ব্যস্ততা এবং ব্যক্তিগত কাজের চাপে ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে পিছিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবতার কারণেই তারা ভোট দিতে পারছেন না। বিশেষ করে দূরত্ব ও যাতায়াত ব্যয়ের বিষয়টি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে সামনে এসেছে। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নির্বাচন উপলক্ষে আলাদা পরিবহন ব্যবস্থা থাকলে তারা ভোট দিতে যাওয়ার সুযোগ পেতেন।

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা এবং এর পরপরই ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি থাকায় সূচিগত জটিলতাও শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী জানান, এই ধারাবাহিক একাডেমিক ক্যালেন্ডারের কারণে স্বল্প সময়ের জন্য ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়ি যাওয়া বাস্তবসম্মত নয়।

এ বিষয়ে ভোট দিতে না গিয়ে চবির আলাওল হলে অবস্থান করা ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিক বলেন, “আমি যদি আমার কথাই বলি তাহলে আমার বাড়ি হলো নীলফামারী। এখান থেকে আমার যাওয়া–আসার খরচ প্রায় তিন থেকে চার হাজার টাকা। আরেকটি বড় বিষয় হলো সামনে ঈদুল ফিতরের ছুটি আসছে। এখন যদি আমরা এর মধ্যে বাসায় গিয়ে ভোট দিয়ে আসি, দশ দিন ক্লাস করার পর আবার ছুটি। এজন্যই আসলে সবাই বাসায় যাচ্ছে না। ট্রান্সপোর্টেশন খরচটি আসলে অনেক বড়।”

হলে বর্তমানে কত সংখ্যক শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “৫০ শতাংশের অধিক শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করছেন বলে আমি মনে করি।”

শুধু সাধারণ শিক্ষার্থীরাই নন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সম্মুখ সারির আন্দোলনকারীরাও এবার ভোট দিতে যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। 

জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির নারী আন্দোলনকারী ও ‘জুলাই কন্যা’ পদকপ্রাপ্ত বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া বলেন, “আমার টিউশন আছে। সেগুলোর জন্য আমি বাড়িতে যেতে পারছি না। তাছাড়া আমাদের নিরাপত্তাজনিত কিছু ইস্যু আছে। পাঁচ বছর পর একটি নির্বাচন হচ্ছে, এটাকে আমরা অন্যরকম একটি নির্বাচন বলতে পারি সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা ইস্যু তো আছেই। সবকিছু মিলিয়ে বাড়িতে যাওয়া আসলে হয়ে উঠছে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “এখানে আমাদের যদি আলাদাভাবে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা থাকত তাহলে ভালো হতো।”

একইভাবে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকজন সম্মুখ সারির আন্দোলনকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সুমনও এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছেন না। 

তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর এবার আমাদের ভোট হচ্ছে। আমাদের সকলেরই আকাঙ্ক্ষা ছিল এবার একটা ভালো সরকার আসবে। সে হিসেবে সকলেরই ভোট দেওয়া উচিত। কিন্তু নানা রকম প্রতিকূলতার কারণে অনেকে ভোট দিতে পারছে না। যাদের বাড়ি দূরে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের দিকে, তারা যদি ভোট দিতে চায় তাহলে তিন থেকে চার হাজার টাকা খরচ হয়। এটা অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য।”

নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “বর্তমানে যে পরিস্থিতি, আদৌ কি স্বচ্ছ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়েও আমাদের আশঙ্কা রয়েছে। আমরা দেখেছি জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশ আগে যেখানে ছিল, সেখানেই রয়ে গিয়েছে। যেমন সিন্ডিকেট ছিল, তেমনি আছে। দেশে কোনো ধরনের পরিবর্তন হয়নি। এখনো আমাদের ঐরকম আশঙ্কা রয়েছে যে পরবর্তী গভর্নমেন্ট আসলে দেশের পরিস্থিতি ঠিক করতে পারবে কিনা।” 

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যাদের বাড়ি দূরে, এমন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা।”

সুমন আরও যোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, তারা সেই ফায়দা ওসুলের জন্য বাড়ি চলে গিয়েছে। এটাকে আমরা মজা করে ‘নির্বাচনি খ্যাপ’ বলি। আমরা যারা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নই, আমাদের রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। এ কারণেই মূলত অনেক শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করছে।”


ভোট দিতে না যাওয়া ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী অর্পিতা জানান, “আমার ভোট দিতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আমরা যারা শিক্ষার্থী, আমাদের অনেক রকম কাজ রয়েছে। অনেকের টিউশন আছে, অনেকের নির্বাচনের পরপরই পরীক্ষা। আবার যাদের টিউশন নেই, তারাও যাচ্ছে না। কারণ ভোট দিতে গিয়ে যাতায়াত খরচ দিয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরলে অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। এ কারণেই অনেকে যেতে পারছে না। এখান থেকে যদি কোনো ধরনের ট্রান্সপোর্টেশন ব্যবস্থা করে দেওয়া হতো, তাহলে মনে করি অনেক মানুষ ভোট দিতে যেতে পারত।”

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বা ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা, কিংবা বিকল্প ভোটিং পদ্ধতি চালু করা হলে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতো না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

মাহফুজ/

চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুর জেলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠনের উদ্যোগে গবেষণাভিত্তিক ফিকশন গ্রন্থ ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’–এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় ইলিশের শহরখ্যাত চাঁদপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা করা হয়।

মেঘনা নদী, ইলিশ এবং মেঘনা অববাহিকার জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি ও নদীমাতৃক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে গ্রন্থটি রচনা করেছেন গবেষক ও কবি মো. হাবিবুর রহমান। গবেষণাভিত্তিক এ ফিকশন গ্রন্থে সাহিত্যিক আঙ্গিকে নদী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, স্থানীয় ঐতিহ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মেঘনা অববাহিকার সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিভিন্ন দিক স্থান পেয়েছে। আয়োজকদের মতে, গ্রন্থটি শিক্ষার্থী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মকে নদীকেন্দ্রিক জীবন ও পরিবেশগত সংকট সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

গ্রন্থটির লেখক মো. হাবিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, গবেষক ও কবি। এর আগে তার কাব্যগ্রন্থ ‘মেঘবালিকার লোচনে জলতরঙ্গ’ একুশে বইমেলা ২০২৫-এ প্রকাশিত হয়।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে লেখক বলেন, বইটি তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি গবেষণাধর্মী ও নীতিনির্ধারণ-সহায়ক সংকলন হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, মেঘনা নদী ও ইলিশকেন্দ্রিক ঐতিহ্য, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে পাঠকদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিতে সক্ষম হবে গ্রন্থটি।

তিনি আরও জানান, প্রকাশের পর থেকেই বইটি দেশি-বিদেশি গবেষক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এর সৌজন্য কপি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির সদস্য, পাঠক, স্থানীয় শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আজম হোসেন/তামান্না রুপা/

আইইউবির কোষাধ্যক্ষ ওয়াছিম জাব্বার

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
আইইউবির কোষাধ্যক্ষ ওয়াছিম জাব্বার
মো. ওয়াছিম জাব্বার

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর (আইইউবি) কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. ওয়াছিম জাব্বার।

বুধবার (৩ জুন) তারিখে তিনি এ পদে যোগ দেন। 

তিনি খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
 
আইইউবিতে যোগদানের আগে জাব্বার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারে ৩২ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। 

এ সময়ে তিনি জনপ্রশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
 
সর্বশেষ তিনি ইতালির তুরিনে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং সেন্টারে (আইএলও-আইটিসিআইএলও) ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্ট–ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রফেশনালাইজেশন (ডিআইএমএপিপিপি-সিডিপি)-এর ডেপুটি টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 
এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (বিপিআই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের (বিয়াম) পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা), এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
জাব্বার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগং (ইউএসটিসি) থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এক্সিকিউটিভ এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। 

তিনি যুক্তরাজ্যের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) থেকে প্রকিউরমেন্ট ও সাপ্লাই বিষয়ে ডিপ্লোমা, অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা ও প্রফেশনাল ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন।

তিনি ২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিষয়ক জাতীয় প্রশিক্ষক হিসেবেও তিনি যুক্ত রয়েছেন। তিনি সিআইপিএস ইউকে-এর সদস্য এবং ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস বাংলাদেশের আজীবন সদস্য।

বিজ্ঞপ্তি/

১ জুলাই উদযাপিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
১ জুলাই উদযাপিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
ছবি: খবরের কাগজ

১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে অনুষ্ঠিত এক সভায় দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য ভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ জমায়েত হবেন। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০ টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রাটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে গিয়ে শেষ হবে। সকাল ১০টায় পায়রা চত্বরে জাতীয় পতাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন করা হবে। 

এসময় জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বিশেষ স্মরণিকা প্রকাশ করা হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে তোরণ নির্মাণ করা হবে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এসময় অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর এবং অফিস প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯২১ সালের পহেলা জুলাই ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবনগুলো এবং ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনগুলোর সমন্বয়ে মনোরম পরিবেশ গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার এই দিনটি প্রতিবছর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৫ এএম
নেচার ইনডেক্স র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়ন প্ল্যাটফর্ম ‘নেচার ইনডেক্স ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিংয়ে’ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)।

সামগ্রিকভাবে দেশের সব গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইইউবির অবস্থান পঞ্চম এবং দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আইইউবি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান (ফিজিক্যাল সায়েন্সেস) গবেষণার ক্ষেত্রেও এই র‌্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইইউবি।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত মানসম্মত গবেষণা প্রবন্ধের ওপর ভিত্তি করে এই বিখ্যাত বৈশ্বিক র‌্যাংকিং তৈরি করা হয়। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাকর্মের ওপর ভিত্তি করে এবারের মূল্যায়নটি করা হয়েছে। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় মোট চারটি গবেষণা প্রবন্ধ থেকে আইইউবির নেচার ইনডেক্স শেয়ার স্কোর দাঁড়িয়েছে ০.৬৩।

আইইউবির সেন্টার ফর কম্পিউটেশনাল অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সেসের (সিসিডিএস) কম্পিউটেশনাল ফিজিক্স উইংয়ের পরিচালক ও ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জুয়েল কুমার ঘোষের দুটি গবেষণা প্রবন্ধ এবারের র‌্যাকিংয়ে ভূমিকা রেখেছে। 

প্রবন্ধ দুটি হলো ‘স্কেল উইদাউট কনফর্মাল সিমেট্রি ইন হাইড্রোডায়নামিক্স’ এবং ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক ইকুইলিব্রিয়াম ইন মাল্টি-ওয়েইল সেমিমেটালস’। এগুলো প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে ইউরোপিয়ান ফিজিকেল জার্নাল সি এবং জার্নাল অফ হাই এনার্জি ফিজিক্সে।
এছাড়া আইইউবির সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকসের (কাসা) সহযোগী সদস্য ড. আনোয়ার জামান সজীব “অ্যান অ্যাকিউরেট মেজারমেন্ট অফ দা স্পেকট্রাল রেজোলিউশন অফ দা জেডব্লিউএসটি নিয়ার ইনফ্রারেড স্পেক্টোগ্রাফ” শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধটিও এই র্যাংকিংয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। এটি প্রকাশিত হয়েছিলো অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রফিজিক্স সাময়িকীতে।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, অর্থবহ বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিবেশ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অনুসন্ধানভিত্তিক গবেষণা সংস্কৃতি প্রয়োজন। আইইউবি গত কয়েক বছরে সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতার ক্রমবর্ধমান পরিপক্বতার প্রতিফলন।

আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড বলেন, নেচার ইনডেক্স বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বিশ্বের স্বীকৃত শীর্ষ বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাকে মূল্যায়ন করে। এই র‌্যাংকিংয়ে আইইউবির অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতা ও মানকে তুলে ধরেছে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা নেচার ইনডেক্সকে উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক গবেষণা মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নেচার, সায়েন্স, নেচার ফিজিক্স, দা ল্যানসেট, সেল, জার্নাল অফ হাই এনার্জি ফিজিক্স এবং অ্যাস্ট্রোনমি ও অ্যাস্ট্রফিজিক্স-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ এই সূচকে বিবেচনায় নেওয়া হয়।

বেরোবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
বেরোবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
ছবি: খবরের কাগজ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে শনিবার (৩০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য দোয়া করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাসুদ রানা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া ও মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও জনগণের কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

দোয়া মাহফিল শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে তবারক বিতরণ করেন।

গাজী আজম/আমান