জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সংগীত বিভাগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিভাগে এবার আসনের তুলনায় পর্যাপ্ত ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিতভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগে মোট আসন সংখ্যা ৮০ টি। এবছর দুটি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে সংগীত বিভাগে আবেদন করে ৩৬০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০৯ জন শিক্ষার্থী। তবে শেষ পর্যন্ত ন্যূনতম পাশ মার্ক তুলে সংগীত বিভাগে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে ৭৪ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ কৃতকার্য সকল শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও আসন ফাঁকা থাকবে ৬টি।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, এ বছর আসন সংখ্যার তুলনায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় সব আসন পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবহারিক পরীক্ষায় যারা প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও মানদণ্ড পূরণ করতে পেরেছে, কেবল তারাই উত্তীর্ণ হয়েছে। শুধুমাত্র আসন পূরণের জন্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে, এমন শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন হলে কিছু আসন ফাঁকা রেখেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক দেবশ্রী দোলন বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯ ও ২০ মে। আর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী বেশি থাকায় ১৭, ১৮ ও ১৯ মে তিনদিন ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ব্যবহারিক পরীক্ষায় উভয় প্রতিষ্ঠানের বহিঃস্থ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। যারা সংগীত বিষয়ে সত্যিকারের আগ্রহ ও দক্ষতার পরিচয় দিতে পেরেছেন, তারাই উত্তীর্ণ হয়ে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ কারণে আসন সংখ্যা পূরণ না হলেও উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়েই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
উল্লেখ্য, এবছর সংগীত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন প্রাচী চাকী, যার গুচ্ছ ভর্তি রোল ৩১১৩৯০। এছাড়াও দ্বিতীয় হন সুদীপ্ত বিশ্বাস অর্ণব (গুচ্ছ ভর্তি রোল ৩০৩৪৪৩) এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন প্রথমা রায় (গুচ্ছ ভর্তি রোল ৩৬২৪৯৫)।
মো. তাসনিম হক রাফি/অন্তরা