ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত নগরীর কোলাহলমুক্ত সবুজ উদ্যান রমনা নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি
Nagad desktop

জবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০, স্থগিত নির্বাচন

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
জবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষে  সাংবাদিকসহ আহত ১০, স্থগিত নির্বাচন
ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়েছে সংগঠনের দুই গ্রুপের সদস্যরা। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলের একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন শাখা ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির। সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় স্থগিত করা হয়েছে নির্বাচন। 

 বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) অবকাশ ভবনের ৩য় তলায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জবি প্রতিনিধি মাহামুদুর রহমান নাজিদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জবি প্রতিনিধি মাহির মিলন, প্রথম আলোর জবি প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, কালের কন্ঠের জবি প্রতিনিধি  জুনায়েদ শেখ, যুগান্তরের জবি প্রতিনিধি সাকেরুল ইসলাম, সময়ের আলোর জবি প্রতিনিধি মুশফিকুর রহমান ইমনসহ শাখা ছাত্রঅধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব, শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফও আহত হয়েছেন বলে তারা দাবি করেছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক সাকেরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজকে সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের দিন ধার্য ছিল। এর মধ্যে বেলা পৌনে একটার দিকে ছাত্রদলের সুপার ফাইভের নেতৃত্বে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে প্রবেশ করে হামলা চালায় কিছু বহিরাগত। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্ব থেকে ছাত্রলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সহ প্রশাসনের উপর চাপ দিয়ে আসছিল, যাতে সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।

সাংবাদিকদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনটি। শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল এ বিষয়ে বলেন, ‘৫ই আগস্টের পর আমরা একটা নিরপেক্ষ দেশ পেয়েছি, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা চাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিটি সাংবাদিক সংগঠন নিরপেক্ষতা বজায় রেখেই চলবে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করতে পাই একটা গোষ্ঠী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কে তাদের পক্ষে নিতে নিয়মবহির্ভূত ভাবে কারো সাথে কোন আলোচনা না করে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে। আমরা চাই সাংবাদিকদের সংগঠন সাংবাদিকরাই নেতৃত্ব দিবে, এখানে আমাদের কোন দায়িত্ব নেই। তবে আমরা চাই এটা যাতে কারো পক্ষপাতিত্ব না হয় এজন্য আমরা ভিসি স্যার, প্রক্টর স্যার নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি তারা যেন সবার সাথে আলোচনা করে তারপর একটা নিরপেক্ষ তফসিল ঘোষণা করে।’

এ দিকে শাখা ছাত্রশিবির সাধারণ সম্পাদক ও জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ এ বিষয়ে বলেন, ‘জকসুর একটি পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন ছিলো। সংবাদ সম্মেলন শেষে জকসুর অফিসে থাকা অবস্থায় অবকাশ ভবনের উপরতলা থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে সেখানে গিয়ে মারামারির ঘটনা দেখতে পাই। জকসুর প্রতিনিধি হিসেবে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করি, একেবারে শেষ সময় আমার বাম হাতে আঘাত লাগে।’

তিনি আরোও বলেন, ‘জকসুর জিএস বা শিবিরের নেতৃত্ব হামলার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা একেবারেই মিথ্যা ও দায় দেয়ার সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ। জকসুর জিএসের হাতে লাঠি এরকম অভিযোগও আসছে, যা পরিপূর্ণ ভিত্তিহীন। এই ঘটনার সব ভিডিও ফুটেজ সবার কাছেই রয়েছে। সেগুলো দেখলেই ঘটনা স্পষ্ট হবে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে সত্যতা তুলে ধরা হবে।’

সংঘর্ষের বিষয়ে জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান হাসান রাব্বি বলেন, ‘পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আমরা বৃত্তির জন্য আন্দোলন করছিলাম। হঠাৎ করে সাংবাদিক সমিতির দুই গ্রুপের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আমরা বেশ কিছুক্ষণ পর ভিসি স্যারের কাছে গিয়ে এ বিষয়ে অবগত করি এবং স্যারের মধ্যস্থতায় এটি সমাধানের অনুরোধ করি। যেহেতু  আমরা অবস্থান কর্মসূচি করছিলাম তাই সরাসরি সেখানে গেলে আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে আন্দোলন ভিন্ন দিকে ত্বরান্বিত করতে পারে তাই আমরা যাইনি। এরপর প্রক্টর স্যার সেখানে যাওয়ার পর একেএম রাকিব সেখানে যায় এবং সবাইকে নামিয়ে আনে।’

এদিকে ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, ‘আমরা সবসময় ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ চাই। সমাজিক ও সাংবাদিক সংগঠন গুলো রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে এই প্রত্যাশা করি।’

এ বিষয়ে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমরান হুসাইন বলেন, গত ২ মার্চ সাংবাদিক সমিতির ২০২৬ সেশনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নিয়মতান্ত্রিক উপায়েই আজ মনোনয়ন সংগ্রহের দিন ছিল। কিন্তু গতকাল রাত থেকেই ছাত্রদলের বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আজ স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছিল। এরই মধ্যে ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মীরা এসে সমিতিতে অবস্থানরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। বর্তমানে আমাদের ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে।

‎উল্লেখ্য, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ২ মার্চ। তফসিল অনুযায়ী আজ মনোনয়ন সংগ্রহ ও প্রত্যাহার এবং আগামী ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

এসএন/

শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব
কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ড. আহমেদ নাজমুস সাকিব। ছবি : সংগৃহীত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থী ড. আহমেদ নাজমুস সাকিব যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানিপ্রতিষ্ঠান ডিটিই এনার্জির সিনিয়র প্রকৌশলী পদে যোগদান করেছেন। 

এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান। বহির্বিশ্বে ড. সাকিবের কর্মদক্ষতা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্ষমতার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাকিব যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ খাতের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান ডিটিই এনার্জির বিদ্যুৎ, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি লাখো গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তির উন্নয়নেও কাজ করছে।

এমন একটি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র প্রকৌশলী হিসেবে ড. সাকিবের যোগদান তার দক্ষতা ও গবেষণা সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বহন করে।

শাবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগ থেকে একাডেমিক ভিত্তি গড়ে তোলা ড. সাকিব শুরু থেকেই গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অর্জিত জ্ঞান, গবেষণাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছেন। 

তার পদায়নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ প্রকৌশলীদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ড. আহমেদ নাজমুস সাকিবের এই সাফল্য বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

ইসফাক আলী/আজহার

গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা
ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্যবহারিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রকৌশল শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে আধুনিক ল্যাবরেটরি, ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বা Outcome-Based Education (OBE), ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, গবেষণামুখী পরিবেশ এবং শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রকৌশল শিক্ষায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের বিষয় টিকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৫টিরও বেশি আধুনিক ও সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি রয়েছে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্সসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ল্যাব কার্যক্রম, প্রজেক্ট ডিজাইন, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি সমন্বিত ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লাইভ ক্লাস, লেকচার, অ্যাসাইনমেন্ট, একাডেমিক মূল্যায়ন, আলোচনা ফোরাম এবং অন্যান্য শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে। পাশাপাশি সমৃদ্ধ ই-লাইব্রেরির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নাল, ই-বুক ও একাডেমিক প্রকাশনায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শিক্ষা যুগোপযোগী কারিকুলামের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Outcome-Based Education (OBE) কাঠামোর আলোকে পরিচালিত হয়। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নয়, বরং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণার সামর্থ্য এবং পেশাগত প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

IQAC-এর মাধ্যমে নিয়মিত একাডেমিক অডিট, পাঠদান পদ্ধতির মূল্যায়ন এবং ধারাবাহিক মানোন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে IQAC বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি হলো এর দক্ষ ও গবেষণামুখী শিক্ষকবৃন্দ। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ জনের বেশি অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন পূর্ণকালীন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক ও গবেষক কর্মরত আছেন। তাঁদের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে গবেষণা কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান, গবেষণা অনুদান বা Research Grant বরাদ্দ এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে। শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, জার্নাল প্রকাশনা, সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও তহবিল প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে গবেষণামুখী শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরাও গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

শিল্প-সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১০০টিরও বেশি সমঝোতা স্মারক বা MoU স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কনসালটিং ফার্ম, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, সফটওয়্যার কোম্পানি এবং প্রযুক্তি খাতে
ইন্টার্নশিপ ও প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে।

নিয়মিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট, টেকনিক্যাল প্রতিযোগিতা এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র- উপযোগী দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করা হয়।

কর্মজীবী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ একাডেমিক ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে শুক্রবার ও শনিবার তাত্ত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ল্যাব ক্লাস পরিচালনা করা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হয়।

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। WURI Ranking 2026-এ বিশ্বের উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৩৩তম স্থান এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৪র্থ অবস্থান অর্জন করেছে।

পাশাপাশি Financial Impact-Driven Technology Transfer (C8) ক্যাটাগরিতে ৭ম, Digital and AI Transformation in Strategy and Management (B3) ক্যাটাগরিতে ৮ম, Funding for Sustainability (B5) ক্যাটাগরিতে ১৫তম, Future-Oriented Responses to Global Uncertainty and
Geopolitical Risk (A7) ক্যাটাগরিতে ২১তম এবং Industrial Application (A3) ক্যাটাগরিতে ২৪তম স্থান অর্জন করেছে। একইভাবে QS Asia University Rankings 2026 এবং UI GreenMetric World University Rankings 2025-এও বিশ্ববিদ্যালয়টির অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতি বহন করে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম, গবেষণামুখী শিক্ষা, শিল্প-একাডেমিক সহযোগিতা এবং দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে জাতীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে সক্ষম প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরির লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ওমানবসম্পদ বিকাশেও বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

বিজ্ঞপ্তি

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (চটঅঅ)-এর উদ্যোগে প্রাইম ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৩য় পুনর্মিলনী-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টায় এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এই পুনর্মিলনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ব্যাচের বিপুল সংখ্যক অ্যালামনাই অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহমুদ হাসান নিসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আবু সালেহ, ইইই বিভাগ, প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী দীন মোহাম্মদ খসরু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর সাহাবুদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, মামুন সোবহান, সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টি, ফিরোজ মাহমুদ হোসাইন, সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এবং প্রফেসর ড. আবদুর রহমান, উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (চটঅঅ) এর সভাপতি এস. এম. মেহেদী আকরাম। এ উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তারা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যালামনাইদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

এছাড়াও খোন্দকার হাসানুজ্জামান, আহ্বায়ক, ৩য় পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটি, গোলাম সারোয়ার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (চটঅঅ) এবং বিভিন্ন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তারা এ ধরনের আয়োজনকে অ্যালামনাইদের পারস্পরিক যোগাযোগ, পেশাগত নেটওয়ার্কিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল অ্যালামনাইদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‌্যাফেল ড্র, সম্মাননা প্রদান এবং প্রীতিভোজ। এছাড়া জনপ্রিয় ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানে যোগ হয় এক বিশেষ মাত্রা। সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেয় প্রাইম ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক দল, কারার সুফি ব্যান্ড, দাগ ব্যান্ডসহ দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা।

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, এ পুনর্মিলনী অ্যালামনাইদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাদের সম্পৃক্ততা ও অবদানকে আরও গতিশীল করবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অ্যালামনাই, অতিথি, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

অন্তরা/

অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস আমন্ত্রণে শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণে ১৪ দিনের সফরে বেরোবি উপাচার্য

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস আমন্ত্রণে শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণে ১৪ দিনের সফরে বেরোবি উপাচার্য
ছবি: খবরের কাগজ

অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্যে ১৪ দিনের সফরে যাচ্ছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

জানা যায়, আগামী ১৪ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত এই সফর চলবে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ (ডিএফএটি)-এর অর্থায়ন ও উদ্যোগে আয়োজিত ‘অস্ট্রেলিয়ান প্রফেশনাল অপরচুনিটি’ (এপিও) প্রোগ্রামের অধীনে 'অস্ট্রেলিয়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসকদের শিক্ষা সফর'-এ অংশগ্রহণের জন্য ‘অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ’ কর্তৃক তিনি নির্বাচিত হন।

এই সফরে বেরোবি উপাচার্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের আরও সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সফরকালে প্রতিনিধিদল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, ডেকিন বিশ্ববিদ্যালয়, মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (ইউএনএসডব্লিউ) সিডনি এবং ইউনিভার্সিটি অব উলংগং পরিদর্শন করবেন।

এছাড়া তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণা সহযোগিতা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প–একাডেমিক সংযোগ বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য সুপরিচিত। এই শিক্ষা সফরের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, গবেষণা সহযোগিতা, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হবে। আশা করি, এ সফর থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গাজী আজম/তামান্না রুপা/

জাকসু ভিপি ও জিএস: ছাত্রত্ব শেষে পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
জাকসু ভিপি ও জিএস: ছাত্রত্ব শেষে পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্ক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি (সহসভাপতি) আব্দুর রশিদ জিতু ও জিএস মাজহারুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি (সহসভাপতি) আব্দুর রশিদ জিতু ও জিএস মাজহারুল ইসলামের নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পরও পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হলে জাকসুর পদ ছাড়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা নেই বলে দাবি করেছেন তারা।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ডিগ্রি অর্ডিন্যান্সের ৬.১ ধারায় বলা আছে, মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ব্যর্থ হলে বা উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না। এ ছাড়া বিভাগীয় সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে একবার অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়মিত ছাত্রত্ব থাকে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি নিয়মিত মাস্টার্স ২০২২-এ একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুসারে নিয়মিত মাস্টার্সে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বৈধ ভোটার হিসেবে বিবেচিত হন।

তবে নিয়মিত মাস্টার্সের ২০২৩ (৪৮তম ব্যাচ) পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সেই হিসাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রত্বের বৈধতা হারিয়েছেন জাকসু ভিপি জিতু।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানা জানান, জিতু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার মাস্টার্সের একটি কোর্সের পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাকে বিধি অনুসারে বিশেষ পরীক্ষা দিতে হবে।

অন্যদিকে, জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের থিসিস গ্রুপের শিক্ষার্থী। তবে তিনি একবছর ড্রপ দেওয়ায় গত মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের সঙ্গে থিসিস জমা দিয়ে ছাত্রত্ব শেষ করেন।

বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রায়হান শরীফ বলেন, ‘জাকসুর জিএস মাজহার তার একাডেমিক কার্যক্রম শেষ করেছেন। তবে ফল প্রকাশ বাকি রয়েছে।’

জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘জাকসুর সদস্য হওয়ার নীতিমালা সুস্পষ্ট থাকলেও নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষে পদ ছাড়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। তবে আমি নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী কার্যনির্বাহী সভায় নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর পদত্যাগের বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব আনা হবে।’

ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘জাকসুর কারা প্রার্থী হতে পারবে তা উল্লেখ থাকলেও কারও ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেলে কী হবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। যেহেতু গঠনতন্ত্রে সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই, তাই পদে থাকা না থাকা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।’

নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩-এ পরীক্ষায় অংশ নেননি জানিয়ে জিতু বলেন, ‘আমি নিয়মিত শিক্ষার্থী না হলেও অনিয়মিত হিসেবে এখনো আমার শিক্ষাজীবন আছে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’