ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস কর্মসংস্থানকে প্রধান অগ্রাধিকার বরাদ্দ কমিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে উচ্চাভিলাষ! বাজেটে দুদকের বরাদ্দ বাড়েনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সাহসী রোডম্যাপ জুয়ার পূর্বাভাস, ভাঙতে পারে সব রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে ১২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল নতুন বাজেট পুঁজিবাজারকে আস্থায় আনতে নানা পদক্ষেপ ১২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ইস্পাত রক্ষণ প্রাণে আলমিরন ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য স্বাগতিকের চোখে স্বপ্ন, প্যারাগুয়ের চোখে চমক শেষটায় মেসি-রোনালদোর প্রথম দ্বৈরথ দেখা যাবে? নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আজ আশার প্রদীপ ডেভিড
Nagad desktop

বনানী সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভসের সামাজিক সচেতনতা কর্মসূচি

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:১৩ পিএম
বনানী সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভসের সামাজিক সচেতনতা কর্মসূচি
বনানী সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভসের আয়োজনে ও বনানী সোসাইটির সহযোগিতায় সামাজিক সচেতনতা প্রচারাভিযান ‘হর্ন বাজাবেন না’ শুরু হয়েছে। ছবি : বিজ্ঞপ্তি

বনানী এলাকায় শব্দদূষণমুক্ত, সুন্দর ও শান্তিময় পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে বনানী সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভসের আয়োজনে ও বনানী সোসাইটির সহযোগিতায় সামাজিক সচেতনতা প্রচারাভিযান ‘হর্ন বাজাবেন না’ শুরু হয়েছে। 

এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো, অহেতুক হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকার জন্য জনসাধারণের মধ্যে সচেতন বৃদ্ধি করা।

এই লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবীরা ‘নো হর্ন’ লেখা বিভিন্ন রকমের সচেতনতামূলক স্টিকার, প্ল্যাকার্ড ইত্যাদি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন; চালকদের অহেতুক হর্ন বাজানোর অভ্যাস পরিবর্তন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, রিকশা, গাড়ি থেকে শুরু করে বনানীর প্রায় প্রতিটি যানবাহনেই পরিবর্তনের স্টিকার দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপনী সংস্থা এক্সপ্রেশানস্ লিমিটেডের পরিচালক, বিজ্ঞাপন নির্মাতা, বনানী সোশ্যালের অন্যতম উদ্যোক্তা ও বনানী সোসাইটির সদস্য আপন আহসান বলেন, “বাংলাদেশ ২.০-তে বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিটি সেক্টরকে সমৃদ্ধ করে গড়তে সরকারি, বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজন। চলমান অনেক সমস্যার মধ্যে শব্দদূষণ অন্যতম। শব্দদূষণ প্রতিরোধে ‘হর্ন বাজাবেন না’ উদ্যোগটি এখন সময়ের দাবি। রাস্তায় বের হলেই দেখা যায় হর্ন বজানোর প্রতিযোগিতা, ফুল স্পিডে গাড়ি চালানোর সময় হর্ন, সিগন্যালে থাকা অবস্থায় হর্ন, সিগন্যাল ছাড়ার পরেও মোটরসাইকেল, বাস, প্রাইভেটকার, পিকআপভ্যান, সিএনজিসহ চালকরা একযোগে হর্ন বাজাতে শুরু করেন। লক্ষ্য একটাই কে কাকে ওভারটেক করে এগিয়ে যাবেন।” 

তিনি আরও বলেন, ‘হর্নের আওয়াজ শুধু বিরক্তিকর নয়, আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। হর্নের উচ্চ আওয়াজকে অনেক সময় তুচ্ছ মনে হতে পারে কিন্তু এটি একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা শ্রবণ শক্তির ক্ষতি, ঘুমের ব্যাঘাত এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। অপ্রয়োজনীয় হর্নের শব্দ আমাদের হার্টের সমস্যা, কানে কম শোনা, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাবে কাজ করার ক্ষমতা কমানোসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। এই প্রচারাভিযান শুধু হর্নের আওয়াজ কমানোর জন্য নয়, এটি একটি সুস্থ ও সুখী কমিউনিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি।’

বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূইয়া দিলন জানান, ‘হর্ন বাজাবেন না’ প্রচারাভিযানের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা বনানী এলাকার বাড়ি, অফিস ভবন এবং তার চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান করছেন। বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা, বনানী সোসাইটির সদস্য এবং বনানীর বাসিন্দারা প্রচারাভিযানের উদ্বোধনে অংশ নেন।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন
আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আব্দুল মোনেম ২০২০ সালের ৩১ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

দেশের অবকাঠামো নির্মাণে তার প্রতিষ্ঠান অনন্য অবদান রেখেছে। নির্মাণ খাতের পাশাপাশি তিনি খাদ্য, পানীয় এবং ওষুধ শিল্পের মতো বিভিন্ন খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন।

পেশায় প্রকৌশলী আব্দুল মোনেম ১৯৩৭ সালের ৫ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। এই দূরদর্শী উদ্যোক্তা ১৯৫৬ সালে আব্দুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) প্রতিষ্ঠা করেন।

বিজ্ঞপ্তি/

ইউসিবির মূলধন দ্বিগুণ, ৪৩তম এজিএম সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ইউসিবির মূলধন দ্বিগুণ, ৪৩তম এজিএম সম্পন্ন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদনে ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও পুঁজিভিত্তি আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ৯টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত এজিএমে সভাপতিত্ব করেন ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শরীফ জহীর। 

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ভাইস-চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন, পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো. তানভীর খান, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ইমাম হাসান এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও ফারুক আহাম্মদ, এফসিএ।

সভায় জানানো হয়, নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫ সালে ইউসিবি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এই সময়ে ব্যাংকটি তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশ আমানত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের গড় প্রবৃদ্ধির (১১ শতাংশ) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর ফলে ব্যাংকের মোট আমানত প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৮,৩৯৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয় এবং একই সময়ে প্রায় ৬ লাখ ৭৮ হাজার নতুন গ্রাহক হিসাব যুক্ত হয়।

দক্ষ ব্যালেন্স শিট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যাংকটি তার ঋণ-আমানত অনুপাত ৯১.৩ শতাংশ থেকে ৮৩ শতাংশে নামিয়ে এনে তারল্য অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে। ঋণ ও অগ্রিম খাতে ৮ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি খেলাপি বা রাইট-অফ ঋণ থেকে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় তিনগুণ। নতুন নিয়ন্ত্রক নীতিমালার কারণে এক পর্যায়ে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১৯ শতাংশে পৌঁছালেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের বিশেষ তৎপরতায় তা প্রায় ৪ শতাংশ কমিয়ে ১৫.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

ইসলামি ব্যাংকিং কার্যক্রমেও অসাধারণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যেখানে আমানত ১৬৩ শতাংশ এবং বিনিয়োগ ১৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ইউসিবির এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রথমবারের মতো মুনাফার মুখ দেখেছে এবং সুশৃঙ্খল ব্যয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অন্যান্য পরিচালন ব্যয় প্রায় ৯৭ কোটি টাকা হ্রাস করা হয়েছে। মাত্র ৩ শতাংশ জনবল বৃদ্ধি করেই এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত খাতে দেশের প্রথম মাইক্রোসার্ভিসভিত্তিক ‘ওপেন এপিআই ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম’ এবং ইউসিবি ওয়ান অ্যাপ চালুর মাধ্যমে ইউসিবি তার ডিজিটাল সক্ষমতা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যার ফলে বর্তমানে ব্যাংকের মোট লেনদেনের প্রায় ৬৫ শতাংশই ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে।
সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ইউসিবির সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। 

সভা শেষে কোম্পানি সেক্রেটারি তানভীর এ সিদ্দিকী এফসিএ শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পরে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

অন্তরা/

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা
জাকিয়া সুলতানা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক বা পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাকিয়া সুলতানা।

বুধবার (১০ জুন) প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিয়োগটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন জাকিয়া সুলতানা। অন্যদিকে মাস্টারকার্ডে দীর্ঘ ১৩ বছরের দায়িত্ব পালন শেষে সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাচ্ছেন।

গত এক দশকের বেশি সময় তিনি বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দেশের ডিজিটাল পেমেন্টস ইকোসিস্টেমের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। তার সেই অবদানের ভিত্তিতেই মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম ও অংশীদারত্বের পরবর্তী ধাপকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন জাকিয়া।

২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডের সঙ্গে কাজ করে আসছেন জাকিয়া সুলতানা। সর্বশেষ মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার সহযোগিতায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবসা সম্প্রসারণসংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি এবং অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছে।

নতুন দায়িত্বে জাকিয়া সুলতানা বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন। ডিজিটাল পেমেন্টসের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করা, গ্রাহক ও ইকোসিস্টেম অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংযুক্ত পেমেন্টস পরিবেশ গড়ে তোলা হবে তার অগ্রাধিকার। তিনি বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদাকে রিপোর্ট করবেন।

মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়া ডিভিশন প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, ‘দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনী পেমেন্ট সল্যুশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে বাংলাদেশ মাস্টারকার্ডের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ সম্ভাবনাময় একটি বাজার। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। জাকিয়া সুলতানার নিয়োগ উচ্চ সম্ভাবনাময় বাজারগুলোয় স্থানীয় নেতৃত্বকে আরও ক্ষমতায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান এবং শক্তিশালী ইকোসিস্টেম-ভিত্তিক সম্পর্ক আমাদের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং দেশজুড়ে অংশীদারত্ব আরো গভীর করতে সহায়ক হবে।’

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন একটি সময়ে এ দায়িত্ব নিতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের গ্রাহক, অংশীদার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করে আমরা নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধান প্রদান অব্যাহত রাখব, যা দেশের ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, টেলিযোগাযোগ, আর্থিক সেবা এবং বৃহৎ পরিসরের রূপান্তরমূলক কর্মসূচিতে জাকিয়া সুলতানার ২৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু করা, দ্রুত বর্ধনশীল কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ও পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন খাতে তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বিকাশমান পেমেন্টস ইকোসিস্টেমে আরও গভীর সহযোগিতা ও সমন্বয় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাকিয়া সুলতানা কর্মজীবন শুরু করেন গ্রামীণফোনে প্রজেক্ট অ্যান্ড চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে। পরবর্তীতে প্রায় এক দশক এয়ারটেলে হেড অব অপারেশনাল এক্সেলেন্স (পিএমও ও কিউএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বাংলালিংকের ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন এবং এয়ারটেল ও বাংলালিংক উভয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব ও বোর্ড-পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি এইচএসবিসিসহ শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

অন্তরা/

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:০৮ এএম
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সামার ২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করেছে। এই উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) ২০২৬ মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমনওয়েলথভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংগঠন দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (এসিইউ) এর সেক্রেটারি জেনারেল ও সিইও কলিন রিওর্ডান সিবিই। তিনি চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে এসেছেন।

নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আগে কলিন রিওর্ডান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও এএসিইউ আয়োজিত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি আলোচনায় অংশ নেন। তিনি এতে একটি প্রেজেন্টেশন দেন। এই আলোচনায় দেশের এএসিইউর সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা ছাড়াও সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়ে আগ্রহী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৪ জন উপাচার্যসহ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কলিন রিওর্ডান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জীবনটা মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুন্দর সময়গুলোর একটি। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা জীবনের নানা দিক সম্পর্কে জানতে পারে এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করে আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই গড়ে ওঠে আজীবনের বন্ধুত্ব।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের নিজের বিচারবোধের ওপর আস্থা রাখতে হবে। মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শুনতে হবে কারণ এতে নতুন কিছু শেখা যায়। তিনি সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এগুলো এমন গুণ যা মানুষ পছন্দ করে এবং আমাদের অন্যের থেকে আলাদা করে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, পৃথিবী এখন খুব প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সময়মতো স্নাতক শেষ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, স্নাতক শেষ করার পর প্রথম বছরে ৪০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট কোথাও চাকরি পায় না।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা শুধু নিজের জন্য বাঁচি না। একা একা আমাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব না। সমাজের অংশ হলেই আমরা নিজের পরিচয় খুঁজে পাই। তিনি বলেন, এটাই হলো আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য। পৃথিবীর জন্য কিছু করা। সমাজের জন্য কিছু করা।

প্রফেসর আনোয়ার শিক্ষার্থীদের তাদের নিজের বাবা-মায়ের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আপনাদের এই জায়গায় পৌঁছে দিতে আপনাদের পিতামাতা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এখন আপনাদের ভাবতে হবে, আপনারা কীভাবে তাদের সেই ত্যাগের প্রতিদান দেবেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে বলেন। তিনি তাদের কৌতূহলী হতে, কঠোর পরিশ্রম করতে ও অন্যের সেবা করার মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের সক্ষমতাকে কখনো ছোট করে না দেখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে চারজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন অর্জনের পুরস্কার হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন প্রফেসর কলিন রিওর্ডান, প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।

সম্মাননা পাওয়া ঋষিন তালুকদার ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। গত এপ্রিলে নটরডেম কলেজে আয়োজিত একটি দাবা প্রতিযোগিতায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন।

ফারহাত মাইশা আরপা আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি উপকূলীয় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

জিয়া মোহাম্মদ সায়েফ উল্লাহ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি একটি গ্রামীণ পানি বিশুদ্ধকরণ ব্যবস্থা উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন। নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটি একটি ইনকিউবেশন প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়।

সম্মাননা পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী সমর্পিতা সাহা ছোঁয়া। তিনি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি প্যাড উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন। এই উদ্যোগটি একটি প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়।

অনুষ্ঠানে অডিওভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইতিহাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের শিক্ষাদর্শন তুলে ধরা হয়। রেসিডেন্সিয়াল সেমিস্টার, বিভিন্ন ক্লাব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন প্রফেসর সামিয়া হক এবং প্রক্টর ড. রুবানা আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্টুডেন্ট লাইফের এডিশনাল ডিরেক্টর ও হেড তাহসিনা রহমান। কালচারাল ক্লাবের সদস্যরা অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে গান পরিবেশন করে ব্যান্ড সহজিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক, অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার, ইংলিশ অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের চেয়ারপারসন প্রফেসর ফিরদৌস আজিম, ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাথমেটিকস অ্যান্ড ফিজিকাল সায়েন্সেস এর চেয়ারপারসন ফিরোজ হাসানুল হক, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারপারসন শারমিন্দ নীলোৎপল, বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন ইফতেখার বিন নাসের, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারপারসন নাদিয়া সুলতানা দীন, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের ডিরেক্টর প্রফেসর শায়লা সুলতানাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আমান/

এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (এনআইএলএস) চ্যাপ্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আন্তর্জাতিক এই আইন শিক্ষার্থী সংগঠনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

বুধবার (৩ জুন) এআইইউবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত এনআইএলএস চ্যাপ্টারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ‘ফ্রম লিগ্যাল রিসার্চ টু পাবলিকেশন : এ প্র্যাকটিক্যাল ওয়ার্কশপ অন অ্যাকাডেমিক রাইটিং অ্যান্ড জার্নাল পাবলিকেশন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইন গবেষণা, অ্যাকাডেমিক লেখালেখি এবং জার্নালে প্রকাশনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. সাইফুল ইসলাম, ড. তাজুল ইসলাম, ড. তাসলিমা মনসুর, ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম খান, ড. এস. এ. এম. মনজুর এইচ. খান এবং আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. রোবায়েত ফারদৌস সাঈদ। এ ছাড়া আইন বিভাগের শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা রোস্তমা বেগম চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইন বিভাগের প্রভাষক ও চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মো. মুহতাসিম ফায়াজ।

পরে অধ্যাপক ড. রোবায়েত ফারদৌস সাঈদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গবেষণাধর্মী লেখা প্রস্তুত, জার্নাল নির্বাচন এবং প্রকাশনার কৌশল সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা লাভ করেন।

আয়োজকরা জানান, নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (এনআইএলএস) একটি স্বাধীন, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা বিশ্বব্যাপী আইন শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত। এআইইউবিতে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং পেশাগত বিকাশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্তরা/