ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক
Nagad desktop

মুরগির খামারিদের মুনাফা নিশ্চিত করে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৭ পিএম
মুরগির খামারিদের মুনাফা নিশ্চিত করে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং
ছবি : সংগৃহীত

চুক্তিভিত্তিক প্রান্তিক ব্রয়লার খামারে মুরগির উৎপাদন ব্যয় কম হয়। ফলে খামারি এবং ভোক্তা উভয়ে লাভবান হন। বাড়তি উৎপাদন হয়, উৎপাদন খরচ কমে যায়। ফলে খামারি বেশি মুনাফা পায় এবং ভোক্তাও কম দামে কিনতে পারেন। দেশের পোলট্রিশিল্প সংশ্লিষ্টরা এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।

পোলট্রিশিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক উদ্যোক্তা পোলট্রি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে মুরগির খামার পরিচালনা করছেন। এতে করে তারা কম খরচে বেশি মুরগি উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছেন। পাশাপাশি তারা কোম্পানির বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে খামার রক্ষা করতে পারছেন। সেই সঙ্গে ব্রয়লার মুরগির বাজার দরে অপ্রত্যাশিত পতনের ঝুঁকিরও দায় মুক্ত থাকতে পারছেন। 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ খাতের নানা প্রকাশনা থেকে দেখা যায় যে, উন্নত দেশ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, চীন, থাইল্যান্ড, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ার পোলট্রি কোম্পানিগুলো চুক্তিবদ্ধ ক্ষুদ্র খামারিদের মাধ্যমে মুরগি উৎপাদন করে। সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশের পোলট্রি খামারিরাও সে পথে হাঁটতে শুরু করেছে। ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় ডিলারদের মাধ্যমে কেনা এক দিন বয়সী মুরগির বাচ্চা লালন-পালনের পরিবর্তে খামারিরা সরাসরি বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে মুরগি উৎপাদনে স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন।

জানা যায়, পোলট্রি কোম্পানিগুলো প্রথমত, ব্রয়লার খামারের শেডসহ মুরগি লালন পালনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসহ (যেমন- ফিডার, ড্রিংকার, ব্রুডার) উপযুক্ত খামারিদের তালিকাভুক্ত করেন। এর পর চুক্তি অনুযায়ী কোম্পানিগুলো খামারিদের মুরগির বাচ্চা, ফিড এবং ওষুধ সরবরাহ করে। এর বাস্তবতা জানতে দেশের অন্যতম প্রধান পোলট্রি কোম্পানি কাজী ফার্মসের পরিচালক কাজী জাহিন হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এ প্রতিবেদককে তিনি জানান, ‘আমরা আমাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ খামারিদের বিনামূল্যে বাচ্চা, ফিড ও ওষুধ সরবরাহ করি। কোম্পানির এলাকাভিত্তিক কর্মকর্তারা চুক্তিভিত্তিক প্রতিটি খামারের রোগ-বালাই প্রতিরোধে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শসেবা দেন। এর পর নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে উৎপাদন সক্ষমতার ভিতিতে খামারিদের গ্রোয়িং চার্জ দেওয়া হয়। সাধারণের চেয়ে বেশি ওজনের মুরগি উৎপাদনকারী খামারিকে পুরস্কার হিসেবে বেশি গ্রোয়িং চার্জ দেওয়া হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে কাজী জাহিন বলেন, চুক্তিভিত্তিক ব্রয়লার খামার পরিচালনায় খামারিদের যেহেতু কোনো চলতি মূলধন লাগে না এবং রোগের কারণে কোনো মুরগি মারা গেলে তার দায়ভার কোম্পানির থাকে বিধায় খামারি কোনো পুঁজি হারায় না, সে কারণে ক্রমেই এ ব্যবস্থায় খামারিরা আকৃষ্ট হয়ে উঠছেন। 

পক্ষান্তরে মাঠ পর্যায়ে ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত ডিলার নির্ভর খামারিদের সঙ্গে যোগাযোগে জানা যায়, তারা কখনো কিছু মুনাফা করলেও তাদের লোকসানের পাল্লা ভাড়ি। এ ধরেনর অনেক খামারি লোকসানের মুখে পুঁজি হারিয়ে ঋণের দায় নিয়ে খামার বন্ধ করতে বাধ্য হন। বিভিন্ন কারণে ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন হ্রাস-বৃদ্ধি হয়। একইভাবে দামেও তারতম্য ঘটে। 

রাজধানীর নিকটবর্তী জেলা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গলদা পাড়ার ব্রয়লার খামারি জহিরুল ইসলাম (৩৫) বেসরকারি কোম্পানির চাকরি ছেড়ে নিজ বাড়ির আঙিনায় মুরগির খামার করেছেন। পাঁচ বছরের অভিজ্ঞ এ খামারি জানান, ‘প্রথমে স্থানীয় ডিলারের সঙ্গে খামার করে দুই বছরে ৮০ হাজার টাকা লোকসান গুনেছি। এর পর কাজী ফার্মসের সঙ্গে বিনিয়োগ ও ঝুঁকিবিহীন খামার করছি। প্রতি ব্যাচে (৩৫ দিন মেয়াদে) এক হাজার মুরগিতে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় পাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, জহিরুল জানান, ‘গত মধ্য মার্চেও প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি করেছি ১৩৬ টাকা দরে। যা গড় উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম। এতে আশপাশের ব্যক্তি পর্যায়ের খামারিরা বড় অঙ্কের লোকসান গুনলেও চুক্তি অনুযায়ী কাজী ফার্মস আমাকে নির্দিষ্ট হারে মুনাফা দিয়েছে।’

প্রায় অভিন্ন তথ্য-উপাত্য দিয়েছেন গলদা পাড়ার অপর চুক্তিভিত্তিক খামারি মো. সুমন (৩২)। প্রায় এক যুগের অভিজ্ঞ এই খামারি জানান, ‘নিকটস্থ কাশেমপুর বাজারের ডিলারের সঙ্গে খামার করে আড়াই লাখ টাকা গচ্চা দিয়েছি। এক ব্যাচে ১০ হাজার টাকা লাভ হলে পরের ব্যাচে ৫০ হাজার টাকা লোকসান গুনেছি। এভাবে বছর দুয়েকে পুঁজি হারিয়ে দেনা নিয়ে খামার ছেড়ে স্থানীয় গার্মেন্টসে চাকরি করেছি। পরে চুক্তিভিত্তিক খামারে নিশ্চিত লাভের খবরে কাজী ফার্মসের সঙ্গে খামার করে হাজার মুরগিতে ব্যাচান্তে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় পাচ্ছি। এখন বাচ্চা, ফিড, ওষুধ, চিকিৎসা এমনকি মুরগি বিক্রির চিন্তাও আমার নেই, সব কিছুই কোম্পানি করে। বিক্রির কয়েক দিনের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাভের টাকা জমা হয়ে যায়। 

ময়মনসিংহ জেলার ডুবাইলের বজলুল করিম (৬২) মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দফায় প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে এক দশক ধরে মুরগির খামার করছেন। থানা সংযোগ সড়কের পাশে উন্মুক্ত এলাকার শেডে হাজার মুরগির এই ব্রয়লার খামারি জানান, ‘প্রথম দিকে ডিলারের সঙ্গে লেয়ারের খামারে সুফল মেলেনি। পরে নিজে ব্রয়লার করেও সুবিধা হয়নি। ফলে গত দুই বছর কাজী কোম্পানির সঙ্গে ব্রয়লার খামারে ভাগ্য খুলেছে। এখন প্রতি ব্যাচে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা পাচ্ছি।’

এ প্রসঙ্গে নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনাগ্রহী পোলট্রি খামার বিশেষজ্ঞ মো. সুমন আলী জানান, অজ্ঞতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে অধিকাংশ স্বতন্ত্র পোলট্রি খামারি স্থানীয় ডিলারদের নিয়ন্ত্রণে খামার করে অধিকাংশ সময় লোকসান গুনছেন। তাদের উৎপাদন খরচ বেশি। মুরগি মৃত্যুর হারও বেশি। বেশিরভাগ সময় উপযুক্ত ওজন ও মেয়াদ শেষের আগে ডিলারদের চাপে মুরগি বিক্রি করতে বাধ্য হন। কখনো কখনো বাজারে বাড়তি চাহিদার কারণে ভালো দাম পেলেও খামারির হাতে তেমনটা পৌঁছে না। 

কাজী ফার্মস পরিচালক কাজী জাহিন হাসানের মতে, প্রন্তিক খামারিরা চুক্তভিত্তিক ব্রয়লার খামার করে অশাতীত উপকৃত হচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি কেন্দ্রীক স্বাধীন খামারিরা প্রকৃত অর্থে স্বাধীন নন, মূলত তারা সব সময় ডিলারদের কাছে ঋণী থাকেন। বাকিতে বাচ্চা ও ফিড নিয়ে করা খামারে রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটলে কিংবা ব্রয়লারের বাজার দরে পতন ঘটলে খামারিরা বড় ক্ষয়-ক্ষতির মুখে পড়েন। তার বিনিয়োগের সবটাই লোকসানে পরিণত হয়। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারিদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত। রোগাক্রমণে খামারের কিছু মুরগি মারা গেলেও যে পরিমাণ মুরগি বেঁচে থাকে তার ওপরে খামারি গ্রোয়িং চার্জ পেয়ে থাকেন। আবার ব্রয়লার মুরগির বাজার দর কম হলে সে ক্ষতিও পুরোটা কোম্পানি (কাজী ফার্মস) বহন করে, খামারি নয়। ফলে আমাদের খামারিরা সন্তুষ্ট। যদি কোনো কারণে সন্তষ্ট না হন তা হলে পরবর্তী ব্যাচ থেকে তারা স্বাধীন হতে পারেন, উল্লেখ করেন জাহিন হাসান।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন
ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স (টিএফএ) সফটওয়্যার উদ্বোধন

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি বৈদেশিক বাণ্যিজ্যের রিপোর্টিং ও মনিটরিং আরও উন্নত করার লক্ষ্যে ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স (টিএফএ) নামক একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে। 

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান। 

অনুষ্ঠানটি হাইব্রিড প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম, টিএফএ সফটওয়্যারের স্টিয়ারিং কমিটি এবং প্রজেক্ট বাস্তবায়ন টিমের সদস্যরা। 

এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিভাগ, অথোরাইজড ডিলার (এডি) শাখাসমূহ এবং সেন্ট্রাল ট্রেড প্রসেসিং সেন্টারের (সিটিপিসি) প্রতিনিধিরা অংশ নেন। 

নতুন চালু হওয়া এই টিএফএ সফটওয়্যারটি মার্কেন্টাইল ব্যাংককে তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যের রিপোর্টিং সহজতর করতে এবং পুরো নেটওয়ার্ক জুড়ে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে একটি উন্নত ও স্বয়ংক্রিয় কাঠামো প্রদান করবে। 

বিজ্ঞপ্তি/

শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২
শাওমি নিয়ে এলো ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে তাদের রেডমি প্যাড ২ উন্মোচন করেছে। ডিভাইসটি স্মুথ ভিউইং, সহজ বহনযোগ্যতা ও প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করবে। শিক্ষার্থী, ইয়াং প্রোফেশনালস, গেমার, কন্টেন্ট স্ট্রিমার ও বিনোদন পছন্দ করেন এমন ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম ফিচারসহ ট্যাবলেটটি নিয়ে আসা হয়েছে।

হাতে ধরার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক এই রেডমি প্যাড ২ এর ৯.৭ ইঞ্চি ডিভাইসটিতে ২কে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট রয়েছে, যা পড়াশোনা, স্ট্রিমিং ও ব্রাউজিংয়ের জন্য অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

ট্যাবলেটটিতে ৬০০ নিটস পর্যন্ত ব্রাইটনেস ব্যবহার করা হয়েছে, যা দিনের আলোতেও স্পষ্ট ভিজ্যুয়াল নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, দীর্ঘসময় ধরে চোখের জন্য স্বস্তিদায়ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে টিইউভি রেইনল্যান্ড-সার্টিফাইড আই কমফোর্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

রেডমি প্যাড ২-এ রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬এস ফোরজি জেন ২ প্রসেসর ও শাওমি হাইপারওএস ৩, যা ব্যবহারকারীদের জন্য মাল্টিটাস্কিং ও নিরবচ্ছিন্ন সফটওয়্যারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, ট্যাবলেটটির ইন্টারকানেক্টিভিটি ফিচার শাওমির অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও সাবলীল করবে।

বাইরে ব্যস্ত থাকেন এমন ব্যবহারকারীদের সারাদিন নিশ্চিন্ত রাখতে রেডমি প্যাড ২-এ ৭,৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। বড় ব্যাটারি হওয়ার পরও এটি মাত্র ৭.৪৪ মিলিমিটারের হালকা-পাতলা ও সহজে বহনযোগ্য।

এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমিতে আমরা প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করছি। রেডমি প্যাড ২ শিক্ষার্থী, ইয়ং প্রফেশনাল, কনটেন্ট স্ট্রিমার, ক্যাজুয়াল গেমার ও বিনোদন পছন্দ করেন এমন ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে; যারা প্রোডাক্টিভিটি ও বিনোদন দুই ক্ষেত্রেই একটি নির্ভরযোগ্য ডিভাইস চান। আমাদের বিশ্বাস, অনবদ্য ডিসপ্লে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ ও অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম রেডমি প্যাড ২ কিছু শেখা, কাজ করা বা বিনোদনের ক্ষেত্রে একটি আদর্শ ডিভাইস হয়ে উঠবে।”

গ্রাফাইট গ্রে ও সিলভার দুইটি অনন্য রঙে নিয়ে আসা হয়েছে রেডমি প্যাড ২। ভিন্ন ভিন্ন কানেক্টিভিটির চাহিদা পূরণে ওয়াইফাই ও ওয়াইফাই + সেলুলার দুইটি ভার্সনেই ডিভাইসটি পাওয়া যাচ্ছে। রেডমি প্যাড ২ এর ৯.৭ ইঞ্চি ফোরজির (৪+১২৮) মূল্য ২৪,৯৯৯ টাকা মাত্র ও রেডমি প্যাড ২ ৯.৭ ইঞ্চির (৪ + ১২৮) মূল্য ২১,৯৯৯ টাকা মাত্র। ডিভাইস দুইটি শাওমি বাংলাদেশের সকল অনুমোদিত স্টোরে ০৮ জুন থেকে পাওয়া যাবে।

আরও বিস্তারিত জানতে, https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন। 

বিজ্ঞপ্তি/

রাজধানীর বনানীতে আরএফএল ‘বেস্ট বাই’ এর নতুন শোরুম চালু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
রাজধানীর বনানীতে আরএফএল ‘বেস্ট বাই’ এর নতুন শোরুম চালু
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রাজধানীর বনানীতে যাত্রা শুরু করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রিটেইল ব্র‍্যান্ড বেস্ট বাই-এর ৫৬০তম শোরুম। গ্রাহকদের জন্য এক ছাদের নিচে পরিবারের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা সহজ করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ এই শোরুম চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি বনানী ১১ নং রোডের শোরুমটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল। এসময় আরএফএল এর হেড অব রিটেইল রাহাত জাহান শামীমসহ বেস্ট বাই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এই শোরুমে গ্রাহকরা পাবেন গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ইলেকট্রনিকস, কিচেনওয়্যার, ফার্নিচার, হোম ডেকর, সিরামিকস ও গ্যাসওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, পার্টি ও গিফট আইটেম, ফ্যাশন ও বিউটি এক্সেসরিজসহ বিভিন্ন ধরনের লাইফস্টাইল পণ্যের বিশাল সংগ্রহ।

এ বিষয়ে আরএন পাল বলেন, “গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও বিশ্বমানের রিটেইল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। বনানীর এই নতুন শোরুমের মাধ্যমে এক ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় সব পণ্য সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হলো। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন মানসম্মত রিটেইল অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে বেস্ট বাই কাজ করে যাবে।”

দেশে প্রথমবার রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি সম্পন্ন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
দেশে প্রথমবার রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি সম্পন্ন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশে প্রথমবারের মতো রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি (Robotic-Assisted MRI-USG Fusion Prostate Biopsy) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্কয়ার হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এন আই ভূঁইয়া এবং তার বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম রবিবার (৭ জুন) এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগীর বায়োপসি সম্পন্ন করেন।

এই সাফল্য সম্পর্কে অধ্যাপক ডা. এন আই ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। স্কয়ার হাসপাতালে আমরা দেশের প্রথম রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি সম্পন্ন করেছি। প্রোস্টেট ক্যানসার নিখুঁতভাবে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে বিবেচিত।

তিনি আরও বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় আমরা বিশ্বখ্যাত ‘মোনা লিসা (Mona Lisa)’ রোবোটিক বায়োপসি সিস্টেম ব্যবহার করেছি। এটি
এমন একটি আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি, যা একজন সার্জনকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বায়োপসি করতে সাহায্য করে। প্রথাগত বা সাধারণ বায়োপসি পদ্ধতিতে অনেক সময় প্রোস্টেটের ভেতরের ছোট টিউমারগুলো ধরা পড়ে না বা বায়োপসি সুই সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে পারে না। কিন্তু মোনা লিসা রোবটটি রোগীর আগের করা এমআরআই (MRI) এবং তাৎক্ষণিক আল্ট্রাসাউন্ড (USG) ছবিকে একসঙ্গে মিলিয়ে (Fusion করে) ত্রিমাত্রিক বা থ্রি-ডি (3D) ম্যাপ তৈরি করে।”

তিনি জানান, এই থ্রি-ডি ম্যাপ দেখে রোবোটিক গাইডেন্সের মাধ্যমে প্রোস্টেটের ঠিক যে জায়গায় ক্যানসার আক্রান্ত কোষ রয়েছে, সুনির্দিষ্টভাবে সেখান থেকেই নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। এর ফলে পরীক্ষার নির্ভুলতা প্রায় শতভাগে পৌঁছায়, জটিলতা ও ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে যায় এবং রোগীকে বারবার বায়োপসি করার কষ্ট ভোগ করতে হয় না।

অধ্যাপক ডা. এন আই ভূঁইয়া বলেন, ‘এই প্রযুক্তি চালুর ফলে দেশের রোগীদের উন্নতমানের এই পরীক্ষার জন্য আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। আমাদের মূল লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা দেশেই দেওয়া। ইউরোলজি চিকিৎসায় আর বিদেশ নয়, আমাদের দেশে এখন বিশ্বমানের চিকিৎসা সম্ভব।’

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ স্মারক গ্রন্থের জন্য লেখা আহ্বান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ স্মারক গ্রন্থের জন্য লেখা আহ্বান
বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ

বরেণ্য ব্যক্তিত্ব বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ-এর কর্মময় জীবন নিয়ে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বারাকাহ ফাউন্ডেশন।

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
 
নাগরিক সমাজের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব বিচারপতি রউফ দেশ-জাতির কল্যাণে সবসময় বলিষ্ঠ কন্ঠ ছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
দেশ-বিদেশে তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্খীরা এই স্মারক গ্রন্থে লেখা, স্মৃতিচারণ, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি ও তথ্য দিয়ে অংশ নিতে পারেন। নির্বাচিত লেখা ও বিষয় অন্তর্ভূক্ত হবে।
 
আগামী ৯ জুনের মধ্যে লেখা, ছবি ও তথ্য পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

ঠিকানা: দি বারাকাহ ফাউন্ডেশন, ১৮, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণী, মগবাজার রেলগেট, ঢাকা-১২১৭।

ই-মেইল: [email protected] 

হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৩২১ ১৪৩৫২৮, ০১৩২১ ১৪৩৫২০ নাম্বারে তথ্য পাঠাতে পারেন।