সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে ৩১ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ইঞ্জিনচালিত দুটি নৌকা, ২৫ কেজি ইলিশ এবং ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় ১৯ জেলেকে ১২ দিন ও ১২ জেলেকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড, তিন জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং সাত জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে অভিভাবকের জিম্মায় দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
দণ্ডিত জেলেরা হলেন- মিলন শেখ (২৮), রফিক গাজী (৩৫), আল-আমিন মোল্লা (৩৬), সত্তর খাঁ (৪২), আবু তাহের পাটওয়ারী (৫৫), জাকির গাজী (২১), সুমন উকিল (২৮), আল-আমিন পাটওয়ারী (২২), রাসেল খালাসি (২৬), নুর মোহাম্মদ (৩২), সেলিম উদ্দিন (৩৩), দুলাল ঢালী (৪৯), জসিম পাটওয়ারী (২০), শাহজাহান শেখ (৫৫), মাসুদ বেপারী (২৩), শাহজাহান (৪৫), নাহিদ তালুকদার (১৮), মোহাম্মদ আলী শেখ (৩৯), সোহেল মিজি (২৭), মজিদ বেপারী (৪২), বজলুল হক হাওলাদার (২৭), সুজন গাজী (৩০), মো. ফারুক শেখ (৪০), মো. নাদিম (২১), আব্দুল কাদির (২৭), মো. জসিম খান (৩৫), সুমন গাজী (৩৩), মো. জাকির (২৫), মো. হান্নান গাজী (২৪), রফিক রাঢ়ী (৩০), আরিফ ঢালী (২২), হারুন দর্জি (৪০), মহসীন রাজন (১৯), ও মো. রাব্বি সামি (২২)।
মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া সাত শিশু হলো- মো. ফাহিম শেখ (১২), মো. হোসেন (১৪), মো. হাবিব (১২), মো. এমরান (১৫). মো. শাওন (১২), নাঈম গাজী (১৮), রাকিব হোসেন (১৩)।
তিনি বলেন, রবিবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর হরিনা, বহরিয়া, গাজীরটেক ও আনন্দবাজার এলাকায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স এ অভিযান চালায় ।
পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস শীল এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া।
অভিযানে মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরের টেকনোলজিস্ট মো. হাসিব রানা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ প্রকল্প) এসএম মুশফিকুর রহমান, উপ-সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
ফয়েজ আহমেদ/মেহেদী/অমিয়/