রাঙামাটির কাউখালীতে বাড়ির মালিকের হাতে ২২ বছর বয়সী এক মারমা তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কাউখালী থানায় একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পরপরই আসামি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা মো. ফাহিম (২৫) পালিয়েছেন। মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে কাউখালী থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সোহাগ শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) জানিয়েছেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগী গত বৃহস্পতিবার কাউখালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। কাউখালী উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের বড়ডলুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী। আসামি ফাহিম উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. আনোয়ারের ছেলে।
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী তরুণী উল্লেখ করেন, পোয়াপাড়া গ্রামের আনোয়ারের বাড়িতে ভাড়া থাকেন তিনি। আসামি গত ১৭ এপ্রিল রাতে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। বাধা দিলে ফাহিম তাকে মারধর করেন। আহত হয়ে তিনি কাউখালী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং পরে থানায় অভিযোগ করেন। এর আগেও আসামি মো. ফাহিম গত ২৫ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করেন।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শওকত আকবর খান বলেন, ভুক্তভোগীকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সোহাগ বলেন, তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য তরুণীকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।