ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু এবি ব্যাংকের এআই-চালিত ডিজিটাল লোনসেবা ‘এবি ই- লোন’ এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি সবার সক্রিয় ভূমিকায় রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার শার্শায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার ইসলামে মায়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা সমুদ্রের তলদেশে বিচিত্র এক সুতোয় বাঁধা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র আর্মেনিয়ায় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
Nagad desktop

গ্যাসসংকটে বন্ধ সার কারখানা

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:১৯ এএম
গ্যাসসংকটে বন্ধ সার কারখানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের চরচাতলা এলাকায় মেঘনা নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা আশুগঞ্জ সার কারখানা। সম্প্রতি তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে ৪২ বছর আগে যাত্রা শুরু করে আশুগঞ্জ সার কারখানা। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটি, গ্যাসসংকটসহ নানা কারণে দিন যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারখানাটির উৎপাদন কমতে থাকে। বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একটি চক্রের নির্দেশে বছরের বেশির ভাগ সময় কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। বাধ্য হয়ে সরকার বিদেশ থেকে সার আমদানি করে। চক্রটির সদস্যরা সেখান থেকে কমিশন বাণিজ্য করে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরচাতলা এলাকায় মেঘনা নদীর পূর্বপাড়ে ৫০০ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত আশুগঞ্জ সার কারখানা। ১৯৮৩ সালে চালু হওয়া কারখানাটি প্রথমদিকে দিনে ১ হাজার ৬০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন করতে পারত। তবে ধীরে ধীরে সক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। বর্তমানে কারখানাটি দিনে প্রায় সাড়ে ১ হাজার ১০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে পারে, যার বাজার মূল্য গড়ে সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

ইউরিয়া সার উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস, পানি ও বাতাস ব্যবহার করা হয়। পানির জোগান দেও০য়া হয় কারখানা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে। আর প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে বাখবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিন ৬০০ পিএসআই চাপে প্রায় ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয় আশুগঞ্জ সার কারখানায়।

জানা গেছে, গুণগত মানসম্পন্ন হওয়ায় আশুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপাদিত প্রিল্ড ইউরিয়া কৃষকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কারখানার আওতাভুক্ত প্রায় সাড়ে ৭০০ ডিলারের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও সার পাঠানো হয় কুমিল্লা, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায়।

তবে কয়েক বছর ধরে ইউরিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কারখানাটি ব্যর্থ হচ্ছে। মূলত ঘন ঘন যান্ত্রিক ত্রুটির পাশাপাশি বছরের বেশির ভাগ সময় গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বন্ধ থাকে ইউরিয়া উৎপাদন। ফলে চাহিদার জোগান দেওয়া হয় আমদানি করা সার দিয়ে। অন্যদিকে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে না পেরে কারখানাটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে সর্বশেষ গত ১ মার্চ কারখানা কর্তৃপক্ষ ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করে। তার আগে গত বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ ছিল। কারখানার শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। ২৩ জানুয়ারি ইউরিয়া উৎপাদনে শুরু হয়। তখন প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ থেকে সাড়ে ১ হাজার ১৫০ টন সার উৎপাদন হতো।

সার কারখানা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ লাখ ৪০ হাজার টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইউরিয়া উৎপাদন হয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৫৭ টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টনের বিপরীতে ৯৬ হাজার ৪৬ টন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ টনের বিপরীতে উৎপাদন হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২০ টন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে উৎপাদন হয় ৪৮ হাজার ৪৫৩ টন ইউরিয়া সার।

আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার বলেন, ‘নতুন একটি সার কারখানা করতে কম করে ২০ হাজার কোটি টাকা লাগবে। অথচ আশুগঞ্জ সার কারখানা চালু রাখতে পারলে সরকারের লাভ হতো। কারখানাটির এখনো প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। নতুন কিছু যন্ত্রপাতি সংযোজন আর নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিসিআইসির একটি চক্র কমিশন বাণিজ্যের জন্য সার আমদানি করত। এখনো একইভাবে দেশীয় কারখানাগুলো বন্ধ রেখে বিদেশ থেকে আমদানি করে সারের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। অথচ দেশীয় কারখানাগুলো সচল রাখতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।’

আশুগঞ্জ সার কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করা যাবে। আশা করছি, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে একটি চক্র গ্যাসসংকটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে সার আমদানি করতে প্রলুব্ধ করত। সেই চক্র এখন আর নেই। আশা করছি শিগগিরই সংকট কেটে যাবে।’

কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি
কালজানি নদীর তীব্রভাঙনে বাড়িঘর সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে মানুষজন/ছবি: খবরের কাগজ

বর্ষার আগেই কালজানী নদীর ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় গত এক সপ্তাহে শতাধিক বাড়ি বিলীন হয়েছে নদীতে।

দ্রুত ভাঙনরোধ করা না গেলে আরও শতশত বাড়িঘর, আবাদি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে এমন আশঙ্কা স্থানীয়দের।

উত্তর ধলডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ১৪০০ মিটার জুড়ে ভাঙন চলছে। এ এলাকার প্রায় ৮০ টি পরিবার ভিটে হারিয়েছে। দক্ষিণ ঢলডাঙ্গার চিত্র একই রকম।  প্রায় ৩০টির বেশি বাড়ি নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে।

উত্তর ধলডাঙ্গা গ্রামের ময়েন উদ্দিন বলেন, জায়গা জমি আর নাই। কেউ তো জায়গা দিতে চায়না। এখনও ঘর তুলতে পারি নাই।

গোলজার হোসেন জানান, আমাদের বাড়ি তিনবার ভাঙা হয়েছে। এবারও যেকোন মুহুর্তে বাড়ি নদীত পড়ে যেতে পারে। নতুন করে ঘর তোলার জায়গা না থাকায় ঘর দূরে নিতে পারছি না।

শনিবার (৬ জুন) ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ-খুদা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাকির হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেবনাথ।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী বলেন, বর্ষার আগেই যেভাবে ভাঙছে, এলাকাটি থাকবেনা মনে হচ্ছে। গত এক বছরে এক হাজারের মতো পরিবার ভিটে হারিয়েছে। আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডে বলেছিলেন। তদন্ত করে গেছেন। দ্রুত কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবিতে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে নদী পাড়ে শত শত মানুষ উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ করে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। আর যেন নতুন করে কেউ ভাঙনের শিকার না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে। ভাঙনরোধে জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হবে। প্রাথমিকভাবে দুই হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ ঢলডাঙ্গায় জরুরী কাজ শুরু হয়েছে। অন্য ভাঙন কবলিত পয়েন্টগুলোকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরপর বরাদ্দ চাওয়া হবে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।

সিরাজ/আমান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ। ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি দোকান উচ্ছেদকে ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। 

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে থেমে থেমে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সদর উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। 

আহতদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়া সঙ্গে ছোট গোষ্ঠীর জুবায়েরের একটি দোকান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলে দোকানটি উচ্ছেদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। 

তবে ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে আজ সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/অন্তরা

চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বড়বলদিয়া ও বারাদী বিওপির অভিযানে জব্দ হওয়া ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অবৈধ মালামাল।

চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯ লাখ ২ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও চোরাই মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গত দুই দিন চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধীনস্থ বড়বলদিয়া, সুলতানপুর ও বারাদী বিওপির টহলদল সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ৯ দশমিক ৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ১৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৪০৫ পিস ভারতীয় সিলডেনাফিল ট্যাবলেট, ১ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ১৪ পিস ভারতীয় শাড়ি এবং একটি ইজিবাইক।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম দমনে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও  অব্যাহত থাকবে। 

তিনি আরও জানান, বিজিবি সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মিজানুর রহমান/আজহার/

বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: প্রতীকী

রংপুরে বদরগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুর থেকে সাজেদুল ইসলাম (১৪) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাজেদুল গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। তাকে অনেক খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। রবিবার সকালে পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।

বদরগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজান আলী বলেন, মারা যাওয়া ছেলেটির মৃগী রোগ ছিল।

বদরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ) দিনেশ চন্দ্র বলেন, পুকুরে লাশের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে জানা যায় ছেলেটির মৃগী রোগ ছিল। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সেলিম সরকার/তামান্না রুপা/

কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা
৬ দফা দাবিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি/ খবরের কাগজ

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

রবিবার (৭ জুন) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মবিরতি সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় বলে জানিয়েছে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন।

শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবিটি হলো, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক গত ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা।

অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা, ইন্টার্ন ডাক্তারদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা।

এছাড়া বিএমডিসি-২০২৩ অধ্যাদেশের খসড়া আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ আজ চরম বৈষম্য, অবহেলা আর নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত চলমান এই ছাত্র ধর্মঘট ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আমান/