সিলেটের কানাইঘাটের ডোনা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত আব্দুর রহমানের (৩০) মরদেহ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে আন্তর্জাতিক পিলার সংলগ্ন এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
গত শুক্রবার দুপুরে সীমান্তের ১৩৩৮-৩৯ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে ভারতের প্রায় ৩০০ গজ ভেতরে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন আব্দুর রহমান।
তিনি কানাইঘাট উপজেলার আটগ্রাম বড়চাতল (বাকুরি) গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।
শনিবার বিকেল পর্যন্ত মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে ছিল। এ ঘটনায় আরও চার জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। আহতরা হলেন, জামিল আহমদ, হুসেন আহমদ, আয়নুল হক ও জুমিল আহমদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে মহিষ চোরাচালানের জন্য ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে ঢুকেন আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন। এ সময় বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান আব্দুর রহমান।
এ ঘটনার পর বিজিবি ডোনা ক্যাম্প বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ ফেরত চায়। কয়েক দফা আলোচনার পর রাতের বৈঠকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল জানান, সন্ধ্যা থেকেই বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সীমান্তে মরদেহ ফেরতের অপেক্ষায় ছিলেন। রাতে মেঘালয় পুলিশ বাক্সবন্দী মরদেহ নিয়ে সীমান্তে পৌঁছালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির উপস্থিতিতে কানাইঘাট থানা মরদেহ গ্রহণ করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নাঈম/অমিয়/