রাঙামাটির লংগদু গুলশাখালীতে আকস্মিক ঝড়ো বাতাসে নৌকাডুবিতে একই পরিবারের তিনজন নিখোঁজের ঘটনায় মা ও এক ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী আরেক ছেলে মাসুম এখনও নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধারে স্থানীয় সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে সাত বছরের শিশু রানার এবং বুধবার সকালে মা শিরিন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে প্রায় একই সময়ে লংগদুর কাট্টলী বিল এলাকায় তিনটি মাছ ধরার নৌকা উল্টে দুর্ঘটনার শিকার ছয় জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে আকস্মিক ঝড়ো বাতাসে দুটি পৃথক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
এর মধ্যে লংগদু গুলশাখালী বাজার থেকে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে নৌকা চালিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়েন স্থানীয় এফআইডিসি টিলার বাসিন্দা আছর উদ্দিন। এ ঘটনায় সেনা সদস্যরা আছর উদ্দিন ও মেয়ে সালমাকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে ছেলে রানার মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও আছর উদ্দিনের স্ত্রী শিরিন আক্তার ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মাসুমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বুধবার সকালে শিরিন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ ছেলে মাসুমকে উদ্ধারে লংগদু সেনা জোন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
এদিকে প্রায় একই সময়ে লংগদুর কাট্টলী বিল এলাকায় তিনটি মাছ ধরার নৌকা উল্টে দুর্ঘটনার শিকার ছয় জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
জুয়েল/মেহেদী/