ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্বপ্ন, উন্মাদনা আর বিশ্বজয়ের লড়াই, বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশের পোশাক খাতের নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ওয়ানডে আজ সেরা করদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হবে ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা রাজত্ব কার, লাতিন না ইউরোপের? নড়াইলে যুবদল নেতাকে  কুপিয়ে গুরুতর যখম ক্রিকেট খেলে প্রস্তুতি ইংলিশ ফুটবলারদের ফ্রিল্যান্সিং খাতে কর অব্যাহতি শুধু অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি দেখা হচ্ছে: গভর্নর দূর হয়েছে শঙ্কা, বইছে খুশির হাওয়া উচ্চ সিসির মোটরসাইকেলে টিআইএন বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নসহ ১০ বিষয়েগুরুত্ব দেওয়া হবে টেলিযোগাযোগ খাতে উৎসে কর ১০ শতাংশ করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়ছে ওচোয়ার ছয় বিশ্বকাপের মহাকাব্য বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা তিন আকাশে জ্বলবে এক আলোর মশাল ভাঙন ঝুঁকিতে যমুনার ৪০ কিমি তীর ভালো কোম্পানি টানতে বড় ছাড়ের তাগিদ কুরমা অভয়াশ্রমের হলদে-চোখ ছাতারে ১১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বাজেট ২০২৬-২৭ উত্থাপন আজ: আকাঙ্ক্ষা বনাম বাস্তবতার টানাপোড়েন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা! হরিণাকুন্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য বিপদ: এরদোয়ান
Nagad desktop

বিজিবির শীতবস্ত্র পেলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের তিন শতাধিক শীতার্ত

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম
বিজিবির শীতবস্ত্র পেলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের তিন শতাধিক শীতার্ত
ছবি: খবরের কাগজ

চাপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী তিনশ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯বিজিবি) উদ্যোগে শিবগঞ্জ উপজেলার কিরনগঞ্জ ঈদগাহ মাঠে শীতবস্ত্র হিসেবে এই কম্বল বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ-অধিনায়ক মেজর আব্দুল্লাহ আল-আসিফসহ বিজিবি সদস্যরা।

এ সময় অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা, সব প্রকার চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে রাত-দিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিজিবির মহাপরিচালকের ভিশন হচ্ছে 'বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক'। এই ভিশন বাস্তবায়নে ৫৯ বিজিবি সদস্যরা সচেষ্ট ও বদ্ধপরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় ৫৯ বিজিবির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিতরণকৃত এইসব শীতবস্ত্র প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসরত শীতার্ত ও অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। 

তিনি বলেন, বিজিবি সীমান্তের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও বিজিবি এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।  তীব্র এই শীতে কম্বলগুলো পেয়ে উপকারভোগীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আসাদুল্লাহ/সুমন/

মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২১ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২২ এএম
মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মটমুড়া গ্রামে বজ্রপাতে আলী হোসেন (১৭) নামক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আলী হোসেন মটমুড়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশের খোলা মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলছিল আলী হোসেন। এ সময় বজ্রপাতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বামন্দীর একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তার বন্ধু মিজান আলী বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে খেলছিলাম। আকাশ মেঘলা ছিল। হঠাৎ আমাদের খেলার মাঠে বজ্রপাত হয়। আমার বন্ধু আলী বজ্রপাতের আঘাতে আহত হয়। পরে সে মারা যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী বলেন, বজ্রপাতের আঘাতে আমাদের গ্রামের একটি স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তারেক/আমান

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফিক

হাসপাতাল থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে স্বজনরা চাইলে তাদের রোগীদের নিয়ে যেতে পারবেন। তবে গাড়ি ভাড়া করে রোগী বা মরদেহ নিতে হলে স্বজনদের চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির কাছ থেকেই নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অন্য এলাকা থেকে রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্স ডাউনট্রিপ বা নতুন কোনো রোগী বা মরদেহ নিয়ে যেতে পারবে না। চট্টগ্রামের অ্যাম্বুলেন্সচালকরা হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসার ক্ষেত্রে যাওয়া ও আসা দুই ট্রিপের ভাড়া নেবেন। আবার মরদেহ নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও একই নিয়মে ভাড়া আদায় করবেন। এমন সব মনগড়া নিয়ম দিয়ে নিজ মুল্লুক গড়ে তুলে চলেছে চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি। আর এসব কারণে তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। ফলে মানুষের বিপদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত অ্যাম্বুলেন্স সেবা এখন চরম দুর্ভোগে রূপ নিয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকা থেকে রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্সগুলো ডাউনট্রিপ নিতে না পেরে রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে সেই টাকাসহ ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

অন্যদিকে চট্টগ্রামে গত বছরের ডিসেম্বরে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। সম্প্রতি চলতি জুন মাসে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নতুন করে আরও ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়, যা নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে।

অন্যদিকে চমেক হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শৃঙ্খলা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। গত ৮ জুন সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এজিএম মনিরুল হাসান সরকার এ নির্দেশ দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি এ নির্দেশনা দেন। নগর পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে (এডিসি) ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশে বলা হয়, বাইরে থেকে আসা বৈধ অ্যাম্বুলেন্স কিংবা স্বজনদের নিজস্ব গাড়ি দিয়ে রোগী বা মরদেহ পরিবহনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ কাজে জড়িত ব্যক্তিরা গাড়িচালকদের হুমকি, মারধর ও হেনস্তাও করছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির চাঁদাবাজি, প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বেআইনি বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন ধারায় এবং সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী মামলা করার ব্যবস্থা নিতে হবে। রোগী ও মৃত ব্যক্তির স্বজনরা নিজেদের পছন্দমতো অ্যাম্বুলেন্স, ফ্রিজিং ভ্যান বা অন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করে পরিবহনসেবা নিতে পারবেন।

খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো উপজেলা থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কিংবা আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে কোনো অ্যাম্বুলেন্স রোগী নিয়ে গেলে ওই অ্যাম্বুলেন্সকে খালি ফিরতে হয়। রোগী পেলেও তাদের ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ হাসপাতালকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা সমিতির কাছ থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নেওয়া বাধ্যতামূলক। কেউ যদি বাইরের অ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী নিয়ে যেতে চান, তাহলেও তাকে সমিতি থেকে গাড়ি না নিয়েও ভাড়া পরিশোধ করতে হয়। তা না হলে সমিতির লোকজন ওই অ্যাম্বুলেন্স আটকে দেন।

গত ২৯ মে ফেনীর সদর হাসপাতাল থেকে ৪ হাজার ৭০০ টাকা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া দিয়ে এক রোগীকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়। পরে ওই রোগীর মৃত্যু হলে তাকে নেওয়ার সময় হাসপাতাল এলাকার অ্যাম্বুলেন্সকে ভাড়া দিতে হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ অসুস্থ ব্যক্তি লাশ হওয়ার পর ভাড়া বেড়ে গেছে। এ ধরনের অনেক অভিযোগ রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ গত ৭ জনু এনসিপির চট্টগ্রামের কর্মীদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ একটাই জিম্মিদশা এবং বাড়তি ভাড়া আদায়। এই মারামারির সূত্র ধরে চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। 

সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট না ভেঙে তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অনভিপ্রেত। গ্যাসচালিত অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সমহারে বাড়ানো হয়েছে। অথচ গত বছরের ডিসেম্বরে ভাড়া একবার ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। ছয় মাসের মাথায় আবারও বাড়ল ৩০ শতাংশ। এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

এ বিষয়ে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন, চট্টগ্রামে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া একলাফে ৩০ শতাংশ বাড়ানো কোনোভাবেই উচিত হয়নি। কারণ ভাড়া বাড়ানোর ক্ষেত্রে যেসব যুক্তি দেখানো হয়েছে, তাতে ভাড়া কোনোভাবেই ৩০ শতাংশ বাড়ানো যায় না। তাই জ্বালানি তেল বা অন্য যেকোনো অজুহাতে দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ভাড়া বাড়ানোর অনুমোদন দিয়ে চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি সাধারণ রোগীদের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছে। এই ভাড়া বাড়ানোর আগে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে আলাপ ও যাচাই-বাছাই করা জরুরি ছিল।

তিনি আরও বলেন, অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা জিম্মি করে ভাড়া আদায় করছেন। হাসপাতালে অন্য অ্যাম্বুলেন্স এসে ভাড়া নেওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। নির্ধারিত ভাড়ার বেশি কেউ নিলে সে ক্ষেত্রে মালিক সমিতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, মানুষ যখন সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন তখন অ্যাম্বুলেন্সের দরকার। তারা সেই বিপদের সময় মানুষকে জিম্মি করেছেন। এটা সারা দেশের চিত্র। অথচ সে সময় মানবিক সহযোগিতা পাওয়ার কথা। এখন দেখা যায়, উপজেলা থেকে কোনো রোগী অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করলে তাকে আসা-যাওয়ার ভাড়া গুনতে হয়। কারণ চালক জানেন ফেরার সময় তাদের ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। অথচ যদি ফিরতি ভাড়া বা ডাউনট্রিপ নেওয়ার সুযোগ থাকলে আসার সময় রোগী কম ভাড়ায় আসতে পারতেন। আবার যাওয়ার সময় অন্য কোনো রোগী নিয়ে কম ভাড়ায় চলে যেতে পারতেন। দেশব্যাপী শক্ত সিন্ডিকেটের কারণে এই ভোগান্তি রয়ে গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং প্রশাসনের উচিত এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও চমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চমেক হাসপাতালের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো অ্যাম্বুলেন্সগুলোর ফিটনেস পরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্টিকারধারী অ্যাম্বুলেন্সগুলোই কেবল চমেক হাসপাতাল এলাকায় সেবা দিতে পারবে।

অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, জ্বালানি তেল, টায়ার ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনায় ভাড়া সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালিকপক্ষ ৫০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দিলেও আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে তা ৩০ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে। একটি অ্যাম্বুলেন্স রোগী বা মরদেহ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার পর ফেরার পথে খালি অবস্থায় ফিরে আসে। তাই ভাড়া নির্ধারণে যাওয়া-আসা উভয় দিকের ব্যয় বিবেচনায় নিতে হয়। নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর হলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বিরোধ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হ্রাস পাবে। কোনো ব্যক্তি নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলে কিংবা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে সেবা প্রদান করলে তাদের কাজে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং প্রয়োজনে বিশেষ ছাড় বা বিনামূল্যে সেবা দেবেন অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা। নির্ধারিত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার তালিকা নিয়ে গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কোথাও অস্বাভাবিক বা অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ হয়ে থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

এসব বিষয়ে চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, দেশের প্রতিটি এলাকার হাসপাতালে এ রকম সমিতি বা সংগঠন আছে। রোগীর স্বজনরা নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে রোগী নিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু ভাড়া নিতে হলে সমিতির কাছ থেকেই নিতে হবে। অন্য এলাকা থেকে রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্সের ডাউনট্রিপ মারার সুযোগ নেই। এটা কেউ করতে দেয় না।

সারা দেশে একই নিয়ম দাবি করে তিনি বলেন, যদি কারও কাছে টাকা না থাকে সমিতি থেকে প্রয়োজনে ফ্রি সার্ভিস দেওয়া হয়। তবু ডাউনট্রিপের সুযোগ নেই। এটা শুধু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নয়। আপনি যদি আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে যান। সেখানেও একই চিত্র। এমনকি ঢাকার সব হাসপাতালেও একই চিত্র দেখা যাবে।

ভাড়া ৩০ শতাংশ বাড়লেও তেলের দাম সে পরিমাণ বাড়েনি এবং কিছু অ্যাম্বুলেন্স গ্যাসে চলে। গ্যাসচালিত অ্যাম্বুলেন্সগুলোও বর্ধিত ভাড়া নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। পরোক্ষণে তিনি বলেন, গ্যাসচালিত গাড়ি ১০ শতাংশের বেশি হবে না। বাকিগুলো ডিজেলচালিত।

ভাঙন ঝুঁকিতে যমুনার ৪০ কিমি তীর

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
ভাঙন ঝুঁকিতে যমুনার ৪০ কিমি তীর
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ইছামারা এলাকায় ভাঙন রোধে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হচ্ছে। খবরের কাগজ

বগুড়ায় যমুনা নদীর তীর রক্ষায় প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো এখনো ঝুলে আছে। ফলে নদীটির ডান ও বাম তীরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকা তীব্র ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।

ইতোমধ্যে বহু ঘরবাড়ি, ফসলিজমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়েছে। নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের হাজারো মানুষ। তীর রক্ষায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন না হলে ভাঙন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সময়মতো নদী তীর রক্ষার কাজ শুরু না হওয়ায় সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনটে বহু বাড়িঘর সরিয়ে নিতে হয়েছে। ভাঙনে অনেক স্কুল, কলেজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। 

জানা গেছে, যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে সারিয়াকান্দির কয়েকটি গ্রামের বহু মানুষ নিঃস্ব হয়েছেন। ভিটেমাটি হারিয়ে অসংখ্য পরিবার এখন ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি ছাড়া। সব হারিয়ে দুর্গত মানুষ বর্তমানে বাঁধ বা রাস্তার পাশে অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছেন।

সারিয়াকান্দির কড়িতোলা এলাকার বাসিন্দা মাইনুল হাসান মজনু বলেন, ‘দুই-তিন বছর আগে ভাঙনে ইছামারা এলাকার একটি বসতি নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে সেখানকার ৫৬টি পরিবার তাদের বাড়িঘরসহ সবকিছু হারিয়ে পথে বসেছে। তাদের অধিকাংশই এখনো রাস্তার পাশে কোনোরকমের ঘর তুলে আছেন।’

যমুনা নদীর তীরে দেখা হয় সোহবার আলী আকন্দের সঙ্গে। বাপ-দাদার সূত্রে তিনি পেয়েছিলেন ১৮ বিঘা জমি। ভাঙনের কারণে পৈতৃক ভিটা প্রথম ছাড়তে হয় ১০ বছর আগে। তারপর এ পর্যন্ত তিনি বাড়ি সরিয়েছেন তিনবার। এখন আছেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের পাশে। 

তিনি বলেন, ‘পাঁচ-ছয় বছর আগে এক ঘণ্টার মধ্যে সাত বিঘা জমি হারিয়েছি। আর গত ১০ বছরে সব মিলিয়ে আমার ১৬ বিঘা জমি নদীতে গেছে। এখন যে দুই বিঘা আছে সেটাই আমার সম্বল।’ 

যমুনার ভাঙনে সব হারিয়ে কয়েক বছর ধরে বাঁধে আছেন বিলকিস আক্তার। ইছামারা এলাকার ওই নারীর স্বামী আলী আজগর আকন্দ অসুস্থ। তাই তাকেই সংসার চালাতে হয়। বিলকিস আক্তার বলেন, ‘তিনটি বাগান ও বাড়িঘর সবই যমুনায় গেছে। এখন বেঁচে আছি অন্যের সহযোগিতায়।’

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুরেই কথা বলছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্মকর্তারা। তারা জানান, সারিয়াকান্দি উপজেলার চরঘাগুয়া, শনপোচা ও মানিকদাইরের ১৫ কিলোমিটার এলাকায় নদীতীর রক্ষায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে এসব অঞ্চলের আবাদি জমি ও বসতবাড়ি প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হচ্ছে।

পাউবো বগুড়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (এসই) আরিফুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীর ডান ও বাম তীর স্থায়ীভাবে রক্ষার পাশাপাশি অবকাঠামোগত আরও কিছু উন্নয়নে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প আগেই নেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে সার্ভেসহ অন্যান্য কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। 

ভাঙন ঝুঁকিতে থাকা ৪০ কিলোমিটার তীরের মধ্যে কতটুকু জায়গা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর থেকে ধুনট উপজেলার বানিয়াজান পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকায় যমুনা নদীর ডান তীর ভাঙছে। 

একই সঙ্গে সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা থেকে হাসনাপাড়া পর্যন্ত ডান তীরে আরও তিন কিলোমিটার ভাঙনের মুখে পড়েছে। তবে সারিয়াকান্দি উপজেলার চরঘাগুয়া, শনপোচা ও মানিকদাইড় এলাকার প্রায় তিন কিলোমিটার অংশজুড়ে যমুনা নদী ভাঙছে বাম তীরে। ভাঙন রোধে বালুভর্তি বস্তা নদীতে ফেলা হচ্ছে।’ জানা গেছে, ওই তিন কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় বেশ কিছুদিন আগে ৪৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে এখনো ওই কাজ শুরু হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, প্রায় সাত বছর আগে যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষায় নেওয়া ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পটি কয়েক দফা সংশোধন করা হয়েছে। সময়মতো কাজ শুরু না করায় ব্যয় বেড়েছে আরও অন্তত ৭০০ কোটি টাকা। বগুড়া জেলায় যমুনা নদীর ভাঙনরোধ ও পুনর্বাসনে নেওয়া ওই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এখন ব্যয় করতে হবে ২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। 

হরিণাকুন্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:০১ পিএম
হরিণাকুন্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার চটকাবাড়িয়া গ্রামে বজ্রপাতে আজিজুল ইসলাম (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার চটকাবাড়িয়া গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজুল ইসলাম চটকাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

প্রতিবেশী তাহাবুল ইসলাম জানান, বুধবার বিকেলে পানের বরজে কাজ করছিলেন কৃষক আজিজুল ইসলাম। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বরজের মাঠ থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সেখান থেকে তাকে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিজুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, বজ্রপাতে আহত আজিজুল ইসলামকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

হরিণাকুন্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

মাহফুজুর রহমান/নাঈম

সিলেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে প্রশাসনের অভিযান

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
সিলেটে  অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে প্রশাসনের অভিযান
ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার  সবুড়ী নদী হতে  অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা জৈন্তাপুর উপজেলার সবুড়ী নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন জৈন্তাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) পলি রানী দেব। 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ডুলটিরপাড় এলাকার সাবড়ী নদীতে উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ১টি স্টিল নৌকা ও ১টি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত মেশিন জব্দ করা হয়। পরে শ্যালো ইঞ্জিন সহ নৌকাটি পানিতে ডুবিয়ে রাখাসহ স্থানীয় ১ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হয়।  এর আগে গত ৭জুন রবিবার জৈন্তাপুর উপজেলার প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভাবে উত্তোলিত প্রায় ৫ লক্ষ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। 

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) পলি রানী দেব বলেন, 'নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হবে।'

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনন্দা রায় বলেন, গত অভিযানে "জব্দকৃত বালুর প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় নির্ধারিত নিলাম স্থগিত করা হয়। বর্তমানে জব্দ বালুর নিলাম সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এছাড়া তিনি আরও জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।

শাকিলা ববি/এসএন