চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় মো. আহিল (১১) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক বেত্রাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক মো. আমান উল্লাহকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে মো. আহিলের চাচা মাহমুদুর রহমান বাদী হয়ে ওই মাদরাসা শিক্ষক মো. আমান উল্লাহকে একমাত্র বিবাদী করে থানায় একটি মামলা করেন।
শিক্ষার্থী মো. আহিল চন্দনাইশ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জোয়ারা হারলা গ্রামের নুরুল আলমের পুত্র।
জানা যায়, শিক্ষার্থী মো. আহিল চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গুলজারে মদিনা হিফজুল কোরআন প্রাইভেট মাদরাসার হিফজ বিভাগে অধ্যয়নরত। গত বুধবার (৬ মে) পাঠ আদায়ের উদ্দেশ্যে শিক্ষক মো. আমান উল্লাহ তাকে বেধড়ক বেত্রাঘাত করেন। এতে সে হাতে, পেটে, মুখে ও পিঠে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে এ সংক্রান্ত কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়লে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
চন্দনাইশ পৌরসভার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ হবে মানবিক ও নিরাপদ। একজন কোমলমতি শিক্ষার্থীকে বেধড়ক বেত্রাঘাতের ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও দুঃখজনক। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থী এমন নির্যাতনের শিকার না হয়।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর চাচা সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা করেছেন। তারই প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে পাঠানো হয়।
আরিফুল/রিফাত/