মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘বিজয় উৎসব’। স্বাধীনতার গৌরবময় এই সময়ে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করা হবে দেশের লাখো বীর শহীদকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অর্জিত স্বাধীনতার মূল্যবোধকে ধারণ করে নানামাত্রিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে সাজানো হয়েছে এবারের উৎসব।
উৎসবের প্রথম দিন আজ (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির রেপার্টরি যাত্রা ইউনিট মঞ্চস্থ করবে জীবনীভিত্তিক যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’। পালাকার ঋজু লক্ষ্মী অবরোধের রচনায় এবং শামীম খন্দকারের নির্দেশনায় প্রযোজিত এই যাত্রাপালায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনালোচিত, অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাট্যরূপে উপস্থাপিত হবে। দর্শকদের সামনে উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জীবন ও নেতৃত্বের নানা দিক।
এদিন বিকেল ৩টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে দর্শকপ্রিয় ‘অ্যাক্রোবেটিক শো’। শারীরিক নৈপুণ্য, শৈল্পিক উপস্থাপনা ও নান্দনিক কোরিওগ্রাফির সমন্বয়ে এই পরিবেশনা দর্শকদের জন্য এক ব্যতিক্রমধর্মী অভিজ্ঞতা এনে দেবে।
বিজয় দিবসের দিন (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করা হয়েছে ‘বিজয় দিবস কনসার্ট’। কনসার্টে অংশ নেবেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীরা—সায়ান, শিরোনামহীন, লালন, বাংলা ফাইভ, টঙের গান, আফটারম্যাথ, ইলা লালালালা, ফিরোজ জং ও এফ মাইনর। সুর ও সংগীতের মেলবন্ধনে অনুরণিত হবে একাত্তরের চেতনা ও দেশপ্রেমের গান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বিজয় দিবসে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে পরিবেশিত হবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান। উৎসবের সব আয়োজনই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
উল্লেখ্য, মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বর উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে চলছে মাসব্যাপী যাত্রাপালা প্রদর্শনী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নিবন্ধিত যাত্রা দলগুলোর অংশগ্রহণে এই প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকে, যা চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
/আরটি


.jpg)