ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড় অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি
Nagad desktop

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মেয়েদের ভোট কার বাক্সে?

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৪, ১০:২৫ এএম
মেয়েদের ভোট কার বাক্সে?
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

এই প্রতিবেদনটি যখন লিখছি তখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা ভোট দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু ভোটের পরিস্থিতি ভালো করে দেখার আগেই আমাকে এই রিপোর্টটি পাঠাতে হচ্ছে। আগামীকাল যখন এটি খবরের কাগজে প্রকাশিত হবে, তার আগেই আপনারা ভোট দেওয়ার বিষয়টি আরও অনেকখানি জেনে যাবেন। আমি বরং সোমবার যাদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি, তাদের কথাই বলি।

আমি সম্ভাব্য ভোটারদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য গতকাল বিকেলে বের হয়েই দেখি কনকনে শীতল হাওয়ার ছুরি যেন দাঁত বের করে শান দিচ্ছে।
সত্তরের মতো বয়সী এক শ্বেতাঙ্গিনী, পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। বিনীতভাবে তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হলেন। তার নাম টেরিসা। গর্ভপাত ও নারীর অধিকারের প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটদের কমলাই তার একমাত্র পছন্দ। অতীতে ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। 

নির্বাচনি লড়াইতে এখন পর্যন্ত অবস্থা প্রায় ৫০:৫০, অর্থাৎ ফিফটি-ফিফটি! তবে আশা করি কমলাই জিতবে, টেরিসা বললেন। এবারের নির্বাচনে তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তিন ইস্যু হচ্ছে নারী অধিকার, অর্থনীতি এবং সামাজিক নিরাপত্তা। 

এই ভদ্রমহিলা আমাকে পেরিয়ে যেতেই দেখলাম এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণীকে। এ দেশে আসার পর এই নির্বাচন কাভার করার কাজেই সাদা-ল্যাটিনো-আরব-দক্ষিণ এশীয়সহ যত জাতির মানুষকে প্রশ্ন করেছি, তারা সবাই উত্তর দিলেও কেন যেন আফ্রো-আমেরিকান বা কৃষ্ণাঙ্গদের কেউই কখনো মুখ খোলেননি, খোলাতে পারিনি। আজ একজন দক্ষিণ এশীয়ই জানালেন, এরা আমাদের বহু আগে থেকে এ দেশে বসবাস শুরু করলেও যেহেতু আমেরিকায় আজও কৃষ্ণাঙ্গরাই সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত জনগোষ্ঠী, তাই নিজেদের কম্যুনিটি ছাড়া বাইরের মানুষের কাছে তারা কম মুখ খোলেন। সব সময়ই তারা খুব ভয়ে থাকেন। 

যা-ই হোক, টেরিসার পরই নানা জাতিসত্তার বেশ কয়েকজন পথচারী আমার কথায় সাড়া না দিয়ে বা মাথা ঝাঁকিয়ে, হাল্কা হেসে চলে গেলেন।

তারপরই অনেকটা আমাদের মতো মিশ্র বর্ণের ছিপছিপে, মাঝারি উচ্চতার সম্ভবত এক আরব নারীকেই দেখা গেল। বয়স পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশের ভেতর হবে। তিনি অবশ্য কথা বলতে রাজি হলেন। শার্ট ও ট্রাউজারের সঙ্গে মাথায় হিজাব পরা, নাম কেরিমা। কেরিমা জানালেন তিনি মিসরের মেয়ে। গত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলেও এবার গাজা গণহত্যার কারণে ভোট দিচ্ছেন গ্রিন পার্টিকে। 

কেরিমার সঙ্গে কথার পরপরই আলাপ হলো এমিলির সঙ্গে। তিনিও শ্বেতাঙ্গ। এমিলি জানালেন, নারীর গর্ভপাত প্রশ্নে ট্রাম্পের পুরুষতান্ত্রিক অবস্থান তিনি মানেন না। কাজেই ডেমোক্র্যাটদের ব্যালট বাক্সে ইতোমধ্যে তার ভোট তিনি পুরে দিয়েছেন। এমিলি পেশায় শিক্ষক। বোঝা গেল, চিরন্তন ব্লু স্টেট বা নীল প্রদেশ নিউইয়র্কের শিক্ষিত ও অগ্রসর চিন্তার নারীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। 

এদিকে গত শনিবারই যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার নারী ‘আমরা ফিরে যাব না’ বাণীসংবলিত স্লোগান এবং ব্যানারসহ সমবেত হয়েছিলেন। অবশ্য শুধু ওয়াশিংটন ডিসি নয়, দেশজুড়েই এই পদযাত্রার আয়োজন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সচেতন নারীরা। 

ওয়াশিংটন ডিসিতে গত শনিবারের এই পদযাত্রায় বক্তা ও অংশগ্রহণকারীরা হোয়াইট হাউস অভিমুখে যাত্রা শুরু করার আগে ফ্রিডম প্লাজায় অংশ নেন এবং সেখানে তারা বন্দুক-সন্ত্রাস থেকে গাজা যুদ্ধসহ নানা বিষয়েই কথা বলেন। 

‘এবারের নির্বাচন নিছক রাজনীতির বিষয় নয়। এটা আমাদের অস্তিত্বেরও বিষয়’, ২০১৯ সালে ফ্লোরিডার মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুল থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা আলায়াহ ইস্টমন্ড বলেন, ওই স্কুলে একজন বন্দুকধারী ঢুকে হুট করে ১৭ জন ছাত্র এবং স্কুল স্টাফকে হত্যা করেছিল। 

‘আক্ষরিক অর্থেই আমাদের জীবন এখন ব্যালট বাক্সের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে’ আলায়াহ বলেন। 

ফ্রিডম প্লাজায় সমবেত এই নারীরা’ বলেছেন হোয়াইট হাউসে একজন নারী যাতে আসীন হতে পারেন, সেই লক্ষ্যে ভোট দিন। ‘আপনার মেয়ের জীবন এর ওপর নির্ভর করছে’ জাতীয় স্লোগানসংবলিত ব্যান্ড হাতে পরে তারা জড়ো হয়েছিলেন। এ ছাড়াও নারীর জন্য গর্ভপাতের অধিকারসহ নানা টি-শার্ট, মোজাও কিছু টেবিল থেকে বিতরণ করা হয়েছে। 

ওই পদযাত্রায় ৭০ বছরের মোনা ওয়েলস তার দুই বান্ধবীর সঙ্গে অংশ নেন এবং নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, আমি জানি না যে কীভাবে আমরা পেছনের দিকে হাঁটব। কেন হাঁটব। 

গ্লোরিয়া অলরেড নামে নারী অধিকারের নামি প্রবক্তা বলেন, কীভাবে কয়েক দশক আগে ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হওয়ার পর এক হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে গর্ভপাত করাতে গিয়ে তিনি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের মুখে পড়েন। সে সময় একজন তরুণী, একক মা এবং শিক্ষক হিসেবে অলরেড জানতে পারেন, কোনো নারীকে গর্ভপাতে সাহায্য করাটা ডাক্তারদের জন্য বেআইনি ছিল। গর্ভপাতের পর ১০৬ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে হাসপাতালে থাকার সময় এক সেবিকা তাকে বলেছিলেন, ‘গ্লোরিয়া, আশা করি তুমি একটি শিক্ষা পেয়েছ।’ 

‘হ্যাঁ আমি যে শিক্ষা পেয়েছি সেটা হলো গর্ভপাতকে নিরাপদ, আইনসম্মত এবং সবার জন্য অভিগম্য করতে হবে’, অলরেড বলেন অপেক্ষমাণ জনতাকে। 

তিনি ‘আপনারা কি মনে করেন ট্রাম্প নারীদের রক্ষা করবেন?’ 

‘না,’ নারীরা সমবেত কণ্ঠে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কথাটা উচ্চারণ করেছেন। 

বক্তৃতা শেষে এই সমাবেশটি ‘নারীর অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করি’ এবং ‘নারীর অধিকার মানবাধিকার’, স্লোগান কণ্ঠে নিয়ে হোয়াইট হাউসের উদ্দেশে রওনা করেছিলেন।

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/