ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশ দুইটির কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়- ইসলামাবাদ, করাচি, লাহোর ও শিয়ালকোট বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্দ করা হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের সর্বশেষ তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে অনুরোধ করেছে পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে ভারতের উত্তরাঞ্চলের কমপক্ষে ২১টি বিমানবন্দর আগামী ১০ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। বুধবার (৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের নির্দেশে ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি বিমানবন্দরগুলো ১০ মে ভোর ৫টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচলে বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় বা বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় সূত্রে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু পত্রিকার হাতে আসা একটি নোটিশ টু এয়ারম্যান (এনওটিএএম)-এ জানানো হয়, এই তালিকায় জম্মু-কাশ্মীর ও লেহ-এর পাশাপাশি পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাট রাজ্যের একাধিক বিমানবন্দর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এনওটিএএম অনুযায়ী, জম্মু ও শ্রীনগর (জম্মু-কাশ্মীর), লেহ; অমৃতসর, চণ্ডীগড়, পাতিয়ালা, হালওয়ারা (পাঞ্জাব); শিমলা ও ধরমশালা (হিমাচল প্রদেশ); যোধপুর, বিকানের, জয়সলমের, কিশনগড় (রাজস্থান); ভূজ, জামনগর, রাজকোট, মুন্দ্রা, পোরবন্দর, কান্ডলা, কেশোদ (গুজরাট) বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়াও গোয়ালিয়র ও হিন্দন বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছে বিভিন্ন এয়ারলাইনস।
বুধবার ভারতে ৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায় এবং অনেক বিমানবন্দরে যাত্রীদের ফেরত পাঠাতে দেখা যায়। আজ দিল্লি বিমানবন্দরের ৯০ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও রয়েছে।
/সিফাত