ইসরায়েলি আক্রমণে গাজায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫১ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৫০৩ জন। অবরুদ্ধ উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী সহায়তা সংগ্রহে যাওয়া ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করেও গুলি চালাচ্ছে। এ রকম একাধিক ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ ও সহায়তা সংস্থাগুলো এরই মধ্যে ওই ঘটনাগুলোর নিন্দা জানিয়েছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের বিতরণ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকাগুলোয় ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হয় গাজার যুদ্ধ। শুরু থেকেই নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এরই মধ্যে ৫৪ হাজার ৪৭০ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
এদিকে, দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে হামাস। তারা মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে বিষয়টি তুলে ধরে। কাসসাম ব্রিগেডের একদল যোদ্ধা ইসরায়েলি সেনাদের একটি দলের ওপর দক্ষিণের শহর কারায় হামলা চালায়। হামলাটি গত শনিবার হয়েছে বলেই জানিয়েছে হামাস।
ইসরায়েলের সমর্থনে হওয়া সমাবেশে হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোতে ইসরায়েলের সমর্থনে আয়োজিত জনসমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে এক ব্যক্তি ‘ফিলিস্তিন মুক্ত করো’ স্লোগান দিয়ে মলোটভ ককটেল ছুড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুসারে, এ ঘটনায় ৫২ থেকে ৮৮ বছর বয়সী আট ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, ঘটনাটি ঘটেছে কলোরাডোর বোল্ডারের পার্ল স্ট্রিট মলের বাইরে। ওই স্থানটি থেকে ডেনভারের দূরত্ব মাত্র ৪৮ কিলোমিটার। এফবিআই বলছে, এটি সন্ত্রাসী হামলা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মলোটোভ ককটেলের পাশাপাশি ওই ব্যক্তি ফ্লেমথ্রোয়ার ব্যবহার করেছিল বলেও জানা যায়।
এরই মধ্যে আক্রমণের ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়েছে। সে ভিডিওতে দেখা গেছে, শার্টবিহীন অবস্থায় এক ব্যক্তি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে স্লোগান দিয়ে মলোটোভ ককটেল ছুড়ছে। তাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তার দুই হাতেই মলোটোভ ককটেল ছিল।
পুলিশ কলোরাডোর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৬ মিনিট নাগাদ আক্রমণের খবর পায়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে এবং আহতদের উদ্ধার করে। সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা