ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৯ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ
Nagad desktop

কানাডার পণ্যে ৩৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৫, ০৬:৩১ পিএম
কানাডার পণ্যে ৩৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের
ছবি: সংগৃহীত

আগামী পহেলা আগস্ট থেকে কানাডা থেকে আমদানিকৃত পণ্যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র - এমন ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বাণিজ্য অংশীদারদের ওপরও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ‘সর্বজনীন’ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে কানাডার উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। এর আগে এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোও খুব শিগগিরই শুল্ক সংক্রান্ত ঘোষণা শুনতে পাবে।

ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ তার কাছ থেকে কোনো চিঠি পায়নি, তাদের ওপর তুলনামূলক বেশি হারে শুল্ক আরোপ করা হবে, যদি না তারা ১০ শতাংশের ‘প্রতিশোধমূলক’ (reciprocal) বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাকি সব দেশকে আমরা শুধু বলব—তোমাদেরকে ১৫ বা ২০ শতাংশ শুল্ক দিতেই হবে। আমরা এখন এই বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছি।’

নিজস্ব সামাজিক মাধ্যমে ট্রুথ স্যোশালে প্রকাশিত চিঠিতে ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে জানান, ১ আগস্ট থেকে শুল্ক কার্যকর হবে এবং কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা নিলে তা আরও বাড়ানো হবে।

জবাবে কার্নি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় কানাডা সবসময় আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষা করেছে। ১ আগস্টের নতুন সময়সীমা সামনে রেখে আমরা সেই অবস্থান বজায় রাখব।”

চিঠিতে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল নামক প্রাণঘাতী মাদক প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি লিখেন, ‘যদি কানাডা ফেন্টানিল ঠেকাতে আমার সঙ্গে কাজ করে, তাহলে আমরা হয়তো এই চিঠির কিছু অংশ পুনর্বিবেচনা করতে পারি।’

তবে কানাডীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ফেন্টানিলের পরিমাণের খুবই সামান্য অংশ কানাডা থেকে আসে। এর জবাবে কার্নি বলেন, ‘উত্তর আমেরিকায় ফেন্টানিল (মাদক) মোকাবেলায় কানাডা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে উভয় দেশের মানুষকে রক্ষা করা যায়।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, ট্রাম্পের কঠোর বাণিজ্য নীতিগুলো দেশটিকে বিদেশি সিনথেটিক মাদক প্রবাহের ক্ষেত্রে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

এক মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্পের ২০২০ সালের ইউএসএমসিএ (USMCA) চুক্তিভুক্ত পণ্যে সম্ভাব্যভাবে শুল্ক ছাড় দেওয়া হতে পারে, যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ধরনের ছাড় পাওয়া গেলে কানাডার ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব অনেকটাই হ্রাস পাবে।

চলতি বছরের মার্চে ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানিকৃত গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশে ২৫ শতাংশ শুল্ক দেন। জুনে কানাডার স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। নতুন ৩৫ শতাংশ হারে শুল্ক এই তালিকার বাইরে থাকা সব পণ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

বর্তমানে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনায় আছে, তবে ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকি আলোচনার ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। এ সপ্তাহে তিনি বিশ্বের বহু দেশের উদ্দেশে ২০টিরও বেশি অনুরূপ চিঠি পাঠিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন শুল্ক হার আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে শূন্যে নেমে আসতে পারে, যদি চলতি মাসের শেষে মার্কিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতের এক রায়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আপিল খারিজ হয়। মে মাসে আদালত রায় দিয়েছিল, জরুরি অবস্থা ছাড়া ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুল্ক আরোপের আইনগত ক্ষমতা অতিক্রম করেছেন।

এই আপিলের শুনানি ৩১ জুলাই সকাল ১০টায় ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সার্কিট কোর্ট অব আপিলসে অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে কানাডা ও মেক্সিকো নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে চাইছে, যাতে ২০২০ সালে প্রবর্তিত ইউএসএমসিএ চুক্তির ভবিষ্যৎ স্থিতিশীল থাকে। এটি আগের নাফটা (NAFTA) চুক্তির পরিবর্তে চালু হয়।

কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্যে ইতোমধ্যেই ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আমেরিকান শুল্ক বসানো হয়েছে, যদিও কানাডার জ্বালানির ক্ষেত্রে হার কিছুটা কম ছিল। ট্রাম্প উভয় প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, তারা অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার রোধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পরবর্তীতে ট্রাম্প ইউএসএমসিএ আওতায় আসা অনেক পণ্যে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা দেন।

বৃহস্পতিবারের চিঠি এমন এক সময় এলো, যখন অনেকেই ট্রাম্প ও কার্নির মধ্যে সম্পর্কের উত্তাপ কমে আসার ইঙ্গিত দেখছিলেন। ৬ মে কার্নি হোয়াইট হাউসে এসে ট্রাম্পের সঙ্গে ওভাল অফিসে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন।

তবে কানাডা সম্প্রতি একটি ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স চালু করায় ট্রাম্প আলোচনার টেবিল ছেড়ে দেন। পরে কার্নি সেই কর প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন, যা মার্কিন টেক কোম্পানিগুলোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারত।

গত কয়েক দিনে ট্রাম্প তার বাণিজ্যযুদ্ধ আরও বিস্তৃত করেছেন। তিনি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো মিত্র দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি দিয়েছেন এবং তামার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণাও দিয়েছেন।

এনবিসি-তে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘সব দেশকে চিঠি দিতে হবে এমন না। আমরা শুধু আমাদের শুল্ক ঠিক করে দিচ্ছি। বাকি দেশগুলোকে বলব, তারা ২০ অথবা ১৫ শতাংশ শুল্ক দেবে। আমরা এখন এটা গুছিয়ে নিচ্ছি।’ সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মাহফুজ/

 

আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে তার সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর ইরাক তার আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ‘ইরাকের সব বিমানবন্দর থেকে যাত্রীবাহী ও বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিচ্ছে’ এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি ‘নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন’ করা অব্যাহত রাখবে।

৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের প্রথম ঘটনা হিসেবে রবিবার সন্ধ্যায় ইরান ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরাক ৭২ ঘণ্টার জন্য তার আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

এপ্রিলে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড।

তেহরান থেকে এএফপি জানায়, সোমবার (৮ জুন) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতামুল আম্বিয়া সদর দপ্তর জানায়, ইরান ইসরায়েলকে ‘বেদনাদায়ক জবাব’ দিয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ‘সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে’।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তবে জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, যদি দক্ষিণ লেবাননসহ অন্য কোথাও আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রিফাত/

শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিতে প্রথমদিকে অনিচ্ছুক ছিল তেল আবিব। অনেকের মতে, ইসরায়েল শুধু যুদ্ধ অব্যাহত রাখতেই আগ্রহী ছিল না, বরং এই সংঘাত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান ও ভাবমূর্তির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।

সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার একটি ফোনালাপের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ইসরায়েলের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে এমন ধারণা তৈরি হয় যে, নেতানিয়াহু অনেক ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ধারণা করা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত না করতে এবং বৈরুতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা থেকে বিরত থাকতে কঠোরভাবে সতর্ক করেছিলেন। 

এ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ইসরায়েলের একটি অংশের কাছে নেতানিয়াহুর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে শুধু একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবেই নয়, বরং ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকেও উপেক্ষা করতে প্রস্তুত একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছেন।

ফলে যখন তাকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়, তখন বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তার জন্য খুব ইতিবাচক বার্তা বহন করেনি। 

অনেক ইসরায়েলির মধ্যে এমন প্রত্যাশাও ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা বা আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর হাতে কোনো না কোনো গোপন কৌশল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী অংশের স্বার্থ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। 

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই সংঘাত অপরিহার্য। এসব লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি প্রতিষ্ঠা।

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, এর পেছনে কেবল নিরাপত্তা বা কৌশলগত বিবেচনাই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও কাজ করছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য নির্বাচন এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্নে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

থিও/

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু এবং ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) এই দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ও পরিবহন অবকাঠামো ভেঙে পড়ে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বেশ কিছু অংশে সুনামি সতর্কতা জারি করার পর জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাও অঞ্চলের উপকূলবর্তী এলাকা, যা ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও পরিবহন কেন্দ্র ‘জেনারেল সান্তোস সিটি’র কাছাকাছি অবস্থিত।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পের ফলে বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়াসহ ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আটকেপড়াদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়াসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে অনেক জায়গার সতর্কতা তুলে নেওয়া হয় বা কমিয়ে আনা হয়।

তা সত্ত্বেও, পূর্বসতর্কতা হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের ওপরও। নিরাপত্তার স্বার্থে ‘জেনারেল সান্তোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়, যার ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পে ডজন খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে পুনরায় প্রবেশ না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় পর্যটন ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের বড় আকারের প্রাকৃতিক বিপর্যয় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, এই ঘটনাটি আবারও তা মনে করিয়ে দিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ফলে এখানে প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

মিন্দানাওজুড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। এরই মধ্যে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে সব ধরনের সহায়তা দিতে এবং চলমান ঝুঁকিগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে সরকারি সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র: আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ও হেলথ ইনস্যুরেন্স জার্নাল

তামান্না রুপা/

ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা
ছবি: আল জাজিরা থেকে

ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ইসরায়েল ইরানের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করার পর এই হামলা চালাল ইরান।

কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি ফ্লেক্সিবল ফোম এবং রিজিড ফোম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উৎপাদন করে। এই রাসায়নিকগুলোর মধ্যে একটি হলো টলুইন ডাইআইসোসায়ানেট (টিডিআই), যা এই অঞ্চলে একমাত্র ইরানই উৎপাদন করে থাকে।

বৈশ্বিক সরবরাহের ক্ষেত্রে, এই রাসায়নিকের ইরানি রপ্তানি মোট বাজারের ২ শতাংশেরও কম, তাই এর প্রভাব ততটা গভীর নয়।

ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের হাইফায় একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে।

তারা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, এই অঞ্চলে বেসামরিক ও জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আরও হামলা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

থিও/অমিয়/