যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার মিনিয়াপলিসে একটি স্কুলে বন্দুকধারী সন্ত্রাসীর হামলায় দুই শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও নিহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাত শিক্ষার্থীর অকস্থা গুরুতর। আহত সকল শিক্ষার্থীর বয়স ৬ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।
মিনিয়াপলিস পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (২৭ আগস্ট) দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি ক্যাথলিক চার্চ স্কুলে গুলির ঘটনায় তারা তৎপর ছিলেন এবং হামলাকারীকে ‘নিয়ন্ত্রণে’ আনা হয়েছে। পুলিশ জানায়, হামলাকারীর বয়স ২০ বছর এবং সে একাই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থলে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় হেন্নেপিন হেলথকেয়ারের জরুরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ার থমাস ওয়ায়াট জানান, সাত শিশুকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে চারজনকে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছে। বর্তমানে সবাই জীবিত আছে।
মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিভেন, ‘‘আমি অ্যানানসিয়েশন ক্যাথলিক স্কুলে ঘটে যাওয়া গুলিবিদ্ধ ঘটনার ওপর ব্রিফিং পেয়েছি এবং আরও তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপডেট দেওয়া হবে।’’
ওয়ালজ বলেন, “আমি আমাদের শিশু এবং শিক্ষকদের জন্য প্রার্থনা করছি, যাদের স্কুলের প্রথম সপ্তাহটি এই ভয়ঙ্কর সহিংসতার ঘটনায় ছেঁড়া পড়েছে,” তিনি সম্ভাব্য আহতদের বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এ ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি গুলিবিদ্ধ ঘটনার বিষয়ে ব্রিফিং পেয়েছেন এবং এটিকে “ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে লিখেছেন, “আমি মিনিয়াপলিস, মিনেসোটায় ঘটে যাওয়া দুঃখজনক গুলিবিদ্ধ ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে ব্রিফিং পেয়েছি। এফবিআই দ্রুত সাড়া দিয়েছে এবং তারা সক্রিয় রয়েছে। হোয়াইট হাউস এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। দয়া করে এই ঘটনায় জড়িত সকলের জন্য প্রার্থনায় আমাদের সাথে যোগ দিন!” সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি
মাহফুজ/