ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বরাদ্দ অর্থের ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে চার স্তরে মজুত, জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ভোটের দায়িত্বে মারা গেলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে আলোচনা বিলম্ব করার ‘মূল্য দিতে হবে’: ট্রাম্প আড়াইহাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার পাবনায় সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে বাস উল্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ শিক্ষার্থী আহত সিংগাইরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু: ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা চার দিনের সংগীত উৎসবে মেতে উঠছে ঢাকা সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’ জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস ‘ফেসবুক ফার্স্ট’ রতন শেখ চতুর্থবার সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প
Nagad desktop

ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকার নির্বাচনে মোদি প্রধানমন্ত্রী?

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০৮:২৪ এএম
আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০৯:০২ এএম
ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকার নির্বাচনে মোদি প্রধানমন্ত্রী?
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন গত বছরের জুনে। যদিও বিজেপি ওই নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, তবু তেলেগু দেশম, জনতা দল ইউনাইটেডের মতো শরিকদের সমর্থন নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গড়তে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু তৃতীয় মেয়াদের সরকার এখনো ১৫ মাস অতিক্রম করেনি। ইতোমধ্যেই বিরোধী দলগুলো মোদির ইস্তফা দাবি করতে শুরু করেছে।

লোকসভায় বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী কয়েক দিন ধরে দাবি করছেন, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি যে ভোটে জিতেছেন, তা ‘ভুলভাল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে’ হয়েছে। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, এই ভুল নির্বাচন কমিশনের ইশারায় ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে।

গত বুধবার বিহারের মুজফফরপুরে নির্বাচনি সভায় রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ‘বৈধ ভোটারদের ভোট কেটে, জাল ভোটারদের নাম তালিকায় যোগ করে মোদি ভোটে জিতেছেন। এ কাজে তাকে সাহায্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও নির্বাচন কমিশন।’

কংগ্রেসের সঙ্গে অনেক বিষয়ে মতভেদ থাকলেও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগের পাশে দাঁড়িয়েছে। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা অভিষেক ব্যানার্জি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি মেনে নেয় ভোটার তালিকায় প্রচুর অসংগতি আছে, বর্তমান সরকার ওই তালিকার ভিত্তিতে ক্ষমতায় এসেছে, তাহলে সরকারের কোনো বৈধতা নেই। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার পদত্যাগ করা উচিত, আর লোকসভা অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া উচিত।’

ভোট চুরি ও এসআইআর বিতর্ক
বিরোধীদের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। মোদি সরকার এক দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকলেও এত বড় বিতর্ক আগে হয়নি। বিজেপি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করছে। কিন্তু ভোটার তালিকায় ‘এসআইআর’ বা বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনার প্রয়োজন মেনে নিয়েছে।
জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্বীকার করেছে, কিছু রাজ্যের তালিকায় প্রচুর ভুয়া নাম রয়েছে। বিহারে নভেম্বরের নির্বাচনের আগে এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে ৬৫ লাখের বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন, বিহার বা পশ্চিমবঙ্গের তালিকায় ভুল। কিন্তু মহারাষ্ট্র বা গুজরাটে সব ঠিক থাকায় কিভাবে মোদি সরকারের বৈধতা অক্ষত থাকছে।

রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, ‘গুজরাট থেকে ভোট চুরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যখন মোদি ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সালে সেই মডেল জাতীয় স্তরে আমদানি করা হয়েছে। গুজরাট মডেল কোনো অর্থনৈতিক মডেল নয়, এটা ভোট চুরির মডেল।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রমাণ হাতে না থাকার কারণে এতদিন কিছু বলিনি। কিন্তু মহারাষ্ট্রে প্রমাণ পেয়েছি, যেখানে ভোটার তালিকায় এক কোটি অতিরিক্ত নাম যোগ হয়েছে, যা বিজেপির ঝুলিতে গেছে। মহারাষ্ট্র ও বিধানসভা ভোট এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট চুরি করে জেতানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এতে সহযোগিতা করেছে।’

ডিএমকে, আরজেডি, তৃণমূলের সমর্থন
রাহুল গান্ধীর অভিযোগের প্রতি ডিএমকে, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি ও আরজেডি সমর্থন দিয়েছে। মুজফফরপুরের সমাবেশে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন রাহুলের অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে উপস্থিত ছিলেন।
তৃণমূলের অভিষেক ব্যানার্জি দাবি করেছেন, ‘যদি এসআইআর করতে হয়, তাহলে শুধু কিছু রাজ্য নয়, গোটা দেশে তালিকা সংশোধন করতে হবে। আর তার সূচনা হতে হবে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের মাধ্যমে।’ তিনি মনে করিয়ে দেন, এই ভোটার তালিকার ভিত্তিতে মোদি ও বিজেপির ২৪০ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। যারা দেশের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টও নির্বাচন করেছেন।

বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের অবস্থান
বিজেপি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। মুখপাত্র শাহনাজ পুনেওয়ালা বলেন, ‘রাহুল গান্ধী দাবি করছেন, মোদি ভোট চুরি করেছেন। কিন্তু ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের বেশির ভাগ সময় কংগ্রেসই কেন্দ্র শাসন করছিল। তখনো কমিশনার নিয়োগ হয়েছিল কংগ্রেস সরকারের। রাহুল কি বলতে চাইছেন তাদের আমলের কমিশনাররাই মোদিকে ভোট চুরি করিয়ে জিতিয়েছেন?’
আরপি সিং বলেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম এস গিল অবসরের পর কংগ্রেস তাকে এমপি ও মন্ত্রী বানিয়েছে।

এদিকে বর্তমান নির্বাচন কমিশন ১৭ আগস্ট জানিয়েছিল, রাহুল গান্ধী যদি ৭ দিনের মধ্যে তার অভিযোগের স্বপক্ষে হলফনামা না দেন, তাহলে অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে। রাহুল হলফনামা দেননি এবং অভিযোগ প্রত্যাহারও করেননি। কমিশন স্পষ্ট করেছে, এই অভিযোগ নিয়ে কোনো তদন্ত হবে না। সূত্র: বিবিসি। 

ইরানকে আলোচনা বিলম্ব করার ‘মূল্য দিতে হবে’: ট্রাম্প

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ইরানকে আলোচনা বিলম্ব করার ‘মূল্য দিতে হবে’: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছতে ইরান অনেক বেশি সময় নিয়েছে এবং এখন তাদের ‘মূল্য দিতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (১০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সামরিক বাহিনী ‘সম্পূর্ণভাবে পরাজিত’ হয়েছে। 

এ মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে এবং এপ্রিলে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চাপে পড়েছে।

ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি শেষ!!! তারা এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অনেক বেশি সময় নিয়েছে, যা তাদের জন্য খুবই ভালো হতে পারত। এখন তাদের মূল্য দিতে হবে!!!’

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটাতে আলোচনা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে এবং ‘দুই-তিন দিনের মধ্যেই’ তা শেষ হতে পারে। বুধবারের বক্তব্য তার সেই অবস্থান থেকে ভিন্ন ইঙ্গিত দিল।

মঙ্গলবার গভীর রাতে মার্কিন বাহিনী জানায়, সোমবার একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনায় প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে। ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে বিস্ফোরণের খবর জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।

পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, মার্কিন বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী ইরানের কমান্ড ও কন্ট্রোল, প্রতিরক্ষা এবং নজরদারি স্টেশনগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান বুধবার দাবি করেছে যে তারা জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীসহ ৪১ জন মন্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করে ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নবান্ন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর, ত্রাণ ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তর, বিদ্যুৎ দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর। 

এছাড়া, যেসব দপ্তর অন্য মন্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি, সেগুলোর দায়িত্বও মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই থাকবে।

গত ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ব্রিগেড ময়দানে শুভেন্দুর সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। পরে ১ জুন আরও ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন।

পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায় দপ্তর বণ্টনের পর নিশীথ প্রামাণিককে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

দিলীপ ঘোষ পেয়েছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন দপ্তর। 

অগ্নিমিত্রা পালের হাতে দেওয়া হয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। 

অশোক কীর্তনিয়া পেয়েছেন খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায় দপ্তরের দায়িত্ব। 

ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে দেওয়া হয়েছে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদরাসা শিক্ষা দপ্তর।

নবান্নের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে নিউ টাউনের রামমন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে শারদ্বতের নাম স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হলো।

পর্যটন এবং পরিষদীয় বিষয়ক দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষকে। 

শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের পাশাপাশি অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সরকারি উদ্যোগ এবং শিল্প পুনর্গঠন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন তাপস রায়। 

অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বপন দাশগুপ্তকে।

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব। 

স্কুলশিক্ষা, আবাসন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে।

বীরভূমের প্রবীণ বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডল হয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। অর্জুন সিংহ পেয়েছেন শ্রম ও পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব। মনোজ ওরাওঁকে বন ও পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পূর্ত দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অজয় পোদ্দার। গৌরীশঙ্কর ঘোষের হাতে দেওয়া হয়েছে অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন, জনশিক্ষা প্রসার এবং গ্রন্থাগার দপ্তর।

তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যাণ চক্রবর্তী। অরূপকুমার দাস হয়েছেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব

গত ১ জুন শপথ নেওয়া তিন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর মধ্যেও দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

মালতি রাভা রায়কে নারী ও শিশুকল্যাণ, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্বনিযুক্তি এবং প্রকল্প পর্যবেক্ষণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজেশ মাহাতো হয়েছেন প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও মৎস্য দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী।

ইন্দ্রনীল খাঁ পেয়েছেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর

নবান্ন ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টনের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

জুয়েল মুর্মুকে আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। হরেকৃষ্ণ বেরা হয়েছেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আনন্দময় বর্মণ।

কলিতা মাজিকে আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী এবং সুমনা সরকারকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অধীন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশাল লামা।

এছাড়া অশোক দিন্ডাকে কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে মুজাফফারাবাদের কাছে সেনাবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানায়।

দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করে সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে যে, হেলিকপ্টারটি উড্ডয়নের সময় ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’  দেখা দিলে এটি বিধ্বস্ত হয়ে সব আরোহী নিহত হন।

সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আরও জানায়,  দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে তদন্ত বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন। সূত্র: জিও টিভি

অমিয়/

আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য চার নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৭ সালের শেষ দিকে মিশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও মহাকাশযান পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে এই অভিযানে।

দলটিতে যারা রয়েছেন, তারা হলেন- নাসার নভোচারী আন্দ্রে ডগলাস, ফ্রাঙ্ক রুবিও ও র‌্যান্ডি ব্রেসনিক। তাদের সঙ্গে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ইতালীয় নভোচারী লুকা পারমিতানো।

নাসার বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্টেমিস-৩ সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবে না। বরং পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান কীভাবে একটি চন্দ্র অবতরণযানের সঙ্গে সংযুক্ত বা ডকিং করতে পারে, তা পরীক্ষা করা হবে।

ভবিষ্যতে চাঁদে নিরাপদে অবতরণের ঝুঁকি কমানোই এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য।

নাসা জানায়, পরীক্ষামূলক এই মিশনে স্পেসএক্সের স্টারশিপ এবং ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন ল্যান্ডারের এক বা উভয়টির সঙ্গে ওরিয়নের ডকিং হতে পারে। তবে কোন যানটি সময়মতো প্রস্তুত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডার উন্নয়ন কার্যক্রমে নানা বিলম্ব ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

নাসার প্রশাসক জানিয়েছেন, ওরিয়ন প্রথমে ব্লু মুনের সঙ্গে এবং পরে স্টারশিপের সঙ্গে ডকিং করতে পারে। ব্লু মুনের সঙ্গে প্রায় দুই দিন অবস্থান করে নভোচারীরা জীবনরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি পরীক্ষা করবেন। এরপর স্টারশিপের সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য সংযুক্ত হবে ওরিয়ন।

তবে এই মিশনে নভোচারীরা স্টারশিপের ভেতরে প্রবেশ করবেন না। কারণ যানটির পূর্ণাঙ্গ ক্রু কেবিন ও জীবনরক্ষা ব্যবস্থা এখনো উন্নয়নাধীন রয়েছে।

মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের মাধ্যমে যাত্রা শেষ হবে।

নাসার ঘোষিত চার নভোচারীর মধ্যে র‌্যান্ডি ব্রেসনিক মিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অভিজ্ঞ এই নভোচারী এর আগে স্পেস শাটল ও রাশিয়ার সয়ুজ মহাকাশযানে উড়েছেন।

আন্দ্রে ডগলাসের জন্য এটি হবে প্রথম মহাকাশযাত্রা। ফ্রাঙ্ক রুবিও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে টানা ৩৭০ দিনের বেশি সময় অবস্থান করে মার্কিন নভোচারীদের মধ্যে দীর্ঘতম একক মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন।

অন্যদিকে লুকা পারমিতানো দুই বার মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রথম ইতালীয় কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচিত বিষয় হলো, আর্টেমিস-৩ দলের চার সদস্যই পুরুষ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাসার কোনো বড় মিশনে এমন পুরুষ দল খুব কমই দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ব্রেসনিক বলেন, নারী নভোচারীদের বাদ দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মিশনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ক্রু নির্বাচন করা হয়েছে। 

নাসা আশা করছে, আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের ভিত্তি তৈরি করবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মানুষের চাঁদে অবতরণের পথ সুগম করবে।

খাদিজা রুমি/অমিয়/

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া চার তরুণ কখনোই দেশের গৃহযুদ্ধে অংশ নিতে চাননি। তারা কেউই বিদ্রোহী হতে চাননি, আবার সামরিক বাহিনীর সৈনিক হওয়ারও ইচ্ছা ছিল না।

সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে তাদের একজন ছিলেন রাঁধুনি, যাকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে আটক করে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আরেকজন গভীর রাতে কারাওকে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গ্রেপ্তার হন। তৃতীয় ব্যক্তি বন বিভাগে কর্মরত ছিলেন; তাকেও আটক করে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়। চতুর্থ তরুণের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার জুতার মধ্যে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয় এবং পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়।

১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই চার তরুণ বিবিসিকে বলেন, ‘কী ঘটছে তা বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সরাসরি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়েছিল।’

তাদের একজন বলেন, ‘আমাদের দিয়ে এমন সব কাজ করানো হয়েছে, যা আমরা করতে চাইনি। সকাল, দুপুর কিংবা রাত- কোনো সময়ই বিশ্রাম পাইনি। বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ পাওয়া সদস্যদের দিয়েই সব কাজ করানো হতো। অথচ নিয়মিত সৈন্যদের কাজ তুলনামূলকভাবে কম এবং সহজ ছিল।’

চার মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তাদের কারেন অঙ্গরাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানে এক রাতে গোসল করতে যাওয়ার পথে তারা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পালানোর পর তারা নিকটবর্তী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) একটি টহল দলের হাতে আটক হন। বর্তমানে তারা বিদ্রোহীদের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।

পিডিএফের ভাষ্য, সেখানে তাদের অপরিচিত হিসেবে নয়, বরং ভাইয়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে।

চার তরুণ আপাতত পিডিএফের সঙ্গেই থাকবেন। পরে তাদের থাইল্যান্ড সীমান্তে পাঠানো হবে। কারণ, তাদের আশঙ্কা- এখন ফিরে গেলে সেনাবাহিনী তাদের খুঁজে বের করতে পারে।

বাধ্যতামূলক নিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে জান্তা বাহিনী

চার তরুণের অনিচ্ছাকৃত সেনাজীবন মায়ানমারের সাম্প্রতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর বাধ্যতামূলক নিয়োগনীতি গৃহযুদ্ধে জান্তা সরকারের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। এরপর আটক করা হয় দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে।

দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই বছরেরও বেশি সময় আগে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী জোট দেশজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক এলাকায় বিদ্রোহীরা রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে গেছেন।

যদিও সামরিক বাহিনী এখনো দেশের অর্ধেকেরও কম এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তবু তারা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টাউনশিপ পুনর্দখল করেছে। উত্তরে মান্দালয় থেকে মিতকিনাগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কও পুনরুদ্ধার করেছে। পাশাপাশি কাচিন, চিন ও কারেন অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো পুনর্নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজারো সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

খাদিজা রুমি/অমিয়/