ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’ জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দারিদ্র‍্য থেকে মুক্তি–পথের সন্ধানে পরিবেশ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রস্তাব জোবাইদা রহমানের আম উৎসব আয়োজন করল স্বপ্ন, সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে মৌসুমি আনন্দের ছোঁয়া সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব গোপালগঞ্জে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনায় যোগ দিলেন ব্রাজিল সমর্থক শেষ বিশ্বকাপের আগে শিশুর মতো উচ্ছ্বসিত নেইমার বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
Nagad desktop

সুইডেনে হ্যাকারদের হাতে জিম্মি প্রধান আইটি সিস্টেম সরবরাহকারী সংস্থা

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:১৫ পিএম
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:২২ পিএম
সুইডেনে হ্যাকারদের হাতে জিম্মি প্রধান আইটি সিস্টেম সরবরাহকারী সংস্থা
ছবি: সংগৃহীত

সুইডেনের একটি আইটি সিস্টেম সরবরাহকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা হয়েছে। এতে দেশটির অন্তত ১৫ লাখ নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হয়েছে বলে সুইডিশ প্রসিকিউটরের কার্যালয় ঘোষণা করেছে।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

এই সাইবার আক্রমণের পর মিলিজোডেটা নামের সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে উন্মোচিত হয়ে যায়। সুইডেনের ১ কোটি ৬ লাখ জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ নাগরিক এতে আক্রান্ত হয়েছেন।

মিলিজোডেটা সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় আইটি সিস্টেম সরবরাহকারী সংস্থা। চলতি বছরের ২৩-২৪ আগস্টের সপ্তাহান্তে এই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে আইটি সিস্টেম সরবরাহকারীর উপর আক্রমণে চুরি হওয়ার এই তথ্য এতদিন পর প্রকাশ করা হয়েছে। 

সুইডেনের আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আইন ও বিচার মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান প্রসিকিউটর স্যান্ড্রা হেলগাডোটির জানান, বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে।

মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে ১৫ শতাংশ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি দেশটির ১৬৪টি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন, ৪টি প্রাদেশিক সরকার এবং অনেক বেসরকারি কোম্পানির তথ্যও বেহাত হয়েছে।

স্যান্ড্রা হেলগাডোটির জানান, আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি ১৫ লাখ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার ব্যাপারটিকে। এ পর্যন্ত তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে, এই হামলা সুইডেনের কোনো হ্যাকার বা হ্যাকার গ্রুপই ঘটিয়েছে। বিদেশি কোনো হ্যাকার বা হ্যাকারগ্রুপের সংশ্লিষ্টতা এখনও পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। সুইডেন সরকারের কাছে একটি ‘প্রস্তাব’ দিয়েছে হ্যাকাররা। তারা বলছে, যদি ১ দশমিক ৫ বিটকয়েন বা ১৭ লাখ ডলার তাদের প্রদান করা হয়— তাহলে চুরি করা কোনো তথ্য ফাঁস বা বিক্রি করবে না তারা।

তাদের দাবি করা অর্থ প্রদান না করা হলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে এসব তথ্য ডার্কনেট বা ডার্কওয়েভে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে হ্যাকাররা।

এদিকে, সাইবার হামলা হওয়ার পর থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সুইডেনের বিভিন্ন থানায় ৩ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন।

সুলতানা দিনা/

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীসহ ৪১ জন মন্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করে ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নবান্ন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর, ত্রাণ ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তর, বিদ্যুৎ দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর। 

এছাড়া, যেসব দপ্তর অন্য মন্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি, সেগুলোর দায়িত্বও মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই থাকবে।

গত ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ব্রিগেড ময়দানে শুভেন্দুর সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। পরে ১ জুন আরও ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন।

পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায় দপ্তর বণ্টনের পর নিশীথ প্রামাণিককে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

দিলীপ ঘোষ পেয়েছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন দপ্তর। 

অগ্নিমিত্রা পালের হাতে দেওয়া হয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। 

অশোক কীর্তনিয়া পেয়েছেন খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায় দপ্তরের দায়িত্ব। 

ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে দেওয়া হয়েছে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদরাসা শিক্ষা দপ্তর।

নবান্নের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে নিউ টাউনের রামমন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে শারদ্বতের নাম স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হলো।

পর্যটন এবং পরিষদীয় বিষয়ক দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষকে। 

শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের পাশাপাশি অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সরকারি উদ্যোগ এবং শিল্প পুনর্গঠন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন তাপস রায়। 

অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বপন দাশগুপ্তকে।

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব। 

স্কুলশিক্ষা, আবাসন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে।

বীরভূমের প্রবীণ বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডল হয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। অর্জুন সিংহ পেয়েছেন শ্রম ও পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব। মনোজ ওরাওঁকে বন ও পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পূর্ত দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অজয় পোদ্দার। গৌরীশঙ্কর ঘোষের হাতে দেওয়া হয়েছে অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন, জনশিক্ষা প্রসার এবং গ্রন্থাগার দপ্তর।

তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যাণ চক্রবর্তী। অরূপকুমার দাস হয়েছেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব

গত ১ জুন শপথ নেওয়া তিন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর মধ্যেও দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।

মালতি রাভা রায়কে নারী ও শিশুকল্যাণ, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্বনিযুক্তি এবং প্রকল্প পর্যবেক্ষণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজেশ মাহাতো হয়েছেন প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও মৎস্য দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী।

ইন্দ্রনীল খাঁ পেয়েছেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর

নবান্ন ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টনের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

জুয়েল মুর্মুকে আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। হরেকৃষ্ণ বেরা হয়েছেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আনন্দময় বর্মণ।

কলিতা মাজিকে আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী এবং সুমনা সরকারকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অধীন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশাল লামা।

এছাড়া অশোক দিন্ডাকে কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে মুজাফফারাবাদের কাছে সেনাবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানায়।

দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করে সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে যে, হেলিকপ্টারটি উড্ডয়নের সময় ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’  দেখা দিলে এটি বিধ্বস্ত হয়ে সব আরোহী নিহত হন।

সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আরও জানায়,  দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে তদন্ত বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন। সূত্র: জিও টিভি

অমিয়/

আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য চার নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৭ সালের শেষ দিকে মিশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও মহাকাশযান পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে এই অভিযানে।

দলটিতে যারা রয়েছেন, তারা হলেন- নাসার নভোচারী আন্দ্রে ডগলাস, ফ্রাঙ্ক রুবিও ও র‌্যান্ডি ব্রেসনিক। তাদের সঙ্গে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ইতালীয় নভোচারী লুকা পারমিতানো।

নাসার বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্টেমিস-৩ সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবে না। বরং পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান কীভাবে একটি চন্দ্র অবতরণযানের সঙ্গে সংযুক্ত বা ডকিং করতে পারে, তা পরীক্ষা করা হবে।

ভবিষ্যতে চাঁদে নিরাপদে অবতরণের ঝুঁকি কমানোই এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য।

নাসা জানায়, পরীক্ষামূলক এই মিশনে স্পেসএক্সের স্টারশিপ এবং ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন ল্যান্ডারের এক বা উভয়টির সঙ্গে ওরিয়নের ডকিং হতে পারে। তবে কোন যানটি সময়মতো প্রস্তুত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডার উন্নয়ন কার্যক্রমে নানা বিলম্ব ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

নাসার প্রশাসক জানিয়েছেন, ওরিয়ন প্রথমে ব্লু মুনের সঙ্গে এবং পরে স্টারশিপের সঙ্গে ডকিং করতে পারে। ব্লু মুনের সঙ্গে প্রায় দুই দিন অবস্থান করে নভোচারীরা জীবনরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি পরীক্ষা করবেন। এরপর স্টারশিপের সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য সংযুক্ত হবে ওরিয়ন।

তবে এই মিশনে নভোচারীরা স্টারশিপের ভেতরে প্রবেশ করবেন না। কারণ যানটির পূর্ণাঙ্গ ক্রু কেবিন ও জীবনরক্ষা ব্যবস্থা এখনো উন্নয়নাধীন রয়েছে।

মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের মাধ্যমে যাত্রা শেষ হবে।

নাসার ঘোষিত চার নভোচারীর মধ্যে র‌্যান্ডি ব্রেসনিক মিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অভিজ্ঞ এই নভোচারী এর আগে স্পেস শাটল ও রাশিয়ার সয়ুজ মহাকাশযানে উড়েছেন।

আন্দ্রে ডগলাসের জন্য এটি হবে প্রথম মহাকাশযাত্রা। ফ্রাঙ্ক রুবিও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে টানা ৩৭০ দিনের বেশি সময় অবস্থান করে মার্কিন নভোচারীদের মধ্যে দীর্ঘতম একক মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন।

অন্যদিকে লুকা পারমিতানো দুই বার মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রথম ইতালীয় কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচিত বিষয় হলো, আর্টেমিস-৩ দলের চার সদস্যই পুরুষ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাসার কোনো বড় মিশনে এমন পুরুষ দল খুব কমই দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ব্রেসনিক বলেন, নারী নভোচারীদের বাদ দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মিশনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ক্রু নির্বাচন করা হয়েছে। 

নাসা আশা করছে, আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের ভিত্তি তৈরি করবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মানুষের চাঁদে অবতরণের পথ সুগম করবে।

খাদিজা রুমি/অমিয়/

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া চার তরুণ কখনোই দেশের গৃহযুদ্ধে অংশ নিতে চাননি। তারা কেউই বিদ্রোহী হতে চাননি, আবার সামরিক বাহিনীর সৈনিক হওয়ারও ইচ্ছা ছিল না।

সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে তাদের একজন ছিলেন রাঁধুনি, যাকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে আটক করে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আরেকজন গভীর রাতে কারাওকে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গ্রেপ্তার হন। তৃতীয় ব্যক্তি বন বিভাগে কর্মরত ছিলেন; তাকেও আটক করে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়। চতুর্থ তরুণের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার জুতার মধ্যে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয় এবং পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়।

১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই চার তরুণ বিবিসিকে বলেন, ‘কী ঘটছে তা বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সরাসরি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়েছিল।’

তাদের একজন বলেন, ‘আমাদের দিয়ে এমন সব কাজ করানো হয়েছে, যা আমরা করতে চাইনি। সকাল, দুপুর কিংবা রাত- কোনো সময়ই বিশ্রাম পাইনি। বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ পাওয়া সদস্যদের দিয়েই সব কাজ করানো হতো। অথচ নিয়মিত সৈন্যদের কাজ তুলনামূলকভাবে কম এবং সহজ ছিল।’

চার মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তাদের কারেন অঙ্গরাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানে এক রাতে গোসল করতে যাওয়ার পথে তারা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পালানোর পর তারা নিকটবর্তী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) একটি টহল দলের হাতে আটক হন। বর্তমানে তারা বিদ্রোহীদের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।

পিডিএফের ভাষ্য, সেখানে তাদের অপরিচিত হিসেবে নয়, বরং ভাইয়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে।

চার তরুণ আপাতত পিডিএফের সঙ্গেই থাকবেন। পরে তাদের থাইল্যান্ড সীমান্তে পাঠানো হবে। কারণ, তাদের আশঙ্কা- এখন ফিরে গেলে সেনাবাহিনী তাদের খুঁজে বের করতে পারে।

বাধ্যতামূলক নিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে জান্তা বাহিনী

চার তরুণের অনিচ্ছাকৃত সেনাজীবন মায়ানমারের সাম্প্রতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর বাধ্যতামূলক নিয়োগনীতি গৃহযুদ্ধে জান্তা সরকারের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। এরপর আটক করা হয় দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে।

দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই বছরেরও বেশি সময় আগে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী জোট দেশজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক এলাকায় বিদ্রোহীরা রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে গেছেন।

যদিও সামরিক বাহিনী এখনো দেশের অর্ধেকেরও কম এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তবু তারা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টাউনশিপ পুনর্দখল করেছে। উত্তরে মান্দালয় থেকে মিতকিনাগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কও পুনরুদ্ধার করেছে। পাশাপাশি কাচিন, চিন ও কারেন অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো পুনর্নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজারো সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের নতুন করে বিমান হামলায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'গত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পক্তিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে'।

খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলায় ৯ জন নিহত ও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

পাশের পক্তিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় পৃথক আরেকটি হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে ইসলামাবাদ বরাবরই দাবি করে আসছে, আফগানিস্তানে তাদের হামলার লক্ষ্য সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। সে সময় সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ লড়াই এবং পাকিস্তানের নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়, যার লক্ষ্য ছিল আফগান রাজধানী কাবুল এবং দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার শহর।

থিও/অমিয়/