ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড়
Nagad desktop

নতুন বছরের প্রথম দিনে দায়িত্ব নিচ্ছেন জোহরান মামদানি

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১৭ পিএম
নতুন বছরের প্রথম দিনে দায়িত্ব নিচ্ছেন জোহরান মামদানি

নিউইয়র্কের নব-নির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরের প্রথম মুসলিম মেয়র নতুন বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।

নিউইয়র্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, নতুন বছরের প্রাক্কালে মধ্যরাতে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস এক বেসরকারি অনুষ্ঠানে ‘ওল্ড সিটি হল স্টেশন’ নামের একটি সাবওয়ে স্টেশনে নতুন মেয়রকে শপথ পাঠ করাবেন। তিনি মামদানির বন্ধু এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধী হিসেবে পরিচিত। 

মামদানির কার্যালয় জানিয়েছে, ভূগর্ভস্থ এই স্থানটি ‘প্রতিদিন আমাদের শহর সচল রাখেন এমন শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রতিফলন’।

দুপুরে ভারমন্টের বামপন্থী প্রবীণ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স সিটি হলের বাইরে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত একটি বড় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক লিঙ্কন মিচেল বলেন, একটি পাড়াভিত্তিক উদযাপন অনুষ্ঠান উৎসবের আবহ প্রতিফলিত করবে ‘তার মূল বার্তাগুলোর একটি  ‘এটি একটি দারুণ শহর, এবং আমরা এখানে থাকতে ভালোবাসি’।

ঘোষিত সমাজতন্ত্রী মামদানি ৮৫ লাখ মানুষের এই মহানগরে জীবনযাত্রার অস্বাভাবিক ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।

তার অন্যতম প্রধান প্রস্তাব হলো ১০ লাখেরও বেশি অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া স্থগিত রাখা। তবে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ দেখভালকারী নগর বোর্ড—যেখানে বিদায়ী মেয়র এরিক অ্যাডামসের নিয়োগপ্রাপ্তদের আধিক্য এ বিষয়ে সহায়ক হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

মামদানির অন্যান্য প্রতিশ্রুুতি- ২ লাখ সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, সবার জন্য শিশুযত্ন সুবিধা, সরকারি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট এবং বিনা ভাড়ার বাস- এসবের বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।

তবে মামদানির হাতে একটি বড় তাস আছে: নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের সঙ্গে তাঁর চমৎকার সম্পর্ক, যিনি কর বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ অনুমোদন দেন—যেগুলো মামদানি চান।

নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক জন কেইন বলেন, নির্বাচন শেষ হলে ‘প্রতীকী বিষয় ভোটারদের কাছে সীমিত গুরুত্বই বহন করে। তখন ফলাফল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।’

প্রত্যাশার বিপরীতে নভেম্বরের শেষদিকে ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও মামদানির বৈঠকটি ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ ও শান্ত।

কেইন বলেন, মামদানি ‘বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ট্রাম্পের সঙ্গে একটি মিলের জায়গা খুঁজেছেন: নিউইয়র্ক সিটিকে বসবাসের জন্য আরও ভালো জায়গা করে তোলার আকাঙ্ক্ষা।’

কেইনের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ‘যাদের তাঁর কাছে খুব বেশি প্রভাবশালী মনে হয় না, তাদের প্রতি অনেক সময় আশ্চর্যজনকভাবে বন্ধুসুলভ হতে পারেন।’

তবে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের নিউইয়র্কে ক্রমবর্ধমান তৎপরতা উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।

৩৪ বছর বয়সে মামদানি নিউইয়র্কের ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ মেয়র। তার রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্তও সংক্ষিপ্ত। এর আগে তিনি একবারই নির্বাচিত পদে ছিলেন, স্টেট অ্যাসেম্বলির স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে।

এই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে তিনি অভিজ্ঞ সহকারীদের ঘিরে ধরছেন। পূর্ববর্তী মেয়রদের দপ্তর এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন থেকে তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে।

মামদানি ইতোমধ্যে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও সংলাপ শুরু করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ নির্বাচনে তাঁর জয় হলে ধনী নিউইয়র্কবাসীদের ব্যাপক প্রস্থান ঘটবে বলে আশঙ্কা করেছিলেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রিয়েল এস্টেট খাতের নেতারা সে দাবি নাকচ করেছেন।

ফিলিস্তিনি অধিকারের সমর্থক হিসেবে—এবং মুসলিম ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত হওয়ায় মেয়রকে ইহুদি সম্প্রদায়ের কাছে তাঁর অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বের ধরনও আশ্বস্ত করতে হবে।

সম্প্রতি তাঁর এক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি পদত্যাগ করেন, যখন জানা যায় তিনি কয়েক বছর আগে ইহুদিবিদ্বেষী টুইট করেছিলেন।

মিচেল বলেন, ‘নিউইয়র্কের মেয়র সবসময়ই একজন সাংস্কৃতিক চরিত্র।’

মামদানি ইতোমধ্যে তার প্রজন্মের সাংস্কৃতিক রুচির কিছু দিক তুলে ধরেছেন। র‌্যাপ সংগীতে স্বল্প পরিসরের অংশগ্রহণ, ম্যানহাটনে ইম্প্রোভ ক্লাস করা, এবং নিউইয়র্ক টাইমসের ভাষায় ‘গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হতে চাওয়া ত্রিশোর্ধ্বদের জন্য আদর্শ প্রাথমিক মানের স্যুট’ পরা।

নিউইয়র্কবাসীরা তার স্ত্রী, সিরিয়ায় জন্ম নেওয়া শিল্পী রামা দুওয়াজির প্রতি তার উচ্ছ্বসিত সমর্থনও ইতিবাচকভাবে লক্ষ করেছেন।

সোশ্যাল ব্লেডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অনুসারীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।

নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের মর্যাদাপূর্ণ ফ্যাশন ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রকাশনা ‘দ্য কাট’-এর প্রচ্ছদে তিনি সম্প্রতি নিজের পথচলার স্বাক্ষর রেখেছেন—যা শহরে নিজের জায়গা করে নিতে চাওয়া প্রতিটি তরুণ প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য।

তিনি বলেন, ‘দিনের শেষে আমি রাজনীতিক নই। আমি জেড-এর জন্য একটি সহায়ক ব্যবস্থা হতে এখানে আছি এবং একজন শিল্পী হিসেবে যতটা সম্ভব ভালোভাবে এই ভূমিকা ব্যবহার করতে চাই।’

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/