ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড় অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা প্রেমে পড়েছেন প্রভা! শাহরুখ খানের শুটিং সেটে সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারের শুরু দর্শকদের প্রতি শুভকামনা থাকল ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন আরিফিন শুভ চুয়াডাঙ্গায় অপরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ লোগো ব্যবহারে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ ডিসি অফিস চত্বরে হামলার শিকার সেই সমন্বয়ক মাহাদী ইউসিবির মূলধন দ্বিগুণ, ৪৩তম এজিএম সম্পন্ন কাশিয়ানীতে মোড়ের নাম রাখা হলো ‘ব্রাজিল মোড়’ গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকায় শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ভাঙ্গায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মারধর, এনসিপি নেতা আটক জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের যে তিন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ঘৃণিত ফিফার আপত্তির মুখে হাইতির বিশ্বকাপ জার্সিতে পরিবর্তন নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন শার্শায় সরকারি বাওড় জবরদখল, বিশুদ্ধ পানির সংকটে ৩ গ্রামের মানুষ ঠাকুরগাঁওয়ে বছরে ১৯১ আত্মহত্যা, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রবণতা বেশি
Nagad desktop

ইরানের বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
ইরানের বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তবে, দেশটির বিরুদ্ধে খুবই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধাবার (১৪ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ইরানে সহিংস দমন-পীড়নে এ পর্যন্ত ২,৪০০-এর বেশি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

গত সপ্তাহে ইরানে আটক হওয়া ২৬ বছর বয়সী এরফান সুলতানির আত্মীয়রা বিবিসি পার্সিয়ানকে জানিয়েছেন যে, বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও-এর একজন প্রতিনিধি বিবিসিকে বলেছেন যে, তারা কখনো কোনো মামলা এত দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগোতে দেখেননি।

বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিক্ষোভকারীদের সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি তাদের ফাঁসিতে ঝোলায়, তবে আপনারা অনেক কিছু দেখতে পাবেন... তারা এমন কিছু করলে আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।’

সুলতানির এক আত্মীয় বিবিসি পার্সিয়ানকে জানান, ইরানের একটি আদালত মাত্র দুই দিনের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত প্রক্রিয়ায় এই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আশঙ্কা করছেন যে, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সুলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

হেনগাও-এর প্রতিনিধি আউইয়ার শেখি বুধবার বিবিসির ‘রেডিও ৪ টুডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সুলতানিকে আটক করার মাধ্যমে ইরানি সরকার জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং আর কোনো বিক্ষোভ হতে না দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

শেখি আরও জানান, সুলতানির বোন- যিনি নিজে একজন আইনজীবী- এই মামলায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে যে এ বিষয়ে আর কিছু করার নেই।

ইরানে সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের শেষ মুহূর্তে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়। শেখি জানান, ইরানি কর্তৃপক্ষ পরিবারকে এরফানের মৃত্যুদণ্ডের আগে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার কথা বললেও, গ্রেপ্তারের পর থেকে তাকে পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।

ইরানের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, ২,০০০ মানুষ নিহত হয়েছে, তবে এর জন্য তিনি সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছেন।

এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, তিনি মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠকে অংশ নিয়ে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং বিক্ষোভের প্রকৃত নিহতের সংখ্যা জানার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউসে ফেরার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু আমরা এখনো নিশ্চিতভাবে জানি না। তিনি জানান যে, সংখ্যাটি পাওয়ার পর আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা সত্ত্বেও তারা এ পর্যন্ত ১২ জন শিশুসহ ২,৪০৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি আরও জানায় যে, সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৫০ জন ব্যক্তিও নিহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, বুধবার তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০০-এর বেশি সদস্য এবং তাদের ভাষায় আরও কিছু শহিদদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে বড় মূল্য দিতে হবে এবং তিনি জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও যোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। 

বিক্ষোভ দমনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামরিক ও অন্যান্য বিকল্প নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছেন। ইতোমধ্যে তিনি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইরান সরকার এর জবাবে অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে এবং সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই কৌশল আগেও ব্যর্থ হয়েছে।

মুদ্রার মান কমে যাওয়া এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকে ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৮০টি শহর ও জনপদে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল। দ্রুতই এটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নেয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই এখন ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করলে কর্তৃপক্ষ মারাত্মক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই অস্থিরতায় এ পর্যন্ত ১৮,৪৩৪ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মতো বিবিসিরও ইরানের ভেতর থেকে রিপোর্ট করার সুযোগ নেই, তাই রক্তক্ষয়ের প্রকৃত মাত্রা পরিমাপ করা কঠিন।

তবে রবিবার অনলাইনে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের কাহরিজাক ফরেনসিক সেন্টারে মানুষ তাদের প্রিয়জনদের মৃতদেহ খুঁজছে। বিবিসি ওই ফুটেজে অন্তত ১৮০টি চাদরে মোড়ানো মৃতদেহ এবং বডি ব্যাগ গণনা করেছে। সোমবার প্রকাশিত অন্য একটি ভিডিওতে সেই একই কেন্দ্রে আরও প্রায় ৫০টি মৃতদেহ দেখা গেছে।

সোমবার একজন অ্যাক্টিভিস্ট বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন, আমার এক বন্ধু তার ভাইয়ের খোঁজে সেখানে (কাহরিজাক) গিয়েছিল এবং সে নিজের দুঃখের কথা ভুলে গেছে। তারা প্রতিটি এলাকা থেকে মৃতদেহ স্তূপ করে রেখেছে। আপনারা সহিংসতার মাত্রার ভগ্নাংশও জানেন না।

লন্ডনভিত্তিক ইরানি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহরাম কোর্দাস্টি মঙ্গলবার বিবিসির ‘নিউজডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘তেহরানের এক সহকর্মীর কাছ থেকে তিনি সর্বশেষ যে বার্তাটি পেয়েছেন তাতে লেখা ছিল- অধিকাংশ হাসপাতাল এখন যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। আমাদের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, দুই-তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তারা শত শত আহত বা নিহত মানুষের চিকিৎসা দিয়েছেন।
কাস্পিয়ান সাগরের তীরের শহর রাশত-এর একজন বাসিন্দা শহরটিকে এখন চেনা যাচ্ছে না বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় আগুন জ্বলছে।’

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা ও দমন-পীড়ন অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সূত্র: বিবিসি

সুমন/

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/