ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড় অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা প্রেমে পড়েছেন প্রভা! শাহরুখ খানের শুটিং সেটে সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারের শুরু দর্শকদের প্রতি শুভকামনা থাকল ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন আরিফিন শুভ চুয়াডাঙ্গায় অপরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ লোগো ব্যবহারে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ ডিসি অফিস চত্বরে হামলার শিকার সেই সমন্বয়ক মাহাদী
Nagad desktop

১৩ দেশে যুদ্ধবিমানসহ অস্ত্র বিক্রি করবে পাকিস্তান!

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
১৩ দেশে যুদ্ধবিমানসহ অস্ত্র বিক্রি করবে পাকিস্তান!

ভারতের সঙ্গে গত বছর সংঘাতে ব্যবহৃত হওয়ার পর পাকিস্তানের জেট, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ‘যুদ্ধপরীক্ষিত’ তকমা পেয়েছে। আর ওই তকমা পাওয়ার পর থেকেই দেশটির প্রতিরক্ষা খাতের শিল্প এখন তুঙ্গে রয়েছে। এর ফলে বহু সম্ভাব্য ক্রেতার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে অবগত তিনজন পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছেন, চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ প্রশিক্ষণ বিমান, ড্রোন ও বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে ছয় থেকে আটটি দেশের সঙ্গে আলোচনা উন্নত পর্যায়ে রয়েছে।

তবে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো চুক্তির বিস্তারিত দেয়নি। যদিও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম কিনতে একাধিক দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এ ব্যাপারে সংবাদসংস্থা রয়টার্সের পক্ষ থেকে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও সাড়া মেলেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় অনেক দেশ নতুন সরবরাহ শৃঙ্খল খুঁজছে। গত মে মাসে ভারতের সঙ্গে বড় ধরনের আকাশযুদ্ধে পাকিস্তানের অস্ত্র পরীক্ষিত হওয়ার পর সেগুলো একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই যুদ্ধে পাকিস্তান বিমানবাহিনী চীনে তৈরি উন্নত জে-১০ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি জেএফ-১৭ ব্যবহার করেছিল।

এ ব্যাপারে প্রতিরক্ষা চুক্তি-সম্পর্কিত ৬টি সূত্র, তিনজন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এবং এক ডজন বিশ্লেষকের সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। তারা পাকিস্তানের অস্ত্র শিল্পের উত্থান সম্পর্কে ধারণা দেন এবং আলোচনার কিছু অপ্রকাশিত তথ্যও জানান। কয়েক জন বিশ্লেষক পাকিস্তান ভূরাজনৈতিক চাপ সামাল দিতে পারবে কি না এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তবে সবাই একমত যে পাকিস্তানি সামরিক সরঞ্জামে আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদিও অধিকাংশ বিশ্লেষকই সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনা মানেই চূড়ান্ত চুক্তি হবে, এমনটা নয়।

প্রতিরক্ষা উৎপাদনবিষয়ক মন্ত্রী রাজা হায়াত হাররাজ রয়টার্সকে বলেন, ‘এই আলোচনা চলছে, তবে আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সেগুলো ভেস্তেও যেতে পারে।’ তিনি আলোচনাগুলোকে ‘গোপন বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক প্রশ্ন আসছে এবং আমরা আলোচনা করছি।’ তিনি জানান, বিমানবাহিনীর সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় আগ্রহ দেখানো হয়েছে। হাররাজ পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ও অস্ত্রের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তৈরি বিকল্পগুলোর দামের পার্থক্যের কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, কিছু পশ্চিমা অস্ত্র প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও সেগুলোর দাম প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি ডলার যা জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, যেসব দেশ এই আলোচনায় যুক্ত রয়েছে তাদের মধ্যে আছে সুদান, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, ইথিওপিয়া, লিবিয়া ও নাইজেরিয়া। বাংলাদেশ ও ইরাকের সঙ্গে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়টি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। তবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

সম্ভাব্য প্রায় সব ক্রেতা দেশই পাকিস্তানের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। এর মধ্যে অনেক দেশই মুসলিমপ্রধান মধ্যপ্রাচ্যের। সেখানে পাকিস্তান ঐতিহাসিকভাবে নিরাপত্তা সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখে এসেছে। 

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়ে নিয়মিত অবহিত থাকা পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আসিম সুলেইমান বলেন, ‘এ ছাড়াও তিনটি আফ্রিকান দেশ ক্রেতা হিসেবে তালিকায় রয়েছে।’ 

তিনটি প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, সবচেয়ে অগ্রসর আলোচনাগুলোর একটি হলো বাংলাদেশের সঙ্গে একটি বিস্তৃত অস্ত্র, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় চুক্তি।

সূত্রগুলোর দেওয়া তথ্যানুসারে, এই আলোচনায় রয়েছে জেএফ-১৭ ব্লক থ্রি বহুমুখী যুদ্ধবিমান, এমএফআই-১৭ মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান, পাকিস্তানে তৈরি ড্রোন, যার মধ্যে শাহপার নজরদারি ও আক্রমণে সক্ষম মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) রয়েছে। এ ছাড়া আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং মোহাফিজ মাইন-প্রতিরোধী সাঁজোয়া যান রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/