ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের যে তিন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ঘৃণিত ফিফার আপত্তির মুখে হাইতির বিশ্বকাপ জার্সিতে পরিবর্তন নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঠাকুরগাঁওয়ে বছরে ১৯১ আত্মহত্যা, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রবণতা বেশি আবেগে রাঙা বিশ্বকাপ, জার্সিতে উচ্ছ্বাস দাউদকান্দিতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ দিনাজপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ র‍্যালি মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনরোধ ও সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জ বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫ চৌদ্দগ্রামে বাবাকে হত্যার ২০ বছর পর একইভাবে ছেলেকে হত্যা কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার দাবি মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে পলাশবাড়িতে বিএনপি-জামায়াতের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া বান্দরবান সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু রৌমারী সীমান্তে পুশইন রুখতে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা নতুন পে-স্কেলে থাকছে না আলাদা বরাদ্দ ফুটবলাদের অধিকার বাড়াতে ফিফা ও ফিফপ্রোর ঐতিহাসিক চুক্তি ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বিশ্বকাপে ইনজুরির কারণে যারা খেলতে পারবেন না ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রশ্নের মুখে ফিফা প্রধান মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয় আমাদের দেশে অর্থবছর কেন জুলাই থেকে শুরু হয় বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
Nagad desktop

দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন খলিলুর রহমানের নিয়োগ কি আরাকান করিডরের আভাস

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯ এএম
খলিলুর রহমানের নিয়োগ কি আরাকান করিডরের আভাস
ছবি: সংগৃহীত

তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে তিনি পশ্চিমা মহলে গ্রহণযোগ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তার নিয়োগকে কূটনৈতিক মহল ‘সতর্ক পুনঃসমন্বয়’ হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যু ও প্রস্তাবিত আরাকান মানবিক করিডর নিয়ে তার আগের অবস্থান নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি, ভারতের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ভারসাম্যের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে- এই নিয়োগ কি আরাকান করিডর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে? গতকাল বুধবার ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খলিলুর রহমান পশ্চিমা নীতিনির্ধারণী মহলে একজন সজ্জন ব্যক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ। ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যখন একটি তুলনামূলক একপেশে হিসেবে বিবেচিত বাণিজ্য চুক্তির প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে এগোচ্ছে, তখন তার নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। গত বছর তাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও।

ভারতে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক আর চক্রবর্তী বলেন, ‘খলিলুর রহমান বিএনপির অংশ না হয়েও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এসেছেন, যা বিস্ময়কর। তিনি তথাকথিত টেকনোক্র্যাট কোটার মাধ্যমে এসেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘তার নিয়োগ প্রমাণ করে তারেক রহমানের আমলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব অব্যাহত থাকবে।’

তবে ভারত সরকারিভাবে তার নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, পারস্পরিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সময়ে খলিলুর রহমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়গুলোর একটি হলো, তিনি ‘আরাকান করিডর’ তৈরির পক্ষে প্রভাবশালী কণ্ঠগুলোর অন্যতম ছিলেন। এই মানবিক করিডর চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ হয়ে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পৌঁছানোর একটি পথ হিসেবে ভাবা হয়। এই করিডরের মাধ্যমে সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানো সহজ হতো। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে রাখাইনে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মায়ানমারের সামরিক জান্তার মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

সমর্থকদের যুক্তি, এমন একটি করিডর মানবিক ও কৌশলগত দুই দিক থেকেই উপকারী হতে পারে। এটি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে ঢাকার ওপর আন্তর্জাতিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দায়িত্বশীল আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তবে সমালোচকরা সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তুলে ধরেছেন।

চক্রবর্তী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিতে খলিলুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাই বিএনপি সরকার ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু আদায়ের জন্য তার ওপর নির্ভর করতে পারে।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিন আগে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল কারখানাগুলো কিছুটা স্বস্তি পায়। এতে শুল্ক কমানো হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ওপর শূন্য শুল্কের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

তবে একই সঙ্গে চুক্তিতে বছরে সাত লাখ টন গমসহ আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবং ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ‘যে দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক স্বার্থ বিপন্ন করে’–এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি, জ্বালানি বা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম না কেনার শর্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একটি সূক্ষ্ম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে। খলিলুর রহমানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। একদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে হবে, অন্যদিকে ঢাকায় চীনের স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রভাব সীমিত করতে চায়। ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পৃক্ততার ঝুঁকি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।

যে মানবিক করিডরের ধারণাকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একসময় সমর্থন করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়, সেটি বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করবে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক শক্তিগুলোর অবস্থানের ওপর। সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/