ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পাতাল রেল প্রকল্পে ১১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব কেমন ছিল দেশের প্রথম বাজেট? বাজেটে বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম বাজেটে শিক্ষাখাতে বাড়ছে বরাদ্দ বাজেটে কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম আজকের মুদ্রা বাজার: ১১ জুন ২০২৬ মার্কিন হামলায় ইরানের পানি সরবরাহে বিপর্যয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস ইরানের হামলায় কুয়েতের আকাশসীমা বন্ধ বাজেট বাস্তবায়নের প্রধান ৭ বাধা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ৩ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের কানাডায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিল উত্থাপন রাসুল (সা.)-এর পিঠে কেমন ছিল মোহরে নবুওয়াত? টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে এক পরিবর্তন বাজেটের আগে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী টিভিতে আজকের খেলা মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা হরমুজ প্রণালী দিয়ে গোপনে ১০ কোটি ব্যারেল তেল পার করা: ট্রাম্প শেরপুরে মেসির প্রতিকৃতি আর আর্জেন্টিনার রঙে সেজেছে বাস চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও ২১ শিশু ভর্তি চকরিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে কারারক্ষীর বাড়িতে ডাকাতি শিবচরে দুর্নীতিবিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা রংপুরে মিনিবাসের চাকা ফেটে নিহত ১, আহত ৩৪ সালথায় মাদরাসাশিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ সুপারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামবেন হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে
Nagad desktop

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে কে কোন অস্ত্র ব্যবহার করছে

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে কে কোন অস্ত্র ব্যবহার করছে
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের তেহরান, ইসফাহান ও শিরাজের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দীর্ঘ-পাল্লার ক্রুজ মিসাইল, স্টেলথ যুদ্ধবিমান, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাযুক্ত বোমা এবং সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী আঘাত হেনেছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ প্রাক-প্রতিরক্ষামূলক অভিযান চালিয়েছে। আধুনিক বিমান, নৌ ও মিসাইল-ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে মোতায়েন করা হয়েছে। ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানে। এ সময় ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী টমাহক ক্রুজ মিসাইল, স্টেলথ যুদ্ধবিমান, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাযুক্ত বোমা ও সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপকে ইরানে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তোলে এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা আরও জটিল করে। 

ইরান পাল্টা ইসরায়েলের দিকে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়। এরপর বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় আঘাত করে। এটি নির্দেশ করে, সংঘাত এখন দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। 

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত অস্ত্রসমূহ
টমাহক ক্রুজ মিসাইল: দীর্ঘ-পাল্লার, সব আবহাওয়ায় ব্যবহারযোগ্য, সাবসনিক ক্রুজ মিসাইল। যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। ৩০-৫০ মিটার উচ্চতায় ওড়ে, রাডার ও বায়ু প্রতিরক্ষা এড়িয়ে চলে। দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৬ মিটার, ওজন ১ হাজার ৬০০ কেজি, গতিবেগ প্রায় ৮৮০ কিলোমিটার/ঘণ্টা। সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এটিকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের জন্য উপযোগী করে।

এফ-৩৫আই ‘অদীর’ স্টেলথ যুদ্ধবিমান: ইসরায়েলের কাস্টমাইজড এফ-৩৫এ লাইটনিং টু। স্থানীয় সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করার অনুমতি পায়। স্টেলথ ডিজাইন, সেন্সর ফিউশন ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধক্ষমতা ইরানের শক্ত আকাশসীমা অতিক্রম করতে সাহায্য করে।

এফ-১৫আই ‘রাআম’ স্ট্রাইক ফাইটার: ভারী বোমা ও মিসাইল বহন করতে সক্ষম। ইরাকে স্কাড মিসাইল হামলার পর হামলার সক্ষমতা আরও বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়। 

স্ট্যান্ড-অফ ক্রুজ মিসাইল (ডেলাইল ও র‍্যাম্পেজ): শত্রু প্রতিরক্ষা এলাকার বাইরে থেকে আঘাত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ডেলাইল লুপিং বা লিটারিং সক্ষমতা রাখে। র‍্যাম্পেজ উচ্চগতির, দীর্ঘ-পাল্লার মিসাইল, কঠিন ও সময়-সীমিত লক্ষ্যবস্তু আঘাতের জন্য উপযুক্ত।

এসপাইস (SPICE) সুনির্দিষ্ট বোমা: রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি। স্বয়ংক্রিয় সুনির্দিষ্ট বোমায় রূপান্তর করে। জিপিএস-বিহীন বা জ্যামড পরিবেশেও কার্যকর।

জেডিএএম (JDAM) ক্ষেপণাস্ত্র: সাধারণ বোমাকে স্মার্ট বোমায় রূপান্তর। জিপিএস ও জড়তাত্ত্বিক নেভিগেশন ব্যবহারে। কম খরচে এবং খারাপ আবহাওয়া বা কম দৃশ্যমানতাতেও কার্যকর।

জিবিইউ-২৮ বানকার-বাস্টার বোমা: ৫ হাজার পাউন্ড (২ হাজার ২৬৮ কেজি) লেজার-গাইডেড। গভীর কমান্ড সেন্টার, বাংকার এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংসে সক্ষম।

সশস্ত্র দীর্ঘ-পাল্লার ড্রোন (হেরন ও এতান): মধ্য-উচ্চতায় দীর্ঘ সময় ফ্লাইট। নজরদারি, গোয়েন্দা ও সুনির্দিষ্ট হামলার জন্য ব্যবহৃত।

ইরানের ব্যবহৃত অস্ত্রসমূহ
শাহাব-৩ ব্যালিস্টিক মিসাইল: তরল-ইন্ধনভিত্তিক, রোড-মোবাইল, মধ্য-পাল্লার। উত্তর কোরিয়ার নোদং-১ থেকে উদ্ভূত। পুরো ইসরায়েল আঘাত করতে সক্ষম।

এমাদ সুনির্দিষ্ট ব্যালিস্টিক মিসাইল: ২০১৫ সালে প্রকাশিত। টার্মিনাল নির্দেশনা আগের মডেলের তুলনায় বেশি নির্ভুল।

ঘাদর মধ্য-পাল্লার মিসাইল: শাহাব-৩-এর উন্নত সংস্করণ। দীর্ঘ-দূরত্ব, উন্নত নির্ভুলতা ও উচ্চ মোবাইল ক্ষমতাসম্পন্ন। মধ্যপ্রাচ্যের বড় অংশ লক্ষ্য করার সুযোগ দেয়।

মার্কিন হামলায় ইরানের পানি সরবরাহে বিপর্যয়

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
মার্কিন হামলায় ইরানের পানি সরবরাহে বিপর্যয়
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক শহরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পানি সংরক্ষণাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সাময়িকভাবে প্রায় ২০ হাজার পরিবারের নিরাপদ পানীয় জলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওমান উপকূলের কাছে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির পরে যুক্তরাষ্ট্র জাস্ক, সিরিক এবং হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে হামলা চালায়। হামলায় ৫০০ ও ২০০০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার দুটি জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যা স্থানীয় মানুষের পানির প্রধান উৎস ছিল।

স্থানীয় পানি কর্তৃপক্ষ জানায়, ৪৫ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পানি সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক হানান বালখি বলেন, নিরাপদ পানির অভাবের পানিবাহিত রোগ, পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ঝুঁকি এড়াতে তিনি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে তারা সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছে। তবে পানি সরবরাহ স্থাপনাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই উভয় পক্ষ নতুন হামলা ও পাল্টা হুমকির অবস্থানে রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি 

খাদিজা রুমি/

ইরানের হামলায় কুয়েতের আকাশসীমা বন্ধ

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
ইরানের হামলায় কুয়েতের আকাশসীমা বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কুয়েত তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করে ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর (ডিজিসিএ) এক বিবৃতিতে বলেছে, কুয়েত ইরানের আগ্রাসনের শিকার হয়েছে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে ও সমস্ত হুমকি দূর হলে দেশের আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেবে এবং স্বাভাবিক ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠিত চুক্তি এবং পরিচালন পদ্ধতি অনুসারে ফ্লাইটগুলোকে অন্য পথে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়াও যাত্রী এবং বিমান সংস্থাগুলোকে ডিজিসিএ কর্তৃক জারি করা সরকারি তথ্য অনুসরণ করতে এবং বিমান ভ্রমণ সম্পর্কিত যেকোনো নির্দেশনা ও নির্দেশিকা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফা হামলা এবং এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই অস্থায়ী বন্ধের সিদ্ধান্ত এসেছে। যা এই অঞ্চলে বেসামরিক বিমান চলাচলের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সূত্র: গালফ নিউজ

থিও/

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ৩ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১১:৩২ এএম
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ৩ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন এফ-১৫, এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, তারা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে প্রায় ১৮টি মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে জর্ডানের আল-আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

ইরানের দাবি, সেখানে অবস্থানরত এবং হামলার জন্য প্রস্তুত থাকা মার্কিন এফ-১৫, এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো তারা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।

এছাড়া বাহরাইনে থাকা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের একটি সাইট এবং কুয়েতের দুটি বিমান ঘাঁটিও এই হামলার শিকার হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের অভ্যন্তরে অন্তত এক ডজন শহরে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৪৯টি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সামরিক নজরদারি ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা কেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'চুক্তির সমঝোতায় আসতে ইরান অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছে, এখন তাদের এর মূল্য চুকাতে হবে।'

মার্কিন হামলার পরপরই ইরান কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী সব ধরনের আন্তর্জাতিক জাহাজের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে। এই প্রণালী দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা দুটি জাহাজে আইআরজিসি হামলা চালিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে তাৎক্ষণিকভাবে ২ ডলারেরও বেশি বেড়েছে।

কুয়েত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে এবং জর্ডান ও বাহরাইনে বিমান হামলার সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠকে বসেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে শুরু হওয়া এই সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি অবিলম্বে সব পক্ষকে হামলা বন্ধ করে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: আল জাজিরা

আজহার/অমিয়/

কানাডায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিল উত্থাপন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১১:২৫ এএম
কানাডায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিল উত্থাপন
ছবি: সংগৃহীত

কানাডা সরকার একটি নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল উত্থাপন করেছে। যার মধ্যে উল্লেখ  করা হয়েছে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করতে সক্ষম প্ল্যাটফর্মগুলো এ নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পেতে পারে।

এছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটকে আরও নিরাপদ করতে একটি ডিজিটাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিটাল রেগুলেটর) গঠনের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

এই সংস্থা এআই সেবার জন্য নিরাপত্তা মানদণ্ড নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত ‘ডিজিটাল সেফটি অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে শিশুদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের  পদক্ষেপ নেওয়া দেশগুলোর কাতারে যুক্ত হলো কানাডা।
 
এক বিবৃতিতে কানাডার  আইডেন্টিটি ও কালচারবিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেন, 'অনলাইন ক্ষতির পরিণতি আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। শিশুদের নিরাপত্তাকে কোনোভাবেই তুচ্ছ বিষয় হিসেবে দেখা যাবে না'।

আইনটি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের বৈশ্বিক আয়ের ৩ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ১ কোটি কানাডিয়ান ডলার (প্রায় ৭২ লাখ মার্কিন ডলার) জরিমানা গুনতে হতে পারে।

মার্ক মিলার বলেন,'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং এআই চ্যাটবটগুলো ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য নকশা করা হয়েছে। এগুলো শিশুদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক নয়। বরং কানাডার বহু তরুণ-তরুণী মধ্যে উদ্বেগ একাকীত্ব, বিষণ্নতা এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার উৎস হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, 'এ আইন তরুণ কানাডিয়ানদের জন্য আরও নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ নিশ্চিত করবে। তাদের সরাসরি সামাজিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া ও বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করবে'।
 
বিলটি সংসদে উত্থাপনের কয়েক সপ্তাহ আগে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবার ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করে।

তাদের অভিযোগ, হামলাকারীকে ২০২৫ সালের জুন মাসে চ্যাটজিপিটিতে উদ্বেগজনক কথোপকথনের কারণে নিষিদ্ধ করার পরও প্রতিষ্ঠানটি জানত যে সে হামলার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু পুলিশকে সতর্ক করেনি।

বিল সি-৩৪-এর প্রস্তাবে কানাডা সরকার উল্লেখ করেছে, অনলাইনে ক্ষতিকর আচরণ শুধু ব্যবহারকারীদের কর্মকাণ্ডের ফল নয়, বরং ডিজিটাল সেবাগুলোর নকশা ও পরিচালনা পদ্ধতির সঙ্গেও তা গভীরভাবে জড়িত।

অ্যালগরিদমভিত্তিক সুপারিশ ব্যবস্থা, সম্পৃক্ততাভিত্তিক ফিড, স্বয়ংক্রিয় ভিডিও চালু হওয়া (অটোপ্লে) এবং অনন্ত স্ক্রলিংয়ের মতো বৈশিষ্ট্য ক্ষতিকর কনটেন্টকে আরও ছড়িয়ে দিতে পারে, তাতে করে তরুণ ব্যবহারকারীদের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সরকারের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অনলাইনে ক্ষতির ব্যাপ্তি, গতি ও তীব্রতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল সেবাগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে পারেনি। এ প্রেক্ষাপটে বিলটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এআই চ্যাটবট সেবাগুলোর জন্য নতুন নিরাপত্তা বাধ্যবাধকতা আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় প্ল্যাটফর্মগুলোকে তাদের সেবায় বিদ্যমান ঝুঁকি চিহ্নিত করতে হবে। ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বয়সোপযোগী ও নিরাপত্তাকেন্দ্রিক নকশা বাস্তবায়ন করতে হবে। ব্লক বা রিপোর্ট করার মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারকারীদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ব্যক্তিগত বা অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ করা হলে অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা অপসারণের বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আইন কার্যকরের এক মাসের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলো প্রায় ৫০ লাখ কিশোর-কিশোরীর অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

সরকারি কর্মকর্তাদের কারিগরি এক ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, বিলটি আইন হিসেবে পাস হতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে। আইন পাস হওয়ার পর ডিজিটাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনে আরও প্রায় ১৮ মাস সময় প্রয়োজন হতে পারে।

ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও পোল্যান্ডও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে। অন্যদিকে গ্রিস ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হবে।

খাদিজা রুমি/

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর, পাল্টা জবাবে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এক চরম ও বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এই নজিরবিহীন সামরিক উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক বিমান হামলা

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, কমান্ডার-ইন-চিফের সরাসরি নির্দেশে বুধবার মার্কিন বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন ক্রপস যৌথভাবে ইরানের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।

মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের সামরিক নজরদারি ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে এই আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়, যা আঞ্চলিক জলসীমায় মার্কিন সেনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ, জাহাজে আঘাত

মার্কিন হামলার জবাবে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইরানের সামরিক কমান্ড জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইতোমধ্যে অবৈধভাবে প্রণালীটি পার হওয়ার চেষ্টা করায় দুটি জাহাজে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি নৌ কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত ও বাহরাইনে সাইরেন

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, মার্কিন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে তারা কুয়েতের ‘আলি আল-সালেম’ ও ‘আহমেদ আল-জাবের’ এবং বাহরাইনের ‘শেখ ঈসা’ বিমান ঘাঁটাসহ মোট ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর বাহরাইনজুড়ে জরুরি বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়। বাহরাইন সরকার দেশটির নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত আলটিমেটাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানি নেতাদের অনুরোধে সাময়িকভাবে বোমা হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ইরান যদি দ্রুত আমেরিকার দেওয়া শর্তে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে, তবে পরবর্তী দিন থেকে আবারও স্মরণকালের ভয়াবহতম বোমা হামলা শুরু করা হবে।

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি কর্মকর্তারা নিজেই তার সাথে যোগাযোগ করে বোমাবর্ষণ বন্ধের অনুরোধ জানান। যদিও ইরান এই ধরণের যোগাযোগের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দেন এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিরোধের ঘোষণা দেন।

অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব

দুই পরাশক্তির মুখোমুখি অবস্থানের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ২ ডলার বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ও ইউএস ক্রুড উভয়ের দামই ২ শতাংশের কাছাকাছি বেড়ে যথাক্রমে ৯৪ ও ৯০ ডলার পার হয়ে গেছে।

অন্যদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় পতন দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি এবং অস্ট্রেলিয়ার শেয়ারবাজার সূচক লেনদেনের শুরুতেই বড় ধরনের পতনের সম্মুখীন হয়। যা পরবর্তীতে সামান্য পুনরুদ্ধার হলেও বাজার এখনো চরম অস্থিতিশীল রয়েছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করেন, দুই পক্ষ যদি এখনই শান্ত না হয়, তবে এই সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যা পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/