যুক্তরাষ্ট্র ইরানে তাদের সামরিক অভিযান ‘ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেওয়ার’ বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশগুলোর ওপরও ন্যস্ত হতে পারে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) যদিও ট্রাম্প ইরানের নেতাদের সঙ্গে সম্ভাব্য সংলাপের কথা উল্লেখ করেছেন, তিনি স্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরতির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যুদ্ধবিরতি চাই না... যখন আপনি প্রতিপক্ষকে সম্পূর্ণভাবে চাপে রাখছেন, তখন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় না।’
এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে কূটনৈতিক সমাধানের চেয়ে কৌশলগত চাপ বজায় রাখতে বেশি আগ্রহী।
এদিকে পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও সামরিক শক্তি মোতায়েন করছে। তিনটি যুদ্ধজাহাজ এবং অতিরিক্ত হাজার হাজার মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বারের মতো মেরিন মোতায়েন, যা পরিস্থিতির উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
অন্যদিকে, ইরানও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা দিয়েছেন যে, শত্রুদের ‘নিরাপত্তা কেড়ে নিতে হবে’।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিপক্ষকে যেকোনো স্থানে- এমনকি পর্যটন এলাকাতেও- তাড়া করার অঙ্গীকার করেছে।
যুদ্ধ প্রায় তিন সপ্তাহে গড়ালেও উভয় পক্ষই তাদের অবস্থানে অনড়। কূটনৈতিক সম্ভাবনার ইঙ্গিত থাকলেও সামরিক উত্তেজনা কমেনি, ফলে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত ও উদ্বেগজনক। - ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
অমিয়/