মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে কাতার ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে দুই দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চলতি সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ঝটিকা সফরের অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এর আগে গতকাল ইউক্রেনের সঙ্গে একই ধরনের একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষই অঞ্চলের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আন্দ্রি নাদোভ এবং কাতারি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিম বিন মোহাম্মদ আল-মান্নাই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতার ফলে প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
কৌশলগত প্রেক্ষাপট
গত এক মাস ধরে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যে সমস্ত উপসাগরীয় দেশ হামলার শিকার হয়েছে, ইউক্রেন তাদের কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তিতে ইউক্রেনের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ইউক্রেনের শক্তিশালী মিত্র এবং ব্যাপক অর্থায়নের প্রয়োজন। বিশেষ করে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ বর্তমানে অন্যান্য দিকে নিবদ্ধ, তখন কাতার ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের আর্থিক সক্ষমতা এবং সমর্থন কিয়েভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: বিবিসি
মাহফুজ/