প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন। এ সময় তারা দ্বিপক্ষীয় বিচারিক সহযোগিতা, মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং আইনের শাসনসংক্রান্ত বিষয়াবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এ সময় প্রধান বিচারপতি বিগত এক বছরে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের উন্নয়নে তার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। বিশেষ করে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও ন্যায়বিচারভিত্তিক বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় প্রধান বিচারপতি তার পরিকল্পনাগুলো আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত প্রধান বিচারপতি হিসেবে সৈয়দ রেফাত আহমেদের এক বছর পূর্তিতে তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের উন্নয়নে প্রধান বিচারপতির গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংস্কারের রোডম্যাপ ঘোষণা, বিচার সেবায় স্বচ্ছতা আনতে ১২-দফা নির্দেশনা প্রদান, মামলায় বিবাদী পক্ষকে লিগ্যাল এইড প্রদানে ক্যাপাসিটি টেস্ট চালু, সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ আইন প্রণয়ন, বিচারপ্রার্থীদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন চালু এবং অধস্তন আদালতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে কার্যকরী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় তার দেশ সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে বলেও প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত।