ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা
Nagad desktop

শ্রমের মূল্য প্রবন্ধ রচনার ৬টি পয়েন্ট, ১ম পর্ব, নবম-দশম, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:১৯ এএম
আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৩৩ এএম
শ্রমের মূল্য প্রবন্ধ রচনার ৬টি পয়েন্ট, ১ম পর্ব, নবম-দশম, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রবন্ধ রচনা

শ্রমের মর্যাদা

ভূমিকা: ‘... a hard working street
cleaner is a better man
than a lazy scholar.’
অণু থেকে অট্টালিকা পর্যন্ত বিশ্বসভ্যতার প্রতিটি সৃষ্টির মূলে রয়েছে শ্রম। মানুষ মেধা, শক্তি ও শ্রম দিয়ে তার অভাব বা প্রয়োজন পূরণ করে। শ্রমের মাধ্যমে মানুষ তার অবস্থানকে সুদৃঢ় করে। পরিশ্রমের মাধ্যমে মানুষ তার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায়। এ জন্য বলা হয়, ‘পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি।’ তাই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন-
‘মানুষের জন্য শ্রম ব্যতিরেকে কিছুই নেই।’

শ্রম কী: কবির ভাষায়-

‘নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিজ চন্ডাল
প্রভু ক্রীতদাস
সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু
সমগ্রে প্রকাশ
নমি কৃষিজীবী, স্থপতি, তক্ষ্মক
কর্ম চর্মকার।’

শারীরিক, মানসিক উভয়ের এমন একটি শক্তি যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের ফলে মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করে। পরিশ্রমের মাধ্যমে ব্যক্তি বা জাতি সাফল্যের স্বর্ণশিখরে আরোহণ করতে পারে আবার পরিশ্রমবিমুখ হলে ব্যক্তি বা জাতির পতন অনিবার্য। শ্রম বলতে কায়িক ও মানসিক উভয় প্রকার পরিশ্রমকে বোঝায়।

শ্রমের শ্রেণিবিভাগ: মানব সমাজে দুই ধরনের শ্রমের মূল্য আছে। সব ধরনের শ্রমকে দুভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- (১) দৈহিক শ্রম ও (২) মানসিক শ্রম।
দৈহিক শ্রম: যারা দেহ খাটিয়ে পরিশ্রম করে, তাদের শ্রমকে দৈহিক শ্রম বলে। জগতের সব জীবকেই বেঁচে থাকার জন্য কমবেশি শারীরিক, মানসিক শ্রম দিতে হয়। সৃষ্টিকর্তা আমাদের শারীরিক শ্রমের জন্য হাত-পা ইত্যাদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়েছেন। শারীরিক শ্রম আত্মসম্মানের পরিপন্থি নয় বরং সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের প্রধান উপায়। কবি নজরুল ইসলাম বলেছেন,

‘শ্রম কিনাঙ্ক কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি তলে
ত্রস্তা ধরণী নজরানা দেয় ডালি ভরে ফুলে ফলে।’

মানসিক শ্রম: মানসিক শ্রম ছাড়া মানসিক উন্নতি সম্ভব নয়। বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, শিল্পীর পরিশ্রম মূলত মানসিক। তবে তাদের এ মানসিক শ্রমকে বাস্তবে রূপায়িত করতে গিয়ে তারা কায়িক শ্রম করে থাকেন। শ্রমবিমুখ ব্যক্তির মনে কখনো সুচিন্তা উদয় হয় না। কথায় আছে-

‘অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।’

শ্রমের প্রয়োজনীয়তা: Virgil বলেন, The dignity of labour makes a man self confident and high ambitious. So, the evaluation of labour is essential. মানবজীবনে শ্রমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মানুষ নিজেই তার নিজের ভাগ্যের নির্মাতা। আর এ ভাগ্যকে নির্মাণ করতে হয় নিরলস শ্রমের মাধ্যমে। মানবজীবন অত্যন্ত কর্মমুখর। বহু প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে যুদ্ধ করে তাকে জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হয়। শ্রম ছাড়া জীবনের উন্নতি কল্পনা মাত্র। ছোট হোক বড় হোক সবারই কাজের প্রয়োজন আছে এবং যার যার দায়িত্ব যথাযথ পালনের মধ্যে জীবনের সুখকর অস্তিত্ব নির্ভরশীল। জীবনের উন্নতির চাবিকাঠি পরিশ্রমের মধ্যে বিদ্যমান। তাই সবাই সব রকম কাজের প্রতি সমান আগ্রহ দেখিয়ে থাকে। জীবনের সঙ্গে শ্রমের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। মানব জীবনে শ্রমের বিশেষ গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে কবি বলেছেন-

‘চাষী ক্ষেতে চালাইছে হাল,
তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল,
বহুদূর প্রসারিত এদের বিচিত্র কর্মভার,
তারি পরে ভর দিয়ে চলিতেছে সমস্ত সংসার।’

উন্নত দেশে শ্রমের মর্যাদা: ‘Work is the basis of self respect’ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো একমাত্র শ্রমের মর্যাদা ও মূল্যায়নের গুণেই উন্নতির উচ্চ শিখরে আরোহণ করছে। খন্দকার মুহাম্মদ ইলিয়াসের ভাষায়- ‘শ্রমিকের শ্রম মানব সভ্যতার জনক।’
আমেরিকা, রাশিয়া, জার্মানি, চীন, জাপান, ভারত প্রভৃতি দেশ এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শ্রমকে তারা খুবই মর্যাদা দেয়। তারা কোনো কাজকেই ছোট, ঘৃণ্য ও অপমানজনক মনে করে না। তাদের স্লোগান হচ্ছে- ‘পরিশ্রমের মাধ্যমে উন্নতি করো অথবা নিপাত যাও।’
সুতরাং বলা যায় যে, উন্নয়নের জন্য শ্রমকে তারা নিজেদের চিন্তা-চেতনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, ধ্যান-ধারণার সঙ্গে একাত্ম করে নিয়েছে।

বাংলাদেশে শ্রমের মর্যাদা: ‘Luck is what happens when preparation mets opportunity.’ বাংলাদেশের শ্রম বিভাগ প্রধানত বর্ণগত। যারা উঁচু বর্ণের তারা কোনো কাজ করে না। নিচু বর্ণের লোকেরা দৈহিক পরিশ্রমের কাজ করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, কায়িক শ্রমের প্রতি আমাদের দেশের মানুষের এক ধরনের ঘৃণা রয়েছে। ফলে শিক্ষিত সমাজের একটা বিরাট অংশ কায়িক শ্রম  থেকে দূরে সরে আছে। শিক্ষিত ও অভিজাত শ্রেণির লোকেরা মনে করেন দৈহিক শ্রম তাদের জন্য নয়। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে- ‘Idle brain is the devils workshop’.

(বাকি অংশ পরের সংখ্যায় প্রকাশ)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, উত্তরা, ঢাকা

কবীর

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভৌগোলিক অবস্থা। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১. আধুনিক ভূগোলের জনক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ট    
খ) রিচার্ড হার্টশোন
গ) ভন হামবোল্ট    
ঘ) হোমার

২. সমুদ্রবিদ্যার আলোচিত বিষয় হলো-
i. সমুদ্র স্রোত    
ii. জাহাজ ও স্টিমার
iii. জোয়ারভাটা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii       খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩. ভূগোলের জনক কে?
ক) ইরাটোসথেনিস    খ) ডাডলি স্ট্যাম্প
গ) কার্ল রিটার           ঘ) ম্যাকনি

৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল বিষয়বস্তু কী?
ক) সমুদ্র           খ) পৃথিবী
গ) সৌরজগৎ    ঘ) ভূমিরূপ 

৫. প্রাকৃতিক ভূগোলের নবীনতম শাখা কোনটি?
ক) জীবভূগোল    খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা     ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা

৬. প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত হলো-
i. প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর স্থানিক ও কালিক বিশ্লেষণ
ii. আঞ্চলিক তারতম্য বিশ্লেষণ
iii. মানুষ ও প্রকৃতির মিথস্ক্রিয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii    খ) i ও iii
গ) ii ও iii    ঘ) i, ii ও iii

৭. ‘Geography’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কে?
ক) কার্ল রিটার          খ) টলেমি
গ) ইরাটোসথেনিস    ঘ) স্ট্রারো

৮. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদীর কার্য নিয়ে বর্ণনা রয়েছে?
ক) জলবায়ুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) বারিমণ্ডলে          ঘ) জীবমণ্ডলে

৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল    খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল             ঘ) সমুদ্র ভূগোল

১০. প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) মৃত্তিকা বিশ্লেষণ    
খ) মহাকাশ গবেষণা
গ) জীবের উৎপত্তি    
ঘ) বায়ুমণ্ডলীয় তাৎপর্য

১১. প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচিত হয়-
i. সাগর, মহাসাগরের তলদেশের ভূ-প্রকৃতি
ii. বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা
iii. পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১২. ভূমিধসের বিষয় আলোচনা করা হয়-    
ক) বাস্তুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) সমুদ্রবিদ্যায়    ঘ) জলবায়ুবিদ্যায়

১৩. ভূগোলের যাত্রা শুরু হয় কোন যুগে?
ক) রোমান যুগে    খ) গ্রিক যুগে
গ) মিসরীয় যুগে    ঘ) মুসলিম যুগে

উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. খ, ৫. ক, ৬. ঘ, ৭.গ, ৮. খ,  ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. খ, ১২. খ, ১৩. খ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘একটা দিন, মাত্র একটা দিনও যদি ওই মসনদে মাথা উঁচু করে আমি বসতে পারতাম।’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে মীর জাফরের এ সংলাপে ক্ষমতার প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
মীর জাফর সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। আলীবর্দীর আমল থেকেই তার লোভ ছিল বাংলার মসনদের প্রতি। এ কারণেই সিরাজের শাসনকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। সিরাজের জায়গায় নিজে সিংহাসনে বসার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছেন। পবিত্র কোরআনে হাত রেখে শপথ করেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তার বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভার একপর্যায়ে জগৎশেঠ, রাজবল্লভসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনার সময় ওপরের বাক্যটি বলে তার সিংহাসনে বসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং বাস্তবিক অর্থে স্বপ্ন-বিভোর হয়ে ওঠেন। 

প্রশ্ন: ‘ দৌলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের এ উক্তিতে অর্থের প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। 
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যদের অধিকাংশই ছিল অর্থলোভী ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থলোভী ও ব্যক্তিত্বহীন ছিল উমিচাঁদ। অর্থের জন্য তিনি একেক সময় একেকজনের পক্ষ নিতেন। ঘসেটি বেগমের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে উমিচাঁদ জানান যে, তিনি দৌলতের পূজারি। কারণ  দৌলত বা অর্থ তার কাছে ‘ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।’ এই অর্থের জন্যই তিনি নবাবকে ছেড়ে শওকতজঙ্গকে ক্ষমতায় আনতে সাহায্য করতে চান। একেকজন একেকরকম চাইলেও উমিচাঁদের চাওয়া কেবলই অর্থ। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে হিংসাপরায়ণ হয়ে ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলাকে লক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছিলেন, কারণ নবাব তাকে মতিঝিল প্রাসাদ থেকে গৃহবন্দি করতে সেনাপতি মোহনলালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সরিয়ে যারা অর্থ ও ক্ষমতা লাভের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ঘসেটি বেগম। সিরাজউদ্দৌলা নবাব হলে তা মেনে নিতে পারেননি ঘসেটি বেগম। তাই তিনি গোপনে মীর জাফর ও অন্যদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ঘসেটি বেগমের এই কর্মকাণ্ড বুঝতে পেরে তাকে মতিঝিল থেকে নবাবের মায়ের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ হন ঘসেটি বেগম। আর তখনই তিনি নবাবকে উদ্দেশ্য করে এমন অভিশাপের উক্তিটি করেন।

প্রশ্ন: ‘আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে প্রজাদের দুর্ভোগের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ না করে আত্মগ্লানি প্রকাশ করতে গিয়ে সিরাজউদ্দৌলা এ কথা বলেছেন, যেখানে মূলত নবাবের অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। 
বাংলার নবাব ব্রিটিশ বেনিয়া শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন। তার সাম্রাজ্যের লবণ চাষিরা ইংরেজ কুঠিয়ালদের নির্যাতনের শিকার। নবাব এর প্রতিবিধানে কিছুই করতে পারেননি। তাই প্রকাশ্য দরবারে তিনি সব অমাত্যকে ডেকে জানান নবাব হিসেবে তার অযোগ্যতায় এসব ঘটছে। আসলে তিনি সবাইকে জানালেন বাংলার রাজনীতিতে বিদেশিরা  প্রভাব বিস্তার করেছেন এবং এর পেছনে ইন্ধন জোগাচ্ছেন নবাবের অধীন লোকেরাই, যাদের প্রধান মীর জাফর আলী খান। তার সামনেই এসব কথা বলে নবাব ক্ষোভ ও বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। 

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২১। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময়-
i. স্ত্রী জনন কোষ তৈরি হয় 
ii. ক্রোমোজোম ৮ থেকে ৪টি হতে পারে
iii. ক্রোমোজোমগুলো খাটো ও মোটা দেখায় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

জননকোষ সৃষ্টির সময় এবং নিম্ন শ্রেণির উদ্ভিদের জীবন চক্রের কোনো এক সময় যখন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় তখন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সেই অবস্থাকে হ্যাপ্লয়েড (n) বলে। তোমরা নিশ্চয় জানো যে, মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে জাইগোট সৃষ্টি হয়।

২২। দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষের মিলনের অবস্থার নাম কী?
ক) ডিপ্লয়েড     
খ) হ্যাপ্লয়েড
গ) সুপার হ্যাপ্লয়েড     
ঘ) অপত্য হ্যাপ্লয়েড

২৩। জীনতত্ত্বের জনক কে?
ক) মেন্ডেল          খ) নিউটন 
গ) অ্যারিস্টটল     ঘ) লিনিয়াস

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৪। বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয় কাকে?
ক) নিউটনকে    
খ) গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে
গ) অ্যারিস্টটলকে    
ঘ) লিনিয়াসকে

২৫। নিউক্লিক অ্যাসিড কত প্রকার?
ক) ৪ প্রকার     খ) ৩ প্রকার 
গ) ২ প্রকার     ঘ) ১ প্রকার

উত্তর: ২১. খ, ২২. ক, ২৩. ক, ২৪. ক, ২৫. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
বর্তমানে কয়েক হাজার প্রোগ্রামিং ভাষা আছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৫৫. কোনটি প্রোগ্রামের সব ভুলগুলো একসঙ্গে প্রদর্শন করে?
ক. অ্যাসেম্বলার     খ. ইন্টারপ্রেটার 
গ. কম্পাইলার       ঘ. ডিবাগার

৫৬. প্রোগ্রামের বিভিন্ন ধাপগুলোকে কী বলে?
ক. ইনস্ট্রাকশন     খ. অ্যালগরিদম 
গ. প্রবাহ চিত্র        ঘ. ফ্লোচার্ট

৫৭. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে কী বলে?
ক. 1GL     খ. 3GL
গ. 4GL     ঘ. 5GL

৫৮. ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো-
i. প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন করা সহজ হয় 
ii. প্রোগ্রাম আকারে ছোট হয়
iii. মেমোরিতে বেশি জায়গা নেয় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৯. উচ্চ স্তরের ভাষার বৈশিষ্ট্য-
i. সহজবোধ্য     
ii. সময় সাশ্রয়ী 
iii. দ্রুত লেখা যায় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৬০. বর্তমানে কতটি প্রোগ্রামিং ভাষা আছে?
ক. কয়েকটি            খ. কয়েক শ 
গ. কয়েক হাজার     ঘ. কয়েক লাখ

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৬১. প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়মকানুনকে কী বলে?
ক. ইন্টারপ্রেটার     খ. সিনট্যাক্স 
গ. অ্যাসেম্বলার      ঘ. কম্পাইলার

৬২. নিচের কোনটি পুরো প্রোগ্রামকে একসঙ্গে অনুবাদ করে?
ক. ইন্টারপ্রেটার     খ. কম্পাইলার 
গ. সফটওয়্যার      ঘ. অ্যাসেম্বলার

৬৩. কোন অনুবাদক প্রোগ্রামের ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল?
ক. অ্যাসেম্বলার     খ. কম্পাইলার 
গ. ইন্টারপ্রেটার     ঘ. পিএইচপি

৬৪. প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশকে কী বলে?
ক. কোড           খ. ইন্টারপ্রেটার 
গ. স্টেটমেন্ট     ঘ. সিনট্যাক্স

৬৫. ভুলত্রুটি পরীক্ষা করাকে কী বলে?
ক. কোডিং     খ. ডিবাগিং 
গ. টেস্টিং       ঘ. ডিজাইনিং

৬৬. কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য-
i. পুরো প্রোগ্রামকে একবারে কম্পাইল করে
ii. দ্রুতগতিতে কাজ করে 
iii. সবগুলো ভুল একসঙ্গে প্রদর্শন করে 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৬৭. প্রোগ্রামের ধাপগুলোকে ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করাকে কী বলে?
ক. ফ্লোচার্ট      খ. অ্যালগরিদম 
গ. সিনট্যাক্স     ঘ. আর্ট

উত্তর: ৫৫. গ, ৫৬. খ, ৫৭. ঘ, ৫৮. ক, ৫৯. ঘ, ৬০. গ, ৬১. খ, ৬২. খ, ৬৩. খ, ৬৪. গ, ৬৫. গ, ৬৬. ঘ, ৬৭. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন 

প্রশ্ন: স্বাদু পানির পরিবেশে কী ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ থাকে?

উত্তর: স্বাদু পানির পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী দেখা যায়। স্বাদু পানির উদ্ভিদের মধ্যে শাপলা, পদ্ম, কচুরিপানা, ফার্নজাতীয় ও শৈবাল উল্লেখযোগ্য। প্রাণীদের মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ ও শামুক স্বাদু পানির পরিবেশে বাস করে।

প্রশ্ন: জলজ পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো লেখ।

উত্তর: জলজ পরিবেশের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ নরম ও নমনীয় হয়, যাতে পানির ঢেউয়ের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।
ii. কাণ্ডে বায়ুথলি থাকে, যা উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
iii. মূল সাধারণত ছোট ও দুর্বল হয়।
iv. অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদ অযৌন বংশবিস্তার করে।
v. পাতাগুলো চওড়া ও হালকা হয়।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

জলজ পরিবেশের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়।
ii. পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
iii. ফুলকার মাধ্যমে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে।
iv. অনেক জলজ প্রাণীর দেহে বায়ুথলি বা পটকা থাকে।
v. দেহ মসৃণ হওয়ায় এ পরিবেশের প্রাণীর পানিতে চলাচল সহজ হয়।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর