দেশব্যাপী নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও রাহাজানির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন রাজধানীবাসী সারা দেশের মানুষ।
সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ-আলোচনা সভায় আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেছেন, অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে না পারলে অপরাধের মাত্রা বাড়বে। এতে করে নারীদের চলাফেরা সংকুচিত হয়ে পড়বে। কন্যাশিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, যার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
ধর্ষণের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদল রাজপথে থাকবে
ধর্ষণের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদল রাজপথে থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সোমবার হাইকোর্টের গেটের সামনের সড়কে ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত দেশব্যাপী নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। মানববন্ধনে রাজধানীর বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটি থেকে আসা হাজারের বেশি নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘দিনের পর দিন নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমরা গতানুগতিক ধারার বক্তব্য শুনতে পাচ্ছি। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সদিচ্ছার অভাব আমরা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করছি। আমাদের বোনের ধর্ষকদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদল রাজপথে থাকবে। অতি দ্রুত তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বলেন, ‘২০২০ সালে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় ধর্ষণ বেড়েই চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে ধর্ষণ প্রতিহতে আইন কঠোর করতে ছাত্রদল আহ্বান জানাচ্ছে।’
উত্তাল ঢাবি ক্যাম্পাস
নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে গতকাল দিনভর উত্তাল ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এদিন দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অপসারণের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া অপরাজেয় বাংলা, কার্জন হল এলাকা, শহিদ মিনারসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তির দাবি করেন। ঢাবির ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আকিব মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ধর্ষকদের কোনো বিচার হতে দেখছি না। আমরা ধর্ষকদের এমন বিচার চাই, যাতে কেউ ধর্ষণের কথা চিন্তাও না করে। আমার বাড়ির মা-বোন বাইরে গিয়েও নিরাপদ থাকবেন এমন নিশ্চয়তা আমরা চাই।’ অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বলেন, ‘আমরা উন্মুক্ত স্থানে ধর্ষকদের ফাঁসি চাচ্ছি।’
ধর্ষণের মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির দাবি
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ মামলা নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত নারী প্রয়াস। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সভাপতি শামীমা তাসনীম। তিনি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে আমরা দেখে এসেছি ধর্ষণের ঘটনায় অনেক সময় আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে ধর্ষকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।’
বিদ্যমান ব্যবস্থা নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে যথেষ্ট নয়: জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ
ধর্ষণের বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান রেখে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নেতারা। গতকাল দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে তারা এ কথা বলেন। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়জী, মুফতি মোস্তফা কামাল, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরীসহ আরও অনেকে। তারা বলেন, ‘ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক জেনা-ব্যভিচার ও ধর্ষণের শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে এবং তা প্রকাশ্যে দ্রুত কার্যকর করলে দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা মূহূর্তেই বন্ধ হয়ে যাবে।’
ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে, আশঙ্কা মানবাধিকার কর্মীদের
দেশজুড়ে নারী নিপীড়নের নানা ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না গেলে অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে ও অন্যরা অপরাধ করতে উৎসাহিত হবে। নারীর প্রতি সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে আনতে হলে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল রাজধানীর মিরপুরের আলোক সেন্টারে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত ‘নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়নের পথে নারীদের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মানবাধিকারকর্মীরা এই মন্তব্য করেন।
স্বাগত বক্তব্যে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, ‘আইন উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন যে ১৫ দিনে তদন্ত ও ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষণের বিচার করতে হবে। আমরা পর্যবেক্ষণ করব এই কথার বাস্তবায়ন কতটুকু হয়। কারণ আমরা কয়েক দিন আগে দেখেছি, শিশু ধর্ষণের দায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে এসেছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা গেলে অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে, তারা আরও অনেক অপরাধ করতে উৎসাহ পাবে।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে পুরুষদের সম্পৃক্ত করে ভাবা হয়নি তেমন একটা। গবেষণার মাধ্যমে ব্যর্থতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মাওলানা ইউনুস আহমেদ
ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকাকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘অনেক মামলার ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তদন্তের দুর্বলতা ও প্রতিবেদনের ভাষার মারপ্যাঁচে সর্বোচ্চ শাস্তির রায় আপিল বিভাগে আর বহাল থাকে না। এর সঙ্গে ধর্ষকের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ও আর্থিক চাপ তো থাকেই। যার ফলে ধর্ষণের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়েছে এমন নজির কম। এ কারণেই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলছে।’ অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ বলেন, ‘ধর্ষণের মামলায় আইনগত ফাঁকফোকর রাখার কোনো সুযোগ নাই। আইনের যে ধারা ধর্ষককে সুবিধা দেয়, তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং ধর্ষকের বিচার দ্রুত, কঠোর ও প্রকাশ্যে করতে হবে।’
যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে দ্রুত বিচার আইনের মাধ্যমে এই ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি নারীদের শ্লীলতাহানি ও ইভটিজিং বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।’
এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
রাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ ও ৩০ দিনের মধ্যে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে ফের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় ছয় মাস কিংবা ৯০ দিন নয়, বরং ৩০ দিনের মধ্যেই ধর্ষকের বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এর আগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্যারিস রোডে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিবাদী স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। দুপুর ১২টার দিকে প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় রাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুপুর ১টায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
সারা দেশে খুন, ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সেমাবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চন্দনা রানীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চবি প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞানের অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনমুন নেসা চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জি এইচ হাবীব। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের এমদাদ উল্লাহ, অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের জাফিরা তাহসিন, সংগীত বিভাগের ইশা দে, ইংরেজি বিভাগের তামান্না মাহবুব, ইতিহাস বিভাগের রোনাল চাকমা।
কুমিল্লায় ‘বাংলা ব্লকেড’
ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে ধর্ষকের বিচারকাজ সম্পন্ন করার দাবিসহ তিন দফা দাবিতে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বেলা ১১টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অবরোধ ও বিক্ষোভে থমকে যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। যানজটে আটকে পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন চালক, শ্রমিক ও যাত্রীরা।
ধর্ষকদের দ্রুত বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে মহাসড়কের কোটবাড়ী এলাকা। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘ধর্ষকের বিচার হতে হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে। সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে হবে ধর্ষকদের।’
শেরপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
সারা দেশে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শেরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে শহরের চকবাজার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনসাধারণের আয়োজনে ওই কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় ছাত্র-জনতা প্রতিবাদী ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী দাঁড়িয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে নানা স্লোগান দেন।
নাটোরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-বিক্ষোভ
দেশব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সার্বিক পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে নাটোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল জেলা শহরের এনএস কলেজ, সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া এমকে অনার্স কলেজ, নলডাঙ্গা নজমুল হক কলেজ ও মাধনগর ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ওই কর্মসূচির আয়োজন করেন।
বাগেরহাটে মানববন্ধন
দেশব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাগেরহাটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও জেলা ছাত্রদল। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় সব সাধারণ শিক্ষার্থী ও বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কুড়িগ্রামে মহিলা দলের মানববন্ধন
ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রেশমা সুলতানা, সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক নাজমুন নাহার বিউটি, সাধারণ সম্পাদক মোসলেমা বেগম মিলি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক উম্মে আসমা, রীতা পারভীন, সদস্য হালিমা বেগম প্রমুখ।