ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা
Nagad desktop

মাইলস্টোনের শিক্ষিকা মা মাহেরীনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ ২ সন্তান

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৫, ০৬:৫০ পিএম
আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৫, ০৮:৫১ পিএম
মাইলস্টোনের শিক্ষিকা মা মাহেরীনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ ২ সন্তান
ছবি: খবরের কাগজ

মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচিয়ে ‘মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা’ শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরীর দাফন সম্পন হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) তার গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকার বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

অন্তত ২০ জন শিশুর জীবন বাঁচিয়ে শিক্ষিকা মাহেরীন প্রশংসিত হলেও তার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে তার দুই সন্তান। মায়ের দাফনের পর তার দুই ছেলেকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংবাদিকরা দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তারা রাজি হয়নি।

রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শিক্ষিকা ছিলেন মাহেরীন চৌধুরী। তিনি ছিলেন নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়া গ্রামের মৃত মুহিত চৌধুরীর মেয়ে। তার দুই ছেলে। বড় ছেলে আয়য়ান রশিদ (১৫) দশম শ্রেণিতে আর ছোট ছেলে আদিল রশিদ (১০) ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

মাহেরীন চৌধুরীর স্বামী মনসুর হেলাল স্ত্রীকে হারিয়ে শোকাহত। তিনি বলেন, আমার দুই সন্তান এতিম হয়ে গেল। ছোট ছেলেটা গতকাল থেকে কোনো কথাই বলছে না। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। ওদের জন্য দোয়া করবেন।

সোমবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আহতাবস্থায় ২০ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নিজেই চিরবিদায় নিয়েছেন তিনি।

বিমান বিধ্বস্তের পর চারদিকে যখন হইচই, আতঙ্ক আর কান্না। কেউ দৌড়াচ্ছে, কেউ সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। আগুন আর ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে পুরো স্কুল চত্বর। তখনও থেমে যাননি তিনি। শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত লড়েছেন শিশুদের জন্য। নিজের শরীর জ্বলছিল- তবুও দৌড়ে বেড়িয়েছেন এক একটি শিশুর হাত ধরে ভবনের বাইরে বের করে আনতে। তিনি শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। বয়স মাত্র ৪২ বছর। ছিলেন উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কো-অর্ডিনেটর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাইমারি শাখার একটি ভবনের ওপরে বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে প্রশিক্ষণ বিমানটি। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় ভবনে। ওই সময় ভবনের ভেতরে ক্লাস চলছিল। ছিল অনেক শিশু শিক্ষার্থী। ভয়ে সবাই গুটিয়ে যায়। হঠাৎ করেই এগিয়ে আসেন মাহেরীন ম্যাডাম। তিনি তখন ভবনের নিচে শিশুদের হাত ধরে বের করে নিয়ে আসছিলেন। সব কিছু ছাপিয়ে তিনি দৌড়ে ঢুকে পড়েন ভবনের ভেতর। চোখ-মুখ ঢেকে, পোড়া ধোঁয়ার ভেতরেও খুঁজে খুঁজে বের করে আনতে থাকেন শিশুদের।

শিক্ষার্থীদের অনেকে কাঁদছিল, কেউ কেউ দাঁড়িয়ে ছিল হতবিহ্বল হয়ে। তখন মাহেরীন এক এক করে তাদের হাত ধরে বের করে আনেন। চোখের সামনে ভবনের ছাদ ধসে পড়ছে, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ছে, তবু পিছু হটেননি তিনি।

সেনাবাহিনীর উদ্ধার টিম জানায়, ‘শুধু তার জন্যই অন্তত ২০ জন শিশু বেঁচে গেছে। না হলে এ মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ত।’ 

ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, ‘দেহের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। তিনি শেষ মুহূর্তে বারবার বলছিলেন- বাচ্চাগুলো কেমন আছে?’

মাহেরীন চৌধুরীর ওই প্রশ্ন হয়তো এখন কোটি মানুষের হৃদয়ে ধাক্কা দিচ্ছে। একটি শিশুও যেন না মরে- ওই চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই হারিয়ে গেলেন একজন মা ও মা-সম শিক্ষিকা। 

অমিয়/

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী করতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও উদ্যোক্তা দক্ষতা বিকাশে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদ নির্ভর না হয়ে বাস্তব জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে।’

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বর্তমান সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার বিকাশ ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার ফলাফল বা সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব, প্রযুক্তি ও কর্মদক্ষতায়ও সমানভাবে এগিয়ে যাক।’ 

শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের অংশ হিসেবে নতুন পাঠ্যক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রীড়া শিক্ষা, সংস্কৃতি শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন বিষয়। এই বিষয়গুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, নাগরিক দায়িত্ববোধ, সামাজিক আচরণ ও বাস্তব জীবনের দক্ষতা গড়ে তোলা হবে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্রীড়া বিষয়টি নতুন সাবজেক্ট হিসেবে চালু করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়টিও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সকল শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। পাশাপাশি ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি বিষয় থাকবে, যেখানে নৈতিকতা, মূল্যবোধ, দায়িত্বশীলতা এবং একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়গুলো শেখানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিদ্যমান শিক্ষাকাঠামোর মধ্যেই একটি বিস্তৃত অধ্যায়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা হবে।’

শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘ ১৬ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা একদিনে কিংবা এক বছরে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার যেসব জায়গায় সংযোজন, বিয়োজন ও পরিমার্জন প্রয়োজন, আমরা তা বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের মতামতের ভিত্তিতে করব। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ থাকবে।’

নতুন কারিকুলাম প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, ‘সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন বই প্রণয়ন ও ছাপানোর জন্য সরকারের হাতে মাত্র তিন থেকে চার মাস সময় ছিল। ফলে সব পরিবর্তন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তবে চলমান সংস্কার কার্যক্রম আগামী বছর আরও বিস্তৃত হবে।’

তনি আরও বলেন, ‘আমরা বাস্তবতাকে মাথায় রেখে কাজ করছি। তিন-চার মাসে শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে আগামী বছর আরও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে এবং ধীরে ধীরে একটি আধুনিক, দক্ষতাভিত্তিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা খাতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের প্রায় ১৪ লাখ ট্যাব প্রয়োজন হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় প্রকল্প। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ বিষয়ে পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

মাহদী আমিন দেশের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে এ বছর ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। বালক ও বালিকা মিলিয়ে এই অংশগ্রহণ দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে একটি বড় অর্জন।

তিনি বলেন, ‘ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আমরা শিশুদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ, নেতৃত্ব এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিযোগিতা চলছে। আগামী ২০ জুন জাতীয় পর্যায়ের ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা বিকাশে ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ নামে একটি জাতীয় কর্মসূচি চালুর কথাও জানান তিনি। এ কর্মসূচির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় ও জাতীয় সমস্যার সমাধানে উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী ভালো উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে আসবে, তাদের জন্য সিড ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা চাই তরুণরা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠুক এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক।’

কারিগরি শিক্ষার প্রসার নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে স্কিলস কম্পিটিশন, ক্যারিয়ার ফেয়ার এবং সরাসরি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’

তার ভাষায়, ‘আমরা চাই কারিগরি শিক্ষা একটি সম্মানজনক শিক্ষাধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই যেন শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, সেই ব্যবস্থা তৈরি করা হবে।’

এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করা হবে।

রিফাত/

ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ফাইল ছবি

ছয় দফা দাবিতে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসক, প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো কতটা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। 

সোমবার (৮ জুন) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পরে বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। 

এ আলোচনা শেষে জানানো হয়, আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি-দাওয়া পূরণে সচেষ্ট হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ আশ্বাসের পর চলমান কর্মবিরতি ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে সোমবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ। আন্দোলন করার অধিকার সবার রয়েছে। তাদের দাবিগুলো কতটা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য, তা আমরা পর্যালোচনা করব।’

এরপর সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বসেন।

বৈঠকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বর্তমান ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে নবম গ্রেডের বেসিক অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা নির্ধারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে এফসিপিএস ডাক্তারদের কোনো ইনক্রিমেন্ট ছাড়াই নবম গ্রেডের সব সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, এই সিদ্ধান্ত এখনই কার্যকর না হলেও আগামী বাজেটে এটি বিবেচনা করা হবে মর্মে সচিব ও মহাপরিচালক আশ্বাস দিয়েছেন।

ছয় দফা দাবির বিপরীতে উভয় পক্ষ যৌথ বিবৃতিও দিয়েছে গতকাল। এই সিদ্ধান্তগুলো হলো-

১. এফসিপিএস পার্ট-১ এবং এমডি/এমএস (ফেজ-১) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থী প্রতি মাসে নিয়মিত ভাতা পাবেন।

২. সরকারের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট ডাক্তারদের বর্তমান ভাতা আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করা হবে।

৩. সংশ্লিষ্ট সব পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৪. বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।

৫. বিসিপিএস এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা হবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে।

৬. বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও মেডিকেল কলেজে এন্ট্রি লেভেলে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১২ সদস্যের ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির (আইডিএস) সভাপতি ডা. মোস্তফা আমির ফয়সল ও সাধারণ সম্পাদক ডা. নাবিল বিন কাশেম, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (এসএসএমসি) হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) সদস্য সচিব ডা. আল মায়ান শেখ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ (এসএইচএসএমসি) হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস কমিটির (আইডিসি) সমন্বয়ক ডা. মো. ফজলে এলাহী তরুণ ও ডা. সাব্বির হোসাইনসহ অন্যরা।

এর আগে ছয় দফা দাবিতে গত শনিবার প্রতিটি ক্যাম্পাসে মানববন্ধন এবং রবিবার থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন। সোমবার থেকে পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরাও এই কর্মবিরতিতে যোগ দিলে স্বাস্থ্যখাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।ছবি: সংগৃহীত

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দীর্ঘ এক ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে ছিলাম, এরপর সংসদে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার প্রশ্ন হলো, টাকা পাচারের বিরুদ্ধে বাণিজ্যমন্ত্রী কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না।’ 

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে অর্থ পাচারের বিষয়টি প্রমাণ করা সহজ নয়।’ 

তিনি বলেন, ‘১৩০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হচ্ছে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন, কোন পণ্যের মাধ্যমে কত অর্থ পাচার হচ্ছে। এটি গবেষণা ও যাচাইয়ের বিষয়।’ 

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে সরকার।’ 

রিফাত/

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল। ছবি: মাসুদ মিলন

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৮৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
 
সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা  এক হাজার ৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮০ হাজার ১০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯৩ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৭৭৯ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৫ হাজার ২৩৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬১ হাজার ২৭৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রিফাত/

ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার আগে দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী মে মাসের বেতন-ভাতা না পাওয়ায় জাতীয় সংসদে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ৭১ বিধিতে দেওয়া এক নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘জুন মাসের ৮ তারিখ পার হয়ে গেলেও শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনো মে মাসের বেতন পাননি। ফলে ঈদুল আজহার মতো বড় ধর্মীয় উৎসবের সময় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকদের ঈদের আগে বেতন না পাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।’

সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী শিক্ষকদের বেতন প্রদানে বাধা সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সক্রিয় ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

বক্তব্যে তিনি শিক্ষকদের অধিকার ও কল্যাণে অতীতের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আনা এবং পরবর্তীতে উৎসব ভাতা ও বেতন বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’

একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়ন সত্ত্বেও প্রতি মাসে সময়মতো বেতন পরিশোধে কেন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক গাফিলতি বা সমন্বয়হীনতার কারণে শিক্ষকদের বেতন আটকে থাকা দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।’

অবিলম্বে জটিলতা নিরসন করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস দ্রুত পরিশোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংসদ সদস্য।

এলিস/রিফাত/