ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি সবার সক্রিয় ভূমিকায় রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার শার্শায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার ইসলামে মায়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা সমুদ্রের তলদেশে বিচিত্র এক সুতোয় বাঁধা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র আর্মেনিয়ায় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা
Nagad desktop

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বছরে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২৫, ০৫:২৬ পিএম
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বছরে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
ছবি: খবরের কাগজ

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডে প্রতি বছর ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

রবিবার (১০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রূপরেখা: সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি তোলেন। 

বেসরকারি এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা বলেন, ‘প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এ ফান্ডেড কথা ফলাও করে প্রচার করতে পারে  না।’

তাই পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করে এই ফান্ডকে কার্যকর করার দাবি জানান তারা। 

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কারের রূপরেখা উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ জাহাঙ্গীর। উপস্থিত ছিলেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ড. কামরান উল বাসেত, ফেরদৌস খান, সংগঠনের উপদেষ্টা প্রকৌশলী মো. আরিফ রায়হান প্রমুখ। 

লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮-তে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ট্রাস্ট ফান্ডের বিধান রয়েছে। মোটরযানের নিবন্ধন ফি, নবায়ন ফি, মোটরযানভিত্তিক বিভিন্ন প্রকার চাঁদা ও অনুদান এই ফান্ডের অর্থের উৎস। ট্রাস্ট ফান্ড থেকে আর্থিক সহযোগিতা হিসেবে- দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ৫ লাখ টাকা, অঙ্গহানি হলে ৩ লাখ টাকা এবং সুস্থ জীবনে ফেরার সম্ভাবনা না থাকলে ১ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে। আর্থিক সহযোগিতা পেতে হলে দুর্ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ডে আবেদন করতে হয়। এরপর তদন্তু সাপেক্ষে সহযোগিতার অর্থ দেওয়া হয়।’

কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের অধিকাংশই এই ট্রাস্ট ফান্ডের তথ্য জানেন না। প্রচারণার মাধ্যমে জানানো হয় না। যারা আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করছেন তারাও ঠিকমতো সহযোগিতা পাচ্ছেন না। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের সর্বাগ্রে প্রয়োজন চিকিৎসা। কিন্তু ট্রাস্ট ফান্ড তাৎক্ষণিক তো নয়-ই, তিন মাসের মধ্যেও চিকিৎসাসেবায় কোনো প্রকার অবদান রাখতে পারছে না।’ 
সৈয়দ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনুযায়ী সবাইকে আর্থিক সহযোগিতা করতে হলে বছরে ৭০০ কোটি টাকা প্রয়োজন।’

এ ছাড়া জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠনের প্রস্তাব আনেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। 

তারা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে প্রধান করে এই কাউন্সিল পুনর্গঠনের প্রস্তাব করেন। এতে সদস্য হিসেবে সড়ক পরিবহন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির কথা বলেন তারা। সাচিবিক দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের ওপর ন্যস্ত রাখতে চান তারা। 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এই জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের অধীনে পরিচালিত হবে। কাউন্সিলের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতি তার প্রতিনিধি হিসেবে একজন বিচারপতি বা অন্য কাউকে মনোনীত করতে পারবেন। জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের হাতে থাকতে হবে নিজস্ব আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা। 

দেশে সড়ক নিরাপত্তা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। যানবাহনের আয়ুষ্কাল ও ডাম্পিং নীতিমালা তৈরির প্রস্তাবও আসে এই সংবাদ সম্মেলন থেকে। 

সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পে ইন্টিগ্রেটেড ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম, গ্লোবাল প্ল্যানিং সিস্টেম, সার্ভিলেন্স ক্যামেরা এবং রোড ট্রাফিক সেফটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বাধ্যতামূলকভাবে চালু করার কথা বলা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
বেসরকারি খাতে গণপরিবহন মালিকরা যেন নতুন যানবাহন কিনতে সহজ শর্তে ঋণ পান এমন নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাবও করেন তারা। 

রাজধানীতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালুর প্রস্তাব আনা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সৈয়দ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘রাজধানীর গণপরিবহন ৫৩ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করে। রাজধানীর মেট্রোরেল এবং নির্মানাধীণ সাবওয়ে যে পরিমান যাত্রী পরিবহন করবে তার চেয়ে ৪ গুণ বেশি যাত্রী পরিবহন করবে সমতল সড়কের বাস সার্ভিস। তাই মাত্র সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার নতুন বাস কিনে কোম্পানিভিত্তিক পরিচালনা করা জরুরি।’ 

রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে বহুতল বিশিষ্ট হাইড্রোলিক পার্কিং স্টেশন তৈরি করার প্রস্তাবও করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

জয়ন্ত সাহা/সুমন/

সন্ধ্যার মধ্যে ৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
সন্ধ্যার মধ্যে ৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ৭ অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিমবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। 

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

সালমান/ 

মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে আজ থেকে

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে আজ থেকে
আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলাচল করবে মেট্রোরেল। ছবি: সংগৃহীত

নতুন সময়সূচিতে চলাচল করবে মেট্রোরেল। রবিবার (৭ জুন) থেকে রাজধানীর দুই প্রান্ত–উত্তরা ও মতিঝিল থেকে রাতে ট্রেন চলাচলের সময় ২০ মিনিট করে বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাতে মতিঝিল থেকে উত্তরার উদ্দেশে সর্বশেষ ট্রেনটি ছেড়ে যাবে সাড়ে ১০টায়, যা গতকাল শনিবার পর্যন্ত রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছেড়ে যেত। অন্যদিকে উত্তরা থেকে মতিঝিলের পথে রাতের শেষ ট্রেনটি ছাড়বে ৯টা ৫০ মিনিটে, যা গতকাল রাতে ছেড়েছে সাড়ে ৯টায়।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতে সময় বাড়ানোর লক্ষ্যে এক মাস ধরে ট্রায়াল রান বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে। আজ রবিবার থেকে এই বর্ধিত সময়ে যাত্রী পরিবহন শুরু হবে। তবে প্রাথমিকভাবে এই বাড়তি ২০ মিনিটে মেট্রোরেল উভয় দিক থেকে একটি করে ট্রিপ দেবে। এর অর্থ একটি ট্রেন মতিঝিলমুখী ও অন্যটি উত্তরামুখী চলাচল করবে। এতে এই সময়ে একটি ট্রেনের সঙ্গে অন্য ট্রেনের মধ্যবর্তী বিরতি বা হেডওয়ে থাকবে ১০ মিনিট।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে মতিঝিল থেকে রাত ১১টা এবং উত্তরা থেকে রাত ১০টার পর শেষ ট্রেন ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে একসঙ্গে এত সময় বাড়ালে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত হতে না পারায় আপাতত ২০ মিনিট করে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাতে চলাচল আরও আধা ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

এখন প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬টায় উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী দিনের প্রথম মেট্রোরেল ছাড়ে। আর মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেনটি ছাড়ে সকাল সোয়া ৭টায়। সকালের এই সূচিতে আপাতত কোনো পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) নজরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘রাতে দুই দিক থেকেই মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, রবিবার থেকে বর্ধিত সময়ে ট্রেন চলাচল করবে। পর্যায়ক্রমে সময় আরও বাড়ানো হবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে।’

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে মেট্রোরেলের সময়সীমা উভয় দিকে আধা ঘণ্টা করে মোট ১ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল। এখন সারা দিনে ২৯৭ বার (ট্রিপ) মেট্রোরেল যাতায়াত করে। রাতে সময় বাড়ায় এখন ট্রিপের সংখ্যা আরও বাড়বে।

এখন উত্তরা-মতিঝিল রুটে চলাচলের জন্য ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে, যার প্রতিটিতে রয়েছে ছয়টি করে কোচ। পিক আওয়ারে (ব্যস্ত সময়) বর্তমানে ১২ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক চলাচল করে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, বাড়তি সময়ের চাহিদা মেটাতে এখন থেকে ১৪ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হবে।

ডিএমটিসিএলের অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারিগরিভাবে প্রতি সাড়ে ৩ মিনিট পরপর একটি ট্রেন চালানোর সক্ষমতা রয়েছে ডিএমটিসিএলের। প্রকল্প পরিকল্পনায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ট্রেন চালানোর প্রক্ষেপণ থাকলেও মূলত প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে পর্যায়ক্রমে সময় বাড়ানো হচ্ছে।

বর্তমানে মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে সোয়া চার লাখের মতো যাত্রী যাতায়াত করছেন, যেখানে দৈনিক পাঁচ লাখ যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারিত অংশ আগামী বছর চালু হলে দৈনিক যাত্রীসংখ্যা পৌনে সাত লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম মেট্রোরেল চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালের শেষ দিনে মতিঝিল পর্যন্ত সব কয়টি স্টেশনে পুরোদমে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

বাজেট অধিবেশন বসছে আজ

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:০৭ এএম
বাজেট অধিবেশন বসছে আজ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা বাজেট অধিবেশন বসছে আজ রবিবার। বেলা ৩টায় শুরু হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন।

মূলত এই অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন ও পাসের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

আগামী ১১ জুন সংসদে এবার ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

এদিকে বাজেট অধিবেশনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ সচিবালয়ের সব প্রস্তুতি তারা শেষ করেছেন। অধিবেশন কক্ষের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পুরো সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের কাজ শেষ করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। 

বাজেট অধিবেশন কতদিন চলবে, সে বিষয়ে অধিবেশন শুরুর আগে অনুষ্ঠিত আজকের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, শেরে বাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনেই নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট নিয়ে আলোচনা, মন্ত্রণালয়ভিত্তিক বরাদ্দ অনুমোদন, অর্থবিল এবং সংশ্লিষ্ট আইন পাসের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেট বক্তৃতা, অর্থবিল, বরাদ্দসংক্রান্ত নথি, সংসদ সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকাশনা ও তথ্যপত্র প্রস্তুতের কাজ ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অধিবেশন নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনিক, কারিগরি ও নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘বাজেট অধিবেশন সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন। সে অনুযায়ী সংসদ সচিবালয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। সংসদের নিরাপত্তা, অধিবেশন কক্ষের অবকাঠামো, চেয়ার-টেবিল, লজিস্টিক সাপোর্ট থেকে শুরু করে সংসদ পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় তদারকি করা হচ্ছে।’ 

এ সময় গত অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেম বিভ্রাটের বিষয়টি স্বীকার করে চিফ হুইপ জানান, আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে চাহিদা জেনে প্রেজেন্টেশন নেওয়া হয়েছে এবং সম্ভাব্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাস্তব প্রদর্শনী দেখার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাজেট অধিবেশনকে ঘিরে সংসদ ভবন এলাকার নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করেছে প্রশাসন। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) শনিবার রাত ১২টা থেকে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও অন্যান্য ক্ষতিকর দ্রব্য বহনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়। ২৫ কার্যদিবসের ওই অধিবেশনে ৯৪টি বিল পাস এবং ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। ৭টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ২৮০ জন সংসদ সদস্য। 

নতুন সংসদের কার্যক্রমের ভিত্তি স্থাপনকারী সেই অধিবেশনের পর প্রথমবারের মতো বাজেট অধিবেশনে বসছে বিএনপি সরকার। আর এই অধিবেশনে আগামী এক বছরের জন্য দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হবে।

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫১ পিএম
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির উদ্যোগে প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও মজলুমদের মাঝে গোস্ত ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে ধানমন্ডি জাস্টিস আমিন আহমেদ ট্রাস্ট সংলগ্ন সড়কে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী। 

দুস্থ ও মজলুমদের মাঝে গোস্ত ও নগদ অর্থ বিতরণ। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ড. মো: আব্দুল হক তালুকদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. জমিরুল আকতার, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন ওমর ফারুক বিএন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার শরীফ আজিজ, সিনিয়র এডভোকেট মঈনুদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত উইং কমাণ্ডার মীর আমিনুল ইসলাম, আফাজ উদ্দিন, ছাত্র প্রতিনিধি কবি সেজান খানসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, হাসিনা যা ক্ষতি করেছে, তার থেকে দেশের বেশি ক্ষতি করেছে ইউনূস। সরকারের প্রভাবমুক্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যকর করতে হবে। দুদকে বাংলাদেশের নিঃস্বার্থ মজলুম জনগণের থেকে সৎ সাহসী, সত্যবাদী, দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিকদের চেয়ারম্যান, কমিশনার নিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত যেসব লুটেরা-মাফিয়া ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক মজলুম জনগণ রুখে না দাঁড়ালে বাংলাদেশের দুর্নীতি বন্ধ হবে না।

সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দুঃখ করে বলেন, তিন বছর চেষ্টা করেও সকল ধর্মের অনুশাসন-“দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ” দুর্নীতি অপরাধ, দুর্নীতিবাজদের ঘৃণা করুন এই কথাটি ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ, বায়তুল আমান মসজিদের ইমামকে দিয়ে বলাতে পারিনি। মিথ্যাচার, স্বার্থপরতা ও উশৃঙ্খলতা পরিহার করে বাংলাদেশের ৮৭℅  মজলুম জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ, জনগণের সামাজিক ও জাতীয় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।

তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আসুন সবার আগে নিজকে শুদ্ধ করি, নিজের পরিবারকে শুদ্ধ করুন, নিজের পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে শুদ্ধ করুন, পরিচিত দুর্নীতিবাজদের ঘৃণা করে সহিহ নিয়তে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার দেশপ্রেমিকগণ ঐক্যবদ্ধ হলে বাংলাদেশে দুর্নীতিবাজের ঠাঁই হবে না। 

দেশের মালিক জনগণ, আমরা সরকারের অংশীদার। তিনি সরকারের প্রতি জাপান, চায়না, সিঙ্গাপুরের ভূমি আইন প্রয়োগ করে ভূমিদস্যুদের থেকে জনগণের সম্পদ রক্ষা করার দাবি জানান। লাখ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে, রক্তরঞ্জিত বাংলাদেশে বায়ান্ন, উনসত্তর, একাত্তর, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায়, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক  সকলের বাসযোগ্য, একটি নৈতিক মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার দেশপ্রেমিকদের জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান।

এসএন/

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

তিনি বলেন, তাঁর এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।

এ লক্ষ্যে উভয় পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছে।

এ ছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/