দেশের মানুষ একটি প্রভাবমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচন চান বলে জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, ‘তৃণমূল দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব শূন্য থাকা উচিত না। মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে এক অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাজনৈতিক নেতারা বাসস্ট্যান্ড, টেম্পুস্ট্যান্ড, খাল-বিল দখল নিয়ে ব্যস্ত। ইউরোপ আমেরিকায় যদি চাঁদাবাজি ছাড়া রাজনীতি চলতে পারে বাংলাদেশে পারবে না কেন? রাখাইন রাজ্যে এখন কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। এই নাজুক অবস্থায় মানবিক করিডর দিলে পুরো এলাকা অস্থিতিশীল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।’
বুধবার (২৮ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে গণশক্তি সভার আয়োজিত জনদুর্ভোগ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘চলমান আন্দোলনগুলোর ব্যাপারে সরকারকে সজাগ থাকতে হবে। অনেকে ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। ন্যায্য দাবিগুলোর প্রতি সরকারকে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।’
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম।
সভা সঞ্চালনা করেন গণশক্তি সভার সভাপতি সাংবাদিক সাদেক রহমান।
শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদেরকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে যেন দেশ অস্থিতিশীল হয়ে না ওঠে। আমরা এখন মুক্ত পরিবেশ পেয়ে অতীত ভুলে গেছি। যারা হাজার হাজার মামলায় জড়িত ছিলেন তারা এখন মুক্ত বিহঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা এখন অস্থির আচরণ করছেন। তাদেরকে আমি অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকবর হোসেন, নাগরিক নারী ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার, গণমুক্তি জোটের মহাসচিব আক্তার হোসেন, প্রাইম সিভিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মেহতাজ হোসেন, অ্যাডভোকেট শেখ ওমর, বিশিষ্ট আইনজীবী শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ড. মো. হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী শারমিন সুলতানা চৈতি, নতুন ধারা জনতার পার্টির চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ নূর, বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী আয়েশা সিদ্দিকা, জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, বিশিষ্ট গবেষক আলাউদ্দিন কামরুল, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরীর নেতা ওমর ফারুক, বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী রুহুল আমিন প্রমুখ।
রাজু/পপি/