আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করলে আবারও ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ডাক আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন।
তিনি বলেন, যে ভোটাধিকারের জন্য যুব জাগপা নেতা শহীদ মাসুদ রায়হান ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন, সেই ভোটের মাঠে আবারও আমরা রক্তপাত দেখতে পাচ্ছি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে যুব জাগপা আয়োজিত ‘৫ জানুয়ারি ২০১৪ ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের হাতে গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ ও যুব জাগপা নেতা শহীদ মাসুদ রায়হানের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ইকবাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের সুযোগ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি শুরু করেছে। একইভাবে কতিপয় উপদেষ্টা ও বর্তমান প্রশাসনের একপক্ষীয় আচরণের কারণে নির্বাচনের মাঠে নতুন সংঘাতের সৃষ্টি হচ্ছে।
সরকারকে হুঁশিয়ারি জানিয়ে তিনি বলেন, আপনার সরকারের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা তিন স্তরের নিরাপত্তা নিয়ে মাঠে মহড়া দিচ্ছেন, আর অন্য প্রার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবিলম্বে প্রার্থীদের সমান অধিকার ও ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
জাগপার সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, রবিবার কথিত আওয়ামীপন্থী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বৈঠক হয়েছে। যারা গত পনেরো বছর ধরে পুরো দেশকে সিন্ডিকেট বানিয়ে এলপি গ্যাস, তেল, চাল, ডাল ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং গরিবের পেটে লাথি মেরেছেন, তারাই এখন তারেক রহমানের পা-চাটা শুরু করেছেন। তারা এখন বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী সেজেছেন।
যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জাগপা প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, জাগপা নেতা ডা. মিজানুর রহমান, যুব জাগপার সহ-দপ্তর সম্পাদক আল আমিন, ক্রীড়া সম্পাদক জনি নন্দী, জাগপা ছাত্রলীগের প্রোগ্রাম সম্পাদক এনামুল হক এনাম প্রমুখ।
শফিকুল/রিফাত/